বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অপর পাশ থেকে
কোন শব্দ নেই ।
শান্তু
আবারও বলে –
হ্যালো, কে
বলছেন ? ওপর
পাশে থেকে
এবারও কেউ
উত্তর দেয় না ।
এবার শান্তু
বিরক্তি আর
চেপে রাখতে
পারে না –
প্রায় চিৎকার
করে বলে –
আরে কথা
বলছেন না
কেন ? বেশ
কিছুক্ষন চুপ
করে কানে
রিসিভার ধরে
রাখার পর
শান্তুর মনে
হলো, অপর পাশে
কেউ একজন
দীর্ঘশ্বাস
ছাড়লো ।
শান্তু আবারও
বলে উঠে –
হ্যালো !
হ্যালো ! আশ্চর্য
কথা বলছেন না
কেন ? কথা না
বললে এতো
রাতে ফোন
করেছেন কেন ?
যতোসব
যন্ত্রনা । ওপর
পাশে থেকে
আবার ও
দীর্ঘশ্বাস
ফেরার শব্দ
ভেসে এলো ।
শান্তু
আবার বললো –
হ্যালো !
হ্যালো ! হঠাৎই
ডায়াল টোন
ফিরে আসাতে
শান্তু
রিসিভারটা
প্রায়
আছড়ে রেখে
বলে উঠলো –
যতোসব নরকের
কীট । শান্তুর
চোখ থেকে ঘুম
পুরোপুরি সড়ে
গেছে । সোফা
থেকে উঠে ওর
রুমে যাবার
জন্য যেই না
মাঝখানে
ডাইনিং রুমের
দরজায়
তাকিয়েছে,
ওমনি কয়েক
মুহুর্তের জন্য
চমকে উঠলো
শান্তু – ওর মনে
হলো চট
করে কে যেন
সড়ে গেল ।
শান্তুর পুরো
শরীর হঠাৎ
কেঁপে উঠলো ।
সমস্ত
শরীরে একটা
শিরশির
অনুভুতি ভয়ে
গেল
। শান্তুর মনে
হলো,যে কেউ
একজন দরজায়
দাড়িয়ে ওকে
দেখছিল । ও
তাকাতেই যেন
চোখের পলকে
শূণ্যে
একটা অবয়বটা
মিলিয়ে গেল ।
শান্তুর পুরো
শরীর ঝিম
ঝিম করেছে ।
কেউ আছে কিনা,
ভাল করে
দেখার জন্য
শান্তু প্রায়
সঙ্গে সঙ্গে
ড্রাইনিং
রুমের বাতিটা
জ্বেলে দিল ।
মুর্হুতে পুরো
ড্রাইনিং
রুমটা আলোকিত
হয়ে গেল ।
ড্রাইনিং
টেবিল, চেয়ার,
ফ্রিজ,
ফ্রিজের উপড়
রাখা
বিভিন্ন
বোতলগুলো যেন
ওর দিকে
তাকিয়ে
ব্যঙ্গাত্নক
হাঁসি হাসতে
লাগলো ।
এছাড়া আর
কোথাও কেউ
নেই । নির্ঘাত
চোখের ভুল
বলে , মন থেকে
শান্তু
ব্যাপারটা
সড়িয়ে
দিতে চেষ্টা
করলো । কিন্তু
ও’র অবচের্তন
মন
ব্যাপারটা
ভুলতে
পারলো না ।
শান্তু
ড্রাইনিং
টেবিলের
নীচটায়
একবার
তাকিয়ে
দেখলো, কেউ
লুকিয়ে আছে
কিনা , তারপর
যেই বাতি
নেভাবার জন্য
সুইচে হাত
দিয়েছে, ঠিক
তখনই ক্রিং
ক্রিং করে
ফোনটা আবারো
বেজে উঠলো ।
হঠাৎ শব্দে
শান্তু প্রায়
চমকে উঠলো ।
বুকটা ধকধক
করছে । রাতের
বেলায় সব শব্দ
বুঝি একটু জোড়ে
শোনা
যায় । শান্তু
নিজেকে শান্ত
রেখে থু থু করে
বুকে
দু’বার থুতু
দিল ।তারপর
ফোনের
রিসিভারটা
তুলে
বললো –
হ্যালো ! কে ?
এবার অপর
পাশে থেকে শো
শো শব্দ শোনা
গেল । ঝড় হলে
দরজা জানালা
বন্ধ
থাকা ঘরের
ভেতর থেকে যে
রকম শব্দ শোনা
যায়,অনেকটা
সে রকম ।
এ ছাড়া অপর
পাশে অন্য কোন
শব্দ নেই ।
শান্তু তবুও বেশ
বিরক্তি নিয়ে
বললো -এতো
রাতে ফোন
করে বিরক্ত
করার মানে
কি ? কথা
বলছেন না
কেন ?
হ্যালো!
হ্যালো! । হঠাৎ
ফোনের শো শো
শব্দটা
বন্ধ হয়ে গেল ।
এবং আবারও
দীর্ঘশ্বাস
ফেলার শব্দ
শোনা গেল ।
আরে ব্যাটা
ছাগলের মতো
খালি খালি
দীর্ঘশ্বাস
ছাড়রস কেন ?
বাপের ব্যাটা
হলে কথা
বল । অন্যদিক
দিয়ে দম বেড়
করে দিমু ।
যতোসব
ইডিয়টের দল ।
খুঁট করে
ফোন রেখে
দেবার শব্দ
হলো ।
শান্তু রাগে
গজগজ করতে
করতে কলার
লিষ্টটা
দেখলো
০০ দিয়ে একটা
অপরিচিত
নাম্বার উঠে
আছে । হঠাৎ
শান্তুর মনে
হলো কোন
ওভারসিস কল
নাতো ?
ওভারসিস
কল হলে, নরওয়ে
থেকে একমাত্র
বড়মামা
ফোন করতে
পারে । কিন্তু
মামা তো জানে
মা -বাবা,
টুম্পা সবাই
সিলেট গেছে ।
তাহলে ! কে ফোন
করলো ?
এভাবে
গালি দেওয়া
কি ঠিক হলো ?
কথাটা চিন্তা
করতে করতে
বার্থরুম
হয়ে, শান্তু ওর
ঘরে চলে এলো ।
কম্বল টেনে
শুতে শুতে শান্তু
ঘড়ি দেখলো
, পৌনে দুটো
বাজে । মনে
মনে দোয়া পড়ে
শান্তু
ডানপাশে কাত
হয়ে
শুয়ে পড়লো । দুই
শান্তু কতোক্ষন
ঘুমিয়েছে ঠিক
বলতে
পারবে না । ঘুম
ভাঙ্গল কোন
কিছুর খুঁটুর মুঁটুর
শব্দে ।
শান্তু মাথা
তুলে
শুনতে চেষ্টা
করলো শব্দটা
কোথা থেকে
আসছে । শান্তু
ওর ঘরের বাতি
জ্বেলেই
শুয়েছে । দরজা
খোলা থাকায়
ড্রাইনিং
রুমের ফ্রিজ
দুটো স্পস্ট
দেখা
যাচ্ছে ।
নরমাল
ফ্লিজটার গা
ঘেষেই রান্না
ঘর – শান্তুর
হঠাৎ মনে
হলো-রান্না
ঘরে কেউ একজন
কিছু একটা
করছে । খুঁটুর
খুঁটুর শব্দটা
রান্না ঘরে
থেকেই আসছে ।
এতো রাতে কে
হতে পারে ?
যেহেতু পুরো
বাসায় শান্তু
একা । তাহলে
রান্না ঘরে
কে ? শান্তু
বেশ ঘাবড়ে
গেল ।
কে আসবে এতো
রাতে রান্না
ঘরে ? ভূতটুত
না তো ?
ড্রইং রুমের
দরজায় দেখা
অবয়বটার
কথা মনে পরে
গেল শান্তুর ।
কেমন একটা
ভয়ে পেটটা
মোচড়
দিয়ে উঠলো ।
শান্তু কম্বলটা
গাঁ থেকে
সড়িয়ে উঠে
দাঁড়ালো ।
ভয়টা
যাচ্ছে না ।
শান্তু গলা
খাকারি দিয়ে
বললো -কে ? কে
ওখানে ? প্রায়
সঙ্গে সঙ্গে খুঁট
খুঁট
শব্দটা বন্ধ
হয়ে গেল ।
শান্তু ওর ঘর
থেকে পুরোপুরি
না বেড় হয়ে
রান্না ঘরের
দিকে উকি দিল
। ঠিক তখনি ওর
মনে হলো,
রান্না ঘরের
দরজা থেকে
কেউ একজন হুট
করে সড়ে গেল
। শান্তু চমকে
উঠে বেশ ঘনঘন
বলে উঠলো- কে ?
কে ?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now