বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অ্যামাজনে কয়েকদিন [পর্ব ২৮]

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (০ পয়েন্ট)

X লেখক: অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় হৃদয় একে একে সবগুলো মশাল জ্বলে উঠল।মশালের আগুণের শিখা হালকা বাতাসে দোলছে,ফলে একটা অন্যরকম আলো হয়েছে। চারিদিক নিরব নিস্তব্ধ,হালকা ঝিঝি পোকার ডাকের শব্দ আসছে।আর আকাশ একদম মেঘমুক্ত।চারপাশে চাঁদের আলো,তবে এখনও পূর্ণিমা নয়,হালকা চাঁদের আলো।এই জায়গাটাতে গাছগাছালি মোটমোটি কম। আর উঁচু গাছ দুটোর কাছে আমাদের জিনিসপত্রের ক্যাম্প আছে। আজ রাতটা কাটিয়ে কাল আমাদের মূল লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাব। ইভা আর সামিয়া চা বানিয়ে এনেছে। আমরা সবাই চা পান করতে বসলাম। হালকা আড্ডাও চলছে আমাদের মাঝে।হাসি মজার আলাপ চলছে। সবার কথাবার্তার শব্দে আবার নিরব প্রকৃতি সজীব হয়ে উঠল। এদিকে ধীরেধীরে চা পান করা শেষ,সাথে আড্ডাও শেষ হয়ে গেল।সবাই নিজ নিজ কাজে ব্যাস্ত হয়ে গেল। মেয়েরা গেল রান্না করতে এবং আমরা কয়েকজন গেলাম রান্নার কাজে সাহায্য করতে।অন্ধকার হওয়ার আগে আগেই আমাদের ক্যাম্পের উত্তরদিকে চুলাটা বানিয়ে নেওয়া হয়েছিল কয়েকটা পাথর বসিয়ে। পাথরের চুলায় এখন রান্না হবে কাঠ পুড়িয়ে।তবে কাঠের সংখ্যা কিছুটা কম আজ। যে পরিমাণ কাঠ আছে তা দিয়ে সব রান্না হবে বলে মনে হয় না।ফলে মফিজুল,সামির, মাহিনকে পাঠানো হলো কাঠ আনতে। তারা একটা মশাল হাতে নিয়ে কাঠের খুঁজে গেল। রুবি আপু,আনিকা, সারা, তুবা, জান্নাত আপু,ইশিকা আপু আর ইভা রান্নার উপকরণগুলো তৈরি করছে। রেহনুমা আপু আর লাকি আপু রান্না করছে। আমাদের ছেলেদেরকে বিভিন্ন কাজ করতে দেওয়া হয়েছে।যেমন : তানিম ভাই আর মেহেদী ভাই কাঁদছেন, আই মিন পেঁয়াজের খোসা তোলছেন।মফিজুল আর শুভ রসুন বাছাবাছি করছে,আমি আদা বাছছি।আমার কাজ কম। তানিম ভাইয়া প্রায় সময়ই রুবি আপুর পিছনে লাগে।তাই রুবি আপুও তানিম ভাইকে ছেড়ে কথা বলেন না। রুবি আপু: কীরে তানিম্মা,এমন ভাবে কাঁদছিস কেন??? তানিম ভাই: কাঁদছি কি আর সাদে???দেশী পেঁয়াজের কী ঝাঁঝ। রুবি আপু: সামান্য পেঁয়াজের ঝাঁঝ সহ্য করতে পারিস না??? এখনও বাচ্চা ছেলে হয়েই আছিস। তানিম ভাই: সব দোষ প্রভার।আরে ভাই দেশী পেঁয়াজ না এনে যে পেঁয়াজ বাছলে চোখ দিয়ে কম পানি পড়ে সেইরকম পেঁয়াজ আনতেন। মেহেদী ভাই: আরে দেশী জিনিসের মজাই আলাদা।তাই আরকি দেশী পেঁয়াজ এনেছিলাম সাথে। রুবি আপু: তুই সব রকম পেঁয়াজ বাছতে গিয়েও কাঁদবি তানিম্মা rasrasras তনিম ভাই: একবার অমন পেঁয়াজ এনে দিয়ে দেখ আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ে কিনা।আর তুই নিজেও বেঁছে দেখ তোর চোখ দিয়ে পানি পরে কিনা। আমরা সবাই ওদের কথ শুনছি আর হাসছি।এমন সময় কারও দৌড়ে আসার শব্দ পাওয়া গেল।কয়েকজন একসাথে দৌড়ুচ্ছে।রুবি আপুর পাশে বসে আনিকা রান্নার কাজ করছিল, সে বলল,,, আনিকা: এই রুবি আপু তুমি থাম।শুন কারও দৌড়ানোর শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। হৃদয়: হুমম আমিও শব্দ পাচ্ছি।তবে একা কেউ দৌড়ুচ্ছে না,মনে হয় বেশ কয়েকজন মিলে দৌড়ুচ্ছে।এই সবাই চল তো গিয়ে দেখি কী হয়েছে। মেয়েদেরকে তাদের কাজে রেখে আমরা বেশ কয়েকজন দক্ষিণ দিকে দৌড়ে আসলাম।কারণ শব্দটা হচ্ছিল দক্ষিণ দিক থেকে,এখন শব্দটা আরও স্পষ্ট হলো।কেউ বা কারা যেন ঝোপঝাড় ভেদ করে আসছে,আর তার পিছনে ঘেউ ঘেউ শব্দ হচ্ছে।আমরা যথাস্থানে পৌছে গেলাম। দেখলাম মাফিজুল মাহিন আর সামির দৌড়ে আসছে,সামিরের হাতে মশালটা। ওরা দৌড় এসে আমাদের কাছে থামল।আমরা যে জায়গায় দাড়িয়ে আছি সেখানে মশালের আলোয় সব কিছু ভালো করেই দেখা যাচ্ছে।কে তাদের তাড়া করছিল দেখতে পেলাম এবার।একটা কালো রংয়ের অনেক বড়সড় জঙ্গলী কুকুর।জিভটা বের করে রেখেছে,আর তার চোখ দুটো আলোতে জ্বলছে।বেশ হিংস্র আর ভয়ঙ্কর কুকুর।সাধারণত বাংলাদেশে আমরা যেসব কুকুর দেখে অভ্যস্ত সেগুলো মাঝারি বা ছোট সাইজের হয়।আর পাগলা না হলে তেমন ভয়ঙ্করও হয় না।কিন্তু জঙ্গলী কুকুর ছোট সাইজেরগুলোও প্রচুর হিংস্র আর ভয়ঙ্কর।তেমনি বড়গুলোও হিংস্র,কে জানে হয়তো মাংসাসীও হতে পারে। আমরা কিছু বোঝে উঠার আগেই কুকুরটা সোজা লাফ মারল সামিরের উপর,আর সামিরের হাতের মশাল পড়ে গিয়ে নিভে গেল।সামির কিছু বোঝে উঠার আগেই তার উপর কুকুরটা চড়ে বসল,,কামড়াতে যাবে তাকে ঠিক সেই সময় গুলির শব্দ হলো,মি.A গুলি করেছেন,গুলিটা সঠিক নিশানা ভেদ করেছে।তবে কুকুরটা আরও হিংস্র হয়ে উঠল।কুকুরটা এবার সোজা তেড়ে আসল মি.A এর দিকে।মি.A দৌড়ুতে আরম্ভ করলেন,কারণ আহত প্রাণী সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হয়।আর মাত্র ৫০ ফুট দূরত্ব পার হতে কুকুরটির ৩০ সেকেন্ডও লাগে নি,ফলে এটুকু সময়ে তিনি গুলিও করতে পারেন নি। তবে তিনি ছুটছেন,আমরাও ততক্ষণে লাঠিসোঁটা নিয়ে তৈরী হয়ে গেছি,কেউ কেউ বন্দুকও নিয়েছে।আমরাও কুকুরটাকে তাড়া করতে লাগলাম।তবে আমাদের কিছু করতে হলো না।মি.A নিজেই গুলি করে কুকুরটাকে ধরাশায়ী করলেন।তবে এটাতে রিস্কও ছিল,কারণ কোনো কারণে গুলিটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে সোজা পিছনে থাকা আমাদের গায়ে লাগত।কুকুরটা দাঁত খিঁচিয়ে আর হিংস্র ভঙ্গী করে মারা গেল।আমরা সবাই জিজ্ঞেস করতে লাগলাম, "মি.A আপনি ঠিক আছেন তো???" মি.A: আমি ঠিক আছি।এটা জঙ্গলী কুকুর না হয়ে সিংহ হলে পুরো রিভালভারের বুলেট শেষ করেও মারা যেত না।তবে আমাদের জন্য এটা সুখবর যে অ্যামাজনে সিংহ নাই।আচ্ছা সামিরের কী খবর??? চল তার কাছে যাই। আমরা সামিরের কাছে আসলাম।সে উঠে বসে আছে।আকস্মিকভাবে ঘটে যাওয়া ঘটনার শকটা সে ঠিক করছে এখন।পাশে তানিম ভাই বসে ব্যান্ডেজ লাগাচ্ছে সামিরের হাতে। আমি: তানিম ভাই সামিরের কোথায় কোথায় নখের আচড় লেগেছে কুকুরটার??? তানিম ভাই: আরে কয়েকটা না,মাত্র একটা জায়গায় কেটেছে।নখ বিঁধে গেছিল কুকুরটার(আমাকে উদ্দেশ্য করে)।তুমি চিন্তা করো না সামির,মাত্র ১৪ টা বড় বড় ইঞ্জেকশন লাগাতে হবে,তারপর ঠিক হয়ে যাবে তুমি।জলাতঙ্ক একদমই আসতে পারবে না।বরং জল খেয়ে খেয়ে তুমি জলাসক্ত মানুষ হয়ে যাবে(সামিরের উদ্দেশ্যে) সামির: তানিম ভাই এসব কী বলছেন???gjgjgj১৪ টা ইঞ্জেকশন নিতে হবেgjgjgj আমি তো একটা ইঞ্জেকশন নিতেই ভয়ে শেষ হয়ে যাই।আমি ১৪ টা নিতে পারব ন। রুবি আপু: সামির ১৪ টা লাগবে না।মাত্র সাতটা নিলেই চলবে।ছয়টা জলাতঙ্কের আর একটা ধনুষ্টকারের। সমস্যা নাই ব্যাথা পাবে না।আর এই তানিমের খেয়ে দেয়ে কাজ নাই,সারাক্ষণ সবাইকে জাস্ট ভয় দেখাস। তানিম ভাই: আমি ভয় কই দেখালাম??? আমি তো যা জানি তা বললাম। ওরা দুজন কথা চালিয়ে যাচ্ছে।এদিকে আমি ভাবছি এই জঙ্গলে কুকুর আসল কোথা থেকে??? তাই মৃত জঙ্গলী কুকুরটাকে দেখতে গেলাম।দেখলাম জঙ্গলী কুকরটার মরা লাশ চোখ মেলে তাকিয়ে আছে,মানে চোখ খোলা রেখেই মারা গেছে।কুকুরটাকে ভালো করে পর্যবেক্ষণ করলাম।দেখলাম কালো রংয়ের কুকুরটার গলায় একটা লতাপাতার দড়ি আর তার সাথে একটা কিছু ঝোলানো আছে।আগে এটা আমাদের কারও নজরে পড়ে নি,কারণ চারিদিকে অন্ধকার,আর অতো ব্যাস্ততার মাঝে এটা নজরে না আসাই স্বাভাবিক। আমি মি.A কে ডাকলাম।আমার ডাকে সাড়া দিয়ে মি.A আর ফারহান আসল,,, মি.A: কী হলো ডাকছ কেন??? আমি: মি.A দেখুন কুকুরটার গলায় একটা দড়ি দেওয়া।আর একটা কিছু বাধা। মি.A আর ফারহান দেখল ভালো করে।তারপর মি.A বললেন,,, "প্রথমে জঙ্গলী কুকুর ভেবেছিলাম।এখন মনে হচ্ছে এই হিংস্র প্রাণীটারও কোনো মনিব আছে।কারণ দড়িটা দৌড়ানোর সময় গলায় আটকেছে এমন না।তবে এর মনিব যেই হোক না কেন সেও একজন হিংস্র মানুষই হবে।" ফারহান কুকুরটার গলায় দড়িতে বাঁধা জিনিসটা খোলে দেখাল সেটা একটা লাল রংয়ের ফল,শুকনো আর শক্ত। ফারহান: এটা আবার কী ধরণের ফল??? মি.A: একেক উপজাতির কাছে একেক জিনিস পবিত্র হয়।মনে হয় এটাও এ এলাকার আদিবাসীদের পবিত্র জিনিস।তাই তাদের শিকারি কুকুরের গলায় লাগিয়ে রেখেছে যেন শিকার ভালো হয়।আর এখানে বাইরের জগতের মানুষ তেমন আসেও না,ফলে শত্রু ভেবে আমাদের আক্রমণ করেছে। আমরা সে জায়গা থেকে ফিরে আসলাম।সবাইকে বিষয়টা জানালামও। সবাই বেশ অবাক হয়েছে বোঝা গেল। এদিকে রাতের খাবার রান্না হয়ে গেছে।সবাই খেতে বসলাম।খাওয়া দাওয়া শেষ করে সবাই আড্ডা দিতে লাগলাম। আড্ডায় একেক সময় একেকরকম কথা হচ্ছে।বড়রা একসাথে আর ছোটরা একসাথে।দেখা যাচ্ছে আজও মফিজুল আর সুস্মিতা কথা কাটাকাটি করছে,কথাকাটাকাটির বিষয় হলো প্রিয় খাবার নিয়ে।মফিজুল বলছে তার যে খাবারটা প্রিয় সেটা সবচেয়ে ভালো,আবার সুস্মিতাও ছাড়ছে না,সে ও বলছে তার খাবার সবচেয়ে ভালো।কথাটা একদম ভিটামিন,শরীরের কী কী কাজে লাগে এসব নিয়ে চলতে লাগল। আমরা সবাই দেখছি ছোট দুটো ভাই বোনের মজার বিতর্ক।জিজের নির্জীব অবস্থায় বেশিরভাগ সময় তারাই প্রাণবন্ত করে তোলে।আর সব জিজে'সরাও এমন যে তাদের কখনও নিষ্প্রভ করা যায় না। ওদের কথা চলার এক পর্যায়ে মনে হতে লাগল আমাদের থাকার জন্য যে জায়গাটা আজ নির্বাচন করেছি তার চারপাশে অনেকগুলো প্রাণী দৌড়াচ্ছে,তাদের দৌড়ানোর আওয়াজ পেয়ে আমরা সবাই চুপ হয়ে গেলাম।মশালের আলো যতটা দেখা যায় ততটুকু পর্যন্ত ওরা কেউ আসছে না। মি.A: তোমরা দ্রুত সবাই অস্ত্রগুলো হাতে নাও,আর বেশি করে মশাল জ্বালাও। আমরা সবাই তাই করলাম।মশালের আলো দিয়ে ভালো করে চারপাশ দেখার সময় দেখলাম মারা যাওয়া কালো কুকুরটার জাতের আরও ১০০ টার মতো কুকুর আমাদের ঘিড়ে আছে।আমরা সবাই কমবেশি ঘাবড়ে গেলাম। এমন সময় গাছপালার পাতায় শব্দ হতে লাগল।আর অসংখ্য বাদুড়ের ডান ঝাপটানোর আওয়াজ পাওয়া যেতে লাগল।আমরা দেখলাম আমাদের দিকে প্রচুর বাঁদুড় উড়ে আসছে।মি.A তার হাতের মশালটাকে হালকা নাড়িয়ে আলোর তীব্রতা বাড়িয়ে উপরে দেখে চিৎকার করে বললেন,,, "বিপদ যখন আসে,তখন একসাথেই আসে।আমাদের মাথার উপর এখন রক্তচোষা বাদুড় উড়ছে,অ্যামাজনের ভ্যাম্পায়ার" "অ্যামাজনের ভ্যাম্পায়ার" নাম শুনে বছর পাঁচেক আগে The Dailyhunt এর একটা প্রতিবেদনের কথা মনে পড়ল।সেখানে পড়েছিলাম রক্তচোষা বাঁদুড় হলো একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী যারা রক্ত পান করে বেঁচে থাকে।আর রক্তও তো পান করে এক অভিনব পদ্ধতিতে।রক্ত চোষার সময় তাদের মুখের লালা চোষার স্থানকে অবশ করে রাখে,ফলে শিকার টেরও পায় না।এরা কাপের মত ছোট,এদের নাকের তাপসংবেদী অঙ্গ আছে যার মাধ্যমে রক্তের অস্তিত্ব পায় এরা। অন্যান্য বাঁদুড় থেকে একদম আলাদা এরা।অন্য বাঁদুড়রা হাটতে না পারলেও এরা ঠিকই হাটতে পারে।আর সবচেয়ে ভয়ের বিষয়টা হলো এদের লালা রক্তক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়,অনুচক্রিকার কাজ বন্ধ করে দেয়,আর ৩০ মিনিটের মতো রক্ত পান করতে পারে।এর কামড়ে ইনফেকশন বা রোগও হতে পারে। আমরা এখন এক মহা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতে আছি।সামনে হিংস্র মাংসাসী কুকুর,উপরে রক্ত চোষা বাঁদুড়,,, [কেমন লাগল??? গল্পের ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন।আর ব্যাস্ততার কারণে নিয়মিত লেখা হয় না।আবার জিজে লোড হতে সমস্যা করে বলে সাবমিটের ইচ্ছা চলে গেছিল।এক সপ্তাহ পর তাই লেখাটা সাবমিট করছি।আর গল্পের "আমি" চরিত্রে নিজেকে কল্পনা করে পড়বেন] বি.দ্র.: অনেকটা সময় আর শ্রম ব্যায় করে গল্প লিখি,তাই দয়া করে কপি করবেন না। চলবে,,, আল বিদা,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now