বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি একটা আমার জীবনে ঘটে যাওয়া কাহিনি সবার সাথে সেয়ার করতে চাই। যা আমার ফুপাতো বোনের বিয়ে কে কেন্ড করে ঘটে। আরআমাদের পরিবারে লোকজন সহ আত্তিওরাও সবাই ঘটোনা টার সাক্ষী হয়ে রয়েছে।সেটা ছওল আমার জিবনে থম ভৌতিক অভিগ্যতা।
এই কাহিনিটা আমি ভুত এফ এম এ সেয়ার কোরতে চেয়ে ছিলাম কিন্তু আমার দুর ভাগ্য সেটা বন্ধ হয়ে গেছে। যদি কারো কাহিনি টা ভালো লাগে তাহলে রাসেল ভায়ের নতুন একটি ভৌতিক পোগ্রাম হয় সেখানে কেউ দিতে চাইলে যোগাযোগ কোরতে পারেন।।
আমি মোঃ হাফিজ সরকার
এখন আলিম পরিক্ষার্থী, বারি সিরাজগঞ্জএর কোন এক গ্রামে।
ঘটোনাটি যখন ঘটে তখন আমি ক্লাস ৮এ পরি।আমার ৬টা কাকা আর ৩টা ফুপু বর ফুপু মারা গেছে সে বেশ অনেক বছর আগে,সেই ফুপুর ছিলো ২টা মেয়ে যার মধ্যে ছোট মেয়ে অর্থাৎআমার সেই ফুপাতো বোনের বিয়ে ছিলো সেই বছর। আামার পরিবার এর প্রায় সআাই সেখানে গেছিলো আমার সব কাকাই গিয়েছিলো, আগেই যানিয়ে রাখা ভালো আমার সেজো কাকা মোঃশহিদুল ইসালাম সরকার ছিলো একটু কবিরাজ টাইপের। যাই হোক সেদিন আমি যাই না প্রথমে যেতে না চাইলেও পরে যাওয়া হয়। বিয়ের দিন ছিলো শুক্রবার। বারিটা ছিলো খানিকটা হনটেড টাইপের।বারিটার বর্ননা না দিলেই নয়,বারিট এক পাসে ছিলো বড় একটা পিকু আর এক পাসে বাস ঝার।,আর এক পাসেধানের খেত।বিয়ের দিন টা কেটে যায় সমস্যা ছারাই,বিয়েতে যে সব উৎসিস্ট বেছে ছিলো তা সব একটি পাত্রে করে নিয়ে গিয়ে ফেলা হয় ঐ বাসঝারের ওপর। পর দিন আমার ছোট কাকা টয়লেটে যান কাকা টয়েট এর ভিতর যাওয়ার পর কিছু সময় পর লক্ষ করে কে যেন টয়লের দরো যার ছওটকিনি টা লাগিয়ে দিলো,
আগেই যানিয়ে রাখা ভালো টয়লেট ছিলো টিনের তৈরি।।এর পর কাকা একটু ভয়ই পান কারন তার জানা ছিলো বারিটা খুব একটা ভালো না। এর পর তওনি তার বউকে ডাকতে থাকেন কিন্তু কে যেন তার আওয়াজ কে আটকে দেয়, এর পর তিনি দরোজায় আঘাত করেন জোরে শব্দ করে তারপর তার বউ দরজা খুলে দেয়।কাকা জিগ্গাসা করে এতো খন কোথায় ছিলা তখন সে বলে আমি কিছিই শুনি নাই,হটাৎআওঅজ শুনলাম তাই আসলাম।সে দিম আর কিছু হয় না। পর দিনফিরুনির দিন আমরা সবাই যাই আমার ফুপাতো বোন কে আনতে নিয়ে আসার পর মুলোত আসল কাহিনি শুরু হয়,প্রথমে আমার ফুপাতো ভাই যার বয়স ছিলে মাত্র ১০সে হারিয়ে যায়। আমরা খুজতে থাকি কিন্তু তাকে পাই না।আমরা মনে করি বারি চোলে গেছে কিন্তু খোজ নিয়ে দেখি সেখানেও ছিলো না, আমি আর আমার কাকা সে ছিলো ৪নাম্বার আমরা দুজন খুজতে যাই, আমরা খুজতে খুজতে একটি পুকুরের সামনে যাই যার সমর্পকে না বল্লেই নয়। যার অনেক কাহিনও আছে যেমন গরু মহিস ডাবওয়ে নেওয়া, এমোন কি একজন লো ঠিক দিপুর বেলা হাটে যাচ্ছিলো তার পর তার লাস পাওয়া যায় ওই পুকুরে।সেখানেও খুজি পাই না, এর আমরা বারি আসি একটু পর যখব আমরা সবাই চিনতায় ছিলাম তখন আমার সেই ফুপাতো ভাই চোখ মুছতে মুছতে উঠে আসে সেই বাসঝার হতে আমরা অবাক হই আর জিগ্যেস করি কি হয়েছে সে কোতায় গেছিলো সে বলে আমি যখন ঘরের মোদ্ধে যাই তখন একটি সাদা কাপর পরা বুরি আসে চমার কাছে আর আমাকে বলে নু ৃানুষ খায়া আসি আমি যাবোনা কছি আর তার পর আমার কিছু মনে নাই। এর পপর ভাইটাকে আআমার জাছেয় এবং ঝাটা দেয়, এর পর আমার সে কবিরাজ টাইপের শহিদুল কাকার স্তী যান টয়লেটে আর তিনি যা দেখেন তা দেখাী জন্য তিনি মোটেও পস্তুত ছিলেন না, তিনি দেখেন ধান খেত হতে শুকুরের মতো কিছু আজব প্রানি তার দিকেই আসছে কালো কালো বিভস্য দেখতে ছিলো সেই প্রানি গুলো।ুর পর সে চিৎকার করে গেন হারায়। আমার কাকা তাকে ঝারা দিতে থাকেন,এর পর আমার ছোট ফুপু সেই দিকে যান আর বলেন ওইদিকে কই কিছুই তো নাই এর পর আমার ফুপু দেখে এক বিৎঘুটে দেখতে লোক আমার ফুপুর দিকে কাফনের কাপর ছুরে মারে আর ভয় দেখায় ফপু চিৎকার করে গেন হারায়। এর তাকেও আনার কাকা ঝারা দেয় আর আমার ফুপু তখনতার পায়ের সব শক্তওি হারিয়ে ফেলেন আমার কাকা নানা ভাবে ঝারা দিতে থাকেন।এরবপর আমার সেই বর ফুপাতো বোন বাশ ঝারের দিকে যায় আর বলে আমরা কি খতি করেছি আমরা কি বারির খাজনা দেই না তোরা তোদের যায়গায় থাক আমরা আমাগারে যায়গায় থাজলকি যালাসকে! তার সেও কিছু এজটা দেখে গেন হারায় । তার ঠিক সেই সময়ই আমমার কাছে থাকা ফুপাতো বাই টা অনেক শ্ক্তি হয় আর আমার কাছ হতে ছুটে যায় আর আমার সেই শহিদিল কাকার গলা টিপে ধরে আর বলে,, সালা তোর জুন্নি আমি কিছু করতে পাউর তেছও ন্যে তুই না থাকলি আমি একটোক খাইলেমানে। এর পর অনেক জোন ধরে তাকে থামাই ঝারা দেওয়া হয় আর সে থামে। তার পর আমি আর আমার চাচাতো বাই আর আমার এক চাচি ছিলাম এক ঘরে ভয়ে কাপতে ছিলাম চাচি আমার বাইকে দোরে কানতে ছিলো ঠিক সেই সময় সে আমার চাচাতো বাইকে গলা টিপে দরে আর সেও সেই আতৃতা বা জিন দ্বারা পজেজ হয়।
এর মদ্ধে প্রায় সাত জমন আক্রান্ত হয়।আমার কাকূ একা পার তে ছিলো না তাই কবিরাজ ডেকে পাঠায় লিন্তু কবিরাজ্ আসে না বলে আজ শনিবার বার পইরা গেছে। ইতি মধ্ধে একজন বলে বারির বাহির হতে আমারা সবাই বাহির হই। এর মদৃধে আমার দাদি ও আক্রান্ত হয় আর বলে তোরা পুকুরের কাছে ফুকসি দিয়া আবার খুজছু আমি কিছু কই নাই বাইচা গে ছিস।
পর দিন জাইরা বর একটা মাছ কিনে আনে আর সেটা দুজন মাঝে রেখে কাটতে বসে এর পর তাটা লক্ষ করেন মাছের মাথা নাই, আমার বরদুলাভাই ছিলো রাগও সে বলে কোন সালা নিলো আর বাস ঝারে দিকে যায় আর তাকে কে যেনো চর মারে আর সে ভয় পেয়ে চোলে আসে,আর তার মাথা একটু ভার হয়।আমরা বারি চোলে আসি পরদিন খবর আসে আমার সেইদুলাভাই কেমন যেন কোরছে আমার কবি রাজ কাকা যায় আর তাকে টিকমেন করে কিন্তু ঠিক হয় না। কাকা আআিতে আসতে চা কিন্তু আার সেই দুলাভাই বললে মামা যাইয়েন না থাকে বলেতে বলতে কান্না করে কিনতু কাকা যখন চলে চসতে চায়চতখন সে বলে কনে যাবু থাক!কাকা তখ রাগ হয় আর বলে এই চ্ছাতি দওয়া তোর ছোখ তুলমু আয় নাকি! এর সে আর কিছু করে না কাকা চোলে আসে।
এর পর কিছুবদওন পর আমার ফুপা নামাজ পোরতে ছিলো যেঘর থেকে আমমার পলফুপাতো ভাই হারিয়ে ছিলো এর পর তাকে মাটির সাথে মাথার ডিপ খাওয়ানো হয়। এর পর অনেক কবিওরাজ আসে কেই কিছু করতে পারে না, হঠাৎএক কবিরাজ আসে যে কিনা জিন দিয়ে সব কাজ করে তাকে ঠিক করানো হয়। সে বলে এখানে নাকি ৯টি খারাপ জ্বীন আছে আর এগুলোকে পাসের বারি হতেই এখানে বিমুখ করে দেওয়া হয়েছে। এখন আলহামদুলিল্লা মোটামুটি ভালো আছে সবাই।।।
বানান ভুলের জন্য আমি দুখিত কারন এর চগে মবাইল দিয়ে এতো লিখি নাই।
আর ঘটোনাটি ১০০%সত্তি যার সাক্ষী আমার তিন পরিবারের সবাই।।
মোঃ হাফিজ সরকার, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ ।।।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now