গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

গল্পেরঝুড়িতে স্বাগতম ...

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভয়

"অদ্ভুতুড়ে" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (১৯৮ পয়েন্ট)



লেখক: ভৌতিক হৃদয় [MH2] [১] এইচ এস সি পরীক্ষার পরে পাওয়া ছুটিতে নানুবাড়িতে বেড়াতে আসলাম। সাথে বাবা মা আর ছোট বোন তরীও এসেছে।নানুবাড়ি দিনাজপুর জেলার এক গ্রামে। দীর্ঘ পথ যাত্রার পর যখন বাস স্টেশনে নামলাম, দেখি মামা আর মামাত ভাই রাকিব দাড়িয়ে আছে। কুশল বিনিময় শেষে নানুবাড়ির পথে রওনা দিলাম।একটা রিকশা নিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট চলার পর নানুবাড়ি আসলাম। নানুবাড়ি আসার পর অন্যসবাইকে ছেড়ে সবাই আমাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা শুরু করে দিল," এতোদিন পর নানুবাড়ির কথা মনে পড়ল??? নানুবাড়ি আসতে বুঝি মন চায় না??? "ইত্যাদি এরকম প্রশ্ন করা শুরু করল।আসলে গত দুইবছরে এই প্রথমবার নানুবাড়ি এসেছি।আব্বু আম্মু সাধলেও আসি নি।সবার এতো প্রশ্নের জবাব দিলাম, এতোদিন পড়াশোনা চাপে আসি নি। সকলের আরও অনেক প্রশ্ন শুরু করল।তখন মামা বলল," আহা,ছেলে এতোদিন পরে এসেছে,একটু রেস্ট নিতে দাও তো।"মামার কথায় সবাই প্রশ্ন করা বন্ধ করল।আমিও হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম।তরী অভিমানী সুরে মামি আর মামাত বোনকে বলল, তরী: সবাই ভাইয়াকে নিয়ে পড়ে আছে,আমিও যে এসেছি সেটা কেউ দেখে না। তরীর কথায় আমিসহ সবাই হেসে দিল। মামি: আমার মেয়েকে আমি দেখব না তা কী হয়??? আমিও তো তোমাকে দেখেছি। তরী: তাহলে আমাকে একবারও জিজ্ঞেস করলে না কেন??? মামি: তোমার ভাই অনেকদিন পর আসল তো তাই দেরী হয়েছে প্রশ্নকরতে।সরি তরীর অভিমান ভাঙ্গানোর জন্য মিম ওকে সাথে করে নিয়ে গেল।মিম হলো আমার মামাত বোন।তরীর এক বছরের বড়।নানুবাড়িতে একমাত্র ও ই তরীর অভিমান রাগ এসব ভাঙ্গাতে পারে। আমি ওদের সবার থেকে সড়ে গিয়ে নানা নানুর কাছে যখন গেলাম তখন ওরাও ওই একই প্রশ্ন করল।আবারও পড়াশোনার চাপের কথা বললাম। নানু বলল,,, " ছেলেটা অনেক চিকন হয়ে গেছে।আর আগের চেয়ে বড়ও হয়ে গেছে।" আমি আজ পর্যন্ত যতবারই নানুবাড়ি এসেছি,ততোবার নানু ওই একই কথা বলে।জানি না কবে ওনাদের চোখে একটু মোটাসোটা হবো। সবার সাথে কথা বলা শেষ করে ফ্রেস হওয়ার জন্য গেলাম। [২] সন্ধ্যা বেলায় বিলের ধারে রাকিব, মিম আর তরীর সাথে বসে অনেক আড্ডা দিলাম। মিম আর তরীকে সাথে আনতে চাচ্ছিলাম না।ওরা প্রচুর জোরাজুরি করায় আনতে হলো। সাথে নিয়ে এসে অবশ্য ভালোই হয়েছে।অনেকক্ষণ আড্ডা দিলাম। গোধূলির সময় সূর্য অস্ত যাচ্ছে, সূর্য পূর্ণ লাল বৃত্তের আকার নিয়ে অস্ত যাচ্ছে, আকাশে লাল রংয়ের বিশাল কারুকার্য ফুটে উঠেছে।আকাশের দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছ আকাশটা যেন কোনো শিল্পির ক্যানভাস, সেখানে রংয়ের কারুকার্য দিয়ে শিল্পি ছবিটা এঁকেছে।আসলে বাস্তবের প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো ছবির চেয়েও সুন্দর হয়,অনুরূপভাবে বাস্তব জীবণের ঘটনাগুলো গল্প উপন্যাস হতেও বেশি সুন্দর হয়।মুখ থেকে সুবাহানাল্লাহ শব্দটা আপনাআপনি বের হয়ে আসল।সন্ধ্যার আকাশের অপরূপ রূপ দেখছি আর কথা বলছি। মিম: ভাইয়া,সন্ধ্যা হয়ে গেছে, এবার বাড়ি চল। আমি:আরেকটু থাকি। রাকিব: বিলের ধারে এই জায়গাটা ভালো না।চল এবার বাড়ি যাওয়া যাক। আমি: কেন ভালো না??? রাকিব: বুঝতেই তো পারছিস, ওইসবের ভয়।বলার দরকার নাই,কারণ বললে মিম আর তরী ভয় পাবে। তরী: আমি একদম ভয় পাই না।আমি অনেক সাহসী। মিম: আমিও ভয় পাই না,বল কীসের কথা বলছ। আমি: ভয় পাস না??? তোরা তো প্রচুর ভয় পাস, ভূতের কথা বলছিলাম।এই বিলের ধারে ভূত থাকে।তোদের কাঁধে ভূত হাত রাখলে ভয় বুঝতে পারবি। এই কথা বলার পর ই তরী আর মিম একদম কাছে চলে আসল ভয়ে।ওরা ভয় পেয়েছে বুঝলাম। আমি: এই তো ভয় পেয়ে গেলি।আমার মতো সাহসী হ,দেখবি ভূতের ভয় থাকবে না। রাকিব: এভাবে ভয় দেখাস না ওদের।। এসব জায়গায় ওরা থাকে, তাই বলতে চাই নি।তোমরা তো ওইসবের নাম শুনলে ভয় পাবে, তাই বলতে চাই নি। তরী: মোটেও ভয় পাই নি।আর তুমিও ভয় পাও জানি। আমি: আমি কখনও ভয় পাই না। মিম:আমাদের নিয়ে মজা করলে তো।প্রতিষোধ নিয়েই ছাড়ব। রাকিব: আচ্ছা সব প্রতিশোধ বাড়ি গিয়ে নিও,এখন চল। আমরা বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। যতই বলুক ভয় পায় না,পথের ধারে কবরস্থানের কাছে আসার সময় আমার হাত ধরে নিল তরী আর মিম ,রাকিবের হাতও ধরে রাখল। বুঝলাম ভয় পেয়েছে ওরা।মাথায় একটা দুষ্টুমি বুদ্ধি ভর করল।ইশারায় রাকিবকে বুঝিয়ে দিলাম। আমি:তরী আর মিম,পিছনে তাকিয়ে দেখ তো কোনোকিছু ফেলে এসেছি কিনা। ওরা দুজন যেই পিছন ফিরল আমি আর রাকিব দৌড় দিলাম।ওরা আমাদের পিছনে দৌড়াতে লাগল। বাড়ি এসে প্রচুর রাগ দেখাল আমার সাথে,এমন কেন করলাম।ওরা ভয় পেয়েছিল,এইসব বলছিল।আমি ওদের অভিমান ভাঙ্গালাম অনেক কষ্ট করে। [৩] সকাল সকাল ঘুম ভাঙ্গল মিমের ডাকে।চোখ কচলাতে কচলাতে বললাম, আমি : এতো সকাল সকাল ডাকছিস কেন??? মিম : এখন পুরো নয়টা বাজে,ঘুম হতে উঠো,বাবা খাওয়ার জন্য তোমায় ডাকছে। আমি: আচ্ছা যা,আমি আসছি। মিম: আচ্ছা হাতমুখ ধুয়ে চলে আস। দাঁত ব্রাশ করে হাতমুখ ধুয়ে খাওয়ার জন্য গেলাম। সবাই খাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে কথা বলছে,কথা শুনে বুঝলাম আজ সবাই বড় খালার বাড়িতে যাবে,বড় খালার বাড়ি পাশের গ্রামে।মামা আমাকেও জিজ্ঞেস করল যাব কিনা,আমি বললাম,,, আমি: আজ যাব না মামা।মাথা ব্যাথা করছে আমার। পরে না হয় রাকিবের সাথে যাব। মামা: মাথাব্যাথার বড়ি খেয়ে নিও। আর সবাই তো চলে যাব,তোমার জন্য না হয় রাকিবকে রেখে যাই। আমি: না মামা,রাকিব থাকতে হবে না। আমি একা থাকতে পারব। মামা: তাহলে সাবধানে থেকো। সকালে হঠাৎ করে ডাক দিয়ে ঘুম ভেঙ্গে দিয়েছিল বলে মাথাব্যাথা করছে। কয়েক ঘন্টা পর সবাই বেড়াতে চলে গেল।আমি একা রইলাম বাড়িতে। খাটে গিয় শুয়ে পড়লাম। হালকা ঘুমও পাচ্ছিল, কিন্তু পাশের রুমে হালকা শব্দ শুনে ঘুম ভেঙ্গে গেল।ভালো করে লক্ষ্য করে দেখলাম শব্দটা প্লেটে চামচ নাড়ানোর শব্দের মতো।আর থালাবাসন সড়ানোর শব্দ।পাশের রুম মানে খাওয়ার রুমে শব্দ হচ্ছে। বাড়িতে কেউ নেই,দরজায়ও আটকে দিয়েছিলাম ভালো করে, তাই এভাবে কেউ শব্দ করবে এটা সম্ভব ন। শব্দটা বারবার হচ্ছে বলে দেখতে গেলাম। পাশের রুমে গিয়ে দেখি কেউ নেই,সব কিছু স্বাভাবিক,তবে শব্দের উৎস এই রুমে নয়।আমার মনে হলো শব্দটা এবার আমার রুমে হচ্ছে। আমার রুমে আসলাম,আবার মনে হলো আরেকরুমে শব্দ হচ্ছে। সারা ঘর এভাবে ঘুরলাম।কিন্তু শব্দের উৎস কোথাও পেলাম না।অনেক অবাক হয়েছি আমি, শব্দটা কিছুক্ষণ পর থেমে গেল।আমি অবাক হয়ে এসব হওয়ার কারণ খুঁজতে লাগলাম। বিকালে সবাই চলে আসল। আম্মুকে ঘটনাটা বললাম, কিন্তু আম্মু বলল আমার মাথাব্যাথা করছিল বলে এসব ভুল শব্দ শুনেছি।তবে আমার এটা মনে হলো না,কারণ আমি স্পষ্ট শব্দটা শুনেছি।তবুও দ্বিধান্বিত মন নিয়ে বসে রইলাম। [৪] রাতের বেলা আমাকে থাকার জন্য যে রুম দেওয়া হয়েছে সেটাতে গিয়ে শুয়ে পড়লাম।রাত আনুমানিক ১২ টার দিকে নুপুরের শব্দ হচ্ছে বলে মনে হলো।ঘুম ভেঙ্গে গেল।বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে আছে,তাহলে কে শব্দ করে???বুঝলাম না।মনে হচ্ছিল আমার রুমে কেউ আছে,আমার পাশে কেউ বসে আছে, আমি আমার পাশে দেখলাম কেউ নেই। তবুও আমি অনুভব করতে পারছি কেউ শুয়ে আছে পাশে। আর ওইদিকে নূপুরের শব্দ হয়েই চলছে, আর আমি খুবই অদ্ভূত একটা অনুভূতি পাচ্ছি।ভালো লাগছিল না কোনোকিছু, ভাবলাম একটু হাটাচলা করে নিই, তাহলে হয়তো এরকম অনুভূতি হবে না।ফ্ল্যাশলাইট জ্বেলে খাট থেকে নামতে যাব ঠিক তখনই ফ্ল্যাশলাইটের আলোয় দেখতে পেলাম পুরো ফ্লোর রক্ত ভরে আছে, তরল রক্ত, আমি প্রচন্ড ভয় পেলাম,রক্ত আসবে কোথা থেকে, আমি রক্ত দেখে সহ্য করতে পারি না,শরীর শিরশির করে।ফ্লোরে রক্ত দেখে আমি ভয়ে গুটিশুটি হয়ে খাটের মাঝখানে বসে আছি,এমন সময় আমার রুমের দরজা খোলে গেল, সাদা পোষাক পড়ে একটা মূর্তি আমার দিকে এগিয়ে আসতে লাগল, আমি চিৎকার করতে চাইলাম, কিন্তু ভয়ের কারণে গলা দিয়ে শব্দ বের হচ্ছে না। মূর্তিটা আমার কাছে এসে দাড়ালো, আমার ততক্ষণে ভয়ে হাত পা কাঁপছে।আমি কিছু করতে পারছি না,ভয় পেলে সব মানুষেরই এমন হয়।হাত পা নড়তে চায় না। মূর্তিটা আমার সামনে দাড়িয়ে আছে, আর আমার দিকে হাত বাড়াচ্ছে, কিন্তু মূর্তিটা আমার শরীর স্পর্ষ করার পূর্বেই একটা হাত আমার ঘাড় স্পর্ষ করল।আমি আরও চমকে গেলাম, ভয়ের সম্পূর্ণ উচ্চস্তরে পৌছে গেলাম।আর থাকতে পারলাম না,এমনকি ঘাড় ঘুড়িয়ে দেখার শক্তিও পেলাম না,সব কিছু কেমন যেন ঝাপসা হয়ে গেল।আর আমি অজ্ঞান হয়ে গেলাম। [৫] সকাল বেলা জ্ঞান ফিরল আমার।আমার চারপাশে সবাই দাড়িয়ে আছে।আমি কি বেঁচে আছি??? নাকি মরে গেছি??? বুঝতে পারছি না। সবাই জিজ্ঞেস করল কী হয়েছিল রাতে??? অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলে কী করে???আর ফ্লোর এমন লাল কেন??? ওদের এই প্রশ্ন শুনে বুঝলাম আমি মরি নি, অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম। আমি পানি চাইলাম,আমায় পানি খেতে দেওয়া হলো।আমি পানি খেয়ে রাতের সব ঘটনা বললাম। সবাই কিছুটা অবাক হলো।আমাকে বিশ্রাম নেওয়া জন্য বলে ওরা চলে গেল বাইরে।কিন্তু তরী আর মিম যায় নি, দাড়িয়ে দাড়িয়ে হাসতে লাগল ওরা। আমি: ওই তোরা দুইটা হাসছিস কেন??? তরী: তুমি এতো ভিতু??? এতো ভয় পাও, হা হা হা আমি: আমার জায়গায় তোরা থাকলে বুঝতি ভয় কাকে বলে। মিম:তাই নাকি ভাইয়া??? নিজেকে তো সাহসী ভাবতে, তা নকল ভূত দেখে ভয় পেলে কেন??? আমি: নকল ভূত??? মানে??? তরী: ভাইয়া তুমি ওইদিন আমাদের ভিতু বলেছিলে,আর মাঝপথে রেখে দৌড়ে চলে এসেছিলে।তাই বদলা নিলাম।এখন তো দেখছি তুমিই ভিতুর ডিম। আমি:সত্যিইইইই???কী করে বদলা নিলি তোরা???আর এসব করলি কী করে??? মিম: কাল রাতে আমি লুকিয়ে তোমার রুমে খাটের নিচে শুয়েছিলাম। তুমি ঘুমিয়ে যাওয়ার পর একটা আলতার কৌটা থেকে ফ্লোরে আলতা ঢেলে দিয়েছিলাম।আর নূপূরের শব্দটা করছিলাম একদম তোমার খাটের নিচে।আর তারপর,,, তরী: আর তারপর নূপুরের শব্দটা শুনে তুমি যখন জাগলে আর একটু ভয় পেলে তখন আমি সাদা পোষাক পড়ে ঘরে ঢুকলাম। রাতে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে আমাকে।ঘরে ঢুকে তোমার দিকে হাত বাড়ালাম। মিম: আর আমি তখন তোমার পিছনে থেকে তোমার ঘাড়ে হাত দিলাম।জানতাম না অজ্ঞাম হয়ে যাবে, ভয় পেয়ে গিয়েছিলান আমরা। তবে যা ই বল,,, তোমার ভয় পাওয়া মুখটা কিন্তু দারুণ লাগছিল। আমি রেগে গিয়ে বললাম,,, আমি: তোদের কী যে করতে ইচ্ছা করছে আমার,,, এমন করে ভয় দেখানোর কোনো মানে হয়???আচ্ছা ওইদিন প্লেট চামচের শব্দ কী করে হয়েছিল??? তরী: ওইদিন আমি আমার ফোনে ওইরকম একটা শব্দ রেকর্ড করে রেখেছিলাম।আর সেটা যাতে বারবার করে বাজে তার ব্যাবস্থা করে এসেছিলাম।আর ফোনে চার্জ ছিল মাত্র ৫%,ফলে বেশিক্ষণ শব্দও হতো না,ফোনটা লুকিয়ে রেখেছিলাম ঘরে একটা জায়গায়। আমি: ষড়যন্ত্র করে আমার সাথে এমন করলি তোরা।তবে তোদের বুদ্ধি আছে বলতে হবে। তরী: কেমন ভয় দেখালাম বল।সবাইকে সত্যটা বলে দিলে তোমার মান সম্মান যাবে,সবাই তোমায় ভিতু ভেবে হাসবে।বলে দিব কী??? আমি: ন,বলিস না।কী লাগবে বল। মিম: আইস্ক্রিম আর চকলেট লাগবে এখন।পরে না হয় আরও খাবার চাইব। শরীর ঠিক হওয়ার পর ওদের এইসব খাবার দিয়ে ওদের মুখ বন্ধ করলাম।কারণ যদি ওরা বলে যে ওদের ভয় দেখানোতে অজ্ঞান হয়েছিলাম, তাহলে সবাই মজা করবে,বলবে বাচ্চাদের দেখান ভয় পেয়েই অজ্ঞান হয়ে গেছে।তাই আর রিস্ক নিলাম না।ওদের বুদ্ধি আছে বলতে হবে।তবে বোন দুইটা মারাত্মক দুষ্টু।সব ছোট ভাই বোনগুলো কি এমনই দুস্টু হয় নাকি??? huhhuhhuh [কেমন লাগল??? ভুল নজরে আসলে বলবেন] বি.দ্র.: অনেক শ্রম আর সময় ব্যায় করে গল্প লিখি,তাই দয়া করে কপি করবেন না। আল বিদা,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৩৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ইলুমিনাতি 'দ্য সিক্রেট সোসাইটি' পুরো পৃথিবীর জন্য এক ভয়ঙ্কর ফিতনা ।
→ রহস্যময় শয়তানি বিদ্যা : ভয়ঙ্কর ব্ল্যাক ম্যাজিক (শেষ পর্ব)
→ রহস্যময় শয়তানি বিদ্যা : ভয়ঙ্কর ব্ল্যাক ম্যাজিক (পর্ব-৬)
→ রহস্যময় শয়তানি বিদ্যা : ভয়ঙ্কর ব্ল্যাক ম্যাজিক (পর্ব-৫)
→ রহস্যময় শয়তানি বিদ্যা : ভয়ঙ্কর ব্ল্যাক ম্যাজিক (পর্ব-৫)
→ রহস্যময় শয়তানি বিদ্যা : ভয়ঙ্কর ব্ল্যাক ম্যাজিক (পর্ব-৪)
→ রহস্যময় শয়তানি বিদ্যা : ভয়ঙ্কর ব্ল্যাক ম্যাজিক (পর্ব-৩)
→ রহস্যময় শয়তানি বিদ্যা : ভয়ঙ্কর ব্ল্যাক ম্যাজিক (পর্ব-২)
→ রহস্যময় শয়তানি বিদ্যা : ভয়ঙ্কর ব্ল্যাক ম্যাজিক (পর্ব-১)
→ সেরা কিশোর গল্প » একটি ভয়ঙ্কর অভিযানের গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...