বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ঘড়িতে বিকেল পাঁচটা।ভাদ্র মাসের সতেরো তারিখ।সারাদিন ঝা চকচকে রোদ ছিল।হঠাৎ করে মনে হয় মেঘের বসুন্ধরার কথা মনে পড়লো।কালো মেঘ দলবলসহ ছুটে আসতে লাগলো।
এতো সুন্দর বিকেলে ঘরে বসে থাকতে ভালো লাগে নাকি!চায়ের কাপ হাতে বারান্দয় চলে গেলাম।মেঘ এসে চারপাশ অন্ধকার হলো প্রায়,তবুও গরম যায় না!আর গরমে চুল খোলা থাকলে গরম কতগুণ বেড়ে যায়,তা মেয়েরা খুব ভালো করেই জানে।তাই,উঁচু ঝুটি(high ponitail)করে ফেললাম।
ভেবেছিলাম বসে বসে একটু গল্প-উপন্যাস পড়ি।কিন্তু অন্ধকারে নিজেকেই দেখছিলাম না,বইয়ে কি দেখব।
হঠাৎ মনে হলো ঘাড়ে কিছু একটা স্পর্শ করলো।কি ব্যাপার? বাড়িতে তো কেউ নেই।তাহলে?,,,,,,,।কল্পনা করতে লাগলাম,নিশ্চয়ই কোনো অশরিরী হবে।আর নিশ্চয়ই ব্যাটা আমার ঘাড় মটকে দেওয়ার মতলবে আছে।
অশরীরীটা মেয়ে হলে নিশ্চয়ই সাদা শাড়ি পড়বে।পেত্নীদের বোধহয় অন্যরঙ পড়া বারণ।আর পেত্নি না হলে?সে যদি ছেলে অশরীরী হয় তাহলে বোধহয় দেখতেই পাব না।সে হবে ছায়ামুর্তি।আবার হয়তো বা হবে হৃদয় ভাইয়া গল্পের স্কন্ধকাটা বা অর্ধঝলসানো মেয়েটা।
কি করবো এখন?ঘাড় ঘুড়িয়ে দেখবো,পেত্নী নাকি অন্যকিছু?না,এতটা সাহস আমার বোধহয় নেই।ঘাড়ে হাত দিয়ে দেখবো?হু,তাই করি।
ঘাড়ে হাত দিয়ে দেখলাম আমার কল্পনাই বৃথা।উচু ঝুটি করায় চুলগুলো ঘাড়োর উপর হাওয়ায় নড়ছিল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now