বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তোমায় এক পলক দেখার জন্য অপেক্ষা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাফায়েত হোসেন (০ পয়েন্ট)

X আমি আকাশ।চোঁখের দৃষ্টি নিজ ইচ্ছায় বা অজান্তেও যখন মাথার উপরের দিকে চলে যায় তখন চোঁখের সামনে ভেসে উঠা সেই সীমাহীন এক বিস্তৃত নীল আকাশ যার মাঝে আসে ঘন কালো মেঘ আসে বৃষ্টি নাহ আমি সেই আকাশ নই।আমি একজন রক্তে মাংশে গড়া মানুষ আকাশ।আমি বসে আছি একটি পার্কে।আমার মনের মানুষের আসার অপেক্ষায় আছি।আর অপেক্ষার এই মধুর কষ্টটা প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে দেখতে উপভোগ করছি।এরমধ্যে বিকেল হয়ে গেছে।গুড়ি গুড়ি একটু বৃষ্টি ও হচ্ছে।এদিকে শীত খুব নিকটে এসে গেছে কিছুদিন পর থেকে শীত পরা আরম্ভ হবে এই সময় বৃষ্টি টাও খুব হচ্ছে যেন বৃষ্টি তার এই বছরের তার অস্তিত্বের শেষ সময়টুকু কে কাজে লাগাচ্ছে।চারিদিকে বর্ষিত হয়ে নদী নালা খাল বিল সব পানিতে ভরিয়ে দিচ্ছে।তারপর তিন চার মাসের জন্য এই বৃষ্টিটা হারিয়ে যাবে আর বর্ষিত হবে না তখন শীত এসে হাজির হবে। আকাশ এই আকাশ.... চমকে উঠলাম কে কে?পিছনে তাকিয়ে দেখি স্নেহা। তোমার হয়েছে টা কি কখন থেকে ডাকছি তুমি দেখি জবাব ই দিচ্ছো না কি এত ভাবছিলে শুনি।অন্য কোনো মেয়ের কথা ভাবছিলে না তো আবার। এসব কি বলছো স্নেহা।তোমায় ছাড়া অন্য কোনো মেয়ের কথা ভাবতে পারি।আসলে প্রকৃতি নিয়ে ভাবছিলাম আরকি। বাব্বা কিহ প্রকৃতি প্রেমিক হয়ে গেছো তুমি যে আমার ডাক তোমার কানেই যাচ্ছে।যাই হোক কেন ডেকেছো বলো।আমার বাসায় মেহমান আসছে তাই আম্মু কে এটা ওটা অজুহাত দিয়ে বাইরে আসছি।তাই কি বলবে জলদি বলো আমার তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে হবে কিন্তু। তোমার সাথে দেখা করতে কি কোনো কারণ লাগবে স্নেহা।তোমায় দেখতে ইচ্ছা করছিল তাই দেখা করতে বললাম।জানো না তোমায় বেশিদিন না দেখে থাকতে পারি না আমি। (স্নেহা এবার ভালোবাসার চোঁখে আমার দিকে তাকিয়ে আমার গাঁয়ের সাথে গা লাগিয়ে বসলো।আমার হাতটা ধরলো আর আমার কাধে তার মাথাটা দিয়ে বললো..... জানি তো আকাশ তুমি আমায় অনেক ভালোবাসো তাই তো আমায় এক পলক দেখার জন্য রোদ বৃষ্টি সব উপেক্ষা করে চলে আসো।সত্যি তোমাকে পেয়ে আমি খুব খুশি।তোমার এমন ভালোবাসা আমার প্রতি যাহ আমাকে সবসময় মুগ্ধ করে।আমার কিছু চাই না আকাশ শুধু তুমি আমায় এভাবেই সারাজীবন ভালোবেসে যেয়। স্নেহা তুমি আমার থেকে কি চাও সেটা আমি জানি তুমি না বললেও আমি তোমাকে এভাবেই ভালোবেসে যাবো। তারপর আকাশ আর স্নেহা একে অপরের হাত ধরে বসে থাকলো।মুখে তাদের কথা নেই নি:স্তবদ্ধ নিরবতাকে সংঙ্গি করে তারা বসে আছে আর তাদের দুটো মন যেন কথা বলছে একে অপরের সাথে। এভাবেই অনেকক্ষণ অতিক্রম হয়ে গেল।সূর্য পশ্চিম দিগন্তে হেলে যাচ্ছে।পাখিরা তাদের ঘরে ফিরছে।চারিদিকে অন্ধকার গ্রাস করছে। এবার স্নেহার কথায় নিরবতা ভাঙ্গলো তাদের দুজনের আকাশ সন্ধ্যা হয়ে গেছে অনেক দেরি হয়ে গেলো এবার আমায় যেতে হবে নইলে আম্মু বকা দিবে। আচ্ছা ঠিক আছে স্নেহা।চলো তোমায় রিকশায় তুলে দিয়ে আসি। এরপর স্নেহা আর আকাশ হাত ধরে হাটতে হাটতে রাস্তায় এসে পড়লো।আর স্নেহা কে আকাশ একটা রিকশায় তুলে দিলো।স্নেহা আকাশের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসার দিকে রওনা দিলো।আর আকাশ স্নেহার চলে যাওয়ার দিকে এক দৃষ্টিতে তাঁকিয়ে থাকতে লাগলো।প্রতবার যখন স্নেহা আকাশের থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায় আকাশ এভাবে স্নেহার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকে।যতক্ষণ দৃষ্টিতে স্নেহাকে দেখা যায় আকাশ তাকিয়ে থাকে।প্রতিবার স্নেহার চলে যাওয়া আকাশের মনে যেন ঘন কালো মেঘের সৃষ্টি করে ফলে তার মন খারাপ হয়ে যায়।সে ছটফট করতে থাকে কবে আবার স্নেহার সাথে দেখা হবে কবে স্নেহাকে এক পলক দেখতে পারবে আকাশ এবং তার মনে জড় হোওয়া ঘন কালো মেঘ হাসির বৃষ্টি হয়ে ভালোবাসার দ্বারা ঝড়ে পরবে। তো এবার আকাশ তার বাসার দিকে হাটতে লাগলো আর আরো একবার স্নেহাকে এক পলক দেখার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণা শুরু করে দিতে থাকলো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৭৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now