বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

✉জিজেতে এখন হাই স্পেশাল ডিজিটাল যুগের আড্ডা✉[দ্বিতীয় পর্ব]

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান SHUVO SUTRADHAR (০ পয়েন্ট)

X ..............রেহনুমা আপিঃ সামির দেখা যাক কি করা যায়। তানিম ভাইঃ এটা নিয়ে আমিও ভাবছি রেহনুমা আপি। দেখা যাক কি হয়। আস এখন এগুলো বাদ দিয়ে প্রাণ খুলে আড্ডা দেই। আমার ছেলেঃ কিহ তানিম ভাই একি বলছ প্রাণ খুলে আড্ডা! প্রাণ খুলে আড্ডা দিলে ত মারাই যাবে তাহলে আড্ডা দিবে কিভাবে! আমিঃ এটা ত কথার কথা বাপজান। আর তোমি তানিম ভাইয়ের সাথে এভাবে কথা বলছ কেন! তানিম ভাই তোমার আঙ্কেল হন। আমার ছেলেঃ কথার কতা আবার কি! তুহিনঃ ভাই রাখেন এদের কথা এখনকার ছেলেপুলেগুলো এইরকমি। ইভা আপির মেয়েঃ কি রকম তুহিন ভাই? তুহিনঃ এখনকার ছেলেপুলেগুলোকে যদি কেউ বলে চিল তোমার একটি কান নিয়ে চলে গেছে তাহলে তারা কানে হাত না দিয়েই চিলের পেছনে ছুটতে থাকবে। সাবিরাঃ থাক তুহিন এদের এগুলো বলে কি হবে এরা তু হাই স্পেশাল ডিজিটাল যুগের ছেলেপুলে। এগুলো বুঝলে কি এমন হতো! তুহিনঃ সাবিরা আপি এটি কারাপ বলনি। লাকি আপিঃ আমি যাই আমার অনেক কাজ পরে আছে। শিখা আপিঃ কি কাজ আপি? আজ তো ছুটির দিন! লাকি আপিঃ আমার ছেলের শার্ট পেন্ট ধুয়ে দিতে হবে ওনাকি আজ সারাদিন জিজেতে আড্ডা দিবে। এর নাকি সময় নেই। শিখা আপিঃ আমরাও তো এদের মতো থাকতে কত্ত আড্ডা দিয়েছি। তবে এদের মতো ত ছিলাম না। আমরা আমাদের নিজের কাজ নিজে করেছি। তৌমি আপিঃ শিখা আপি ও লাকি আপি আমি এদের মতো থাকতে কাপড় ধুতে পারতাম না ভাল করে তবুও মাকে একটু শান্তি দেওয়ার জন্য কষ্ট করে নিজের কাজগুলো করতাম। আমরাতো এখন চাকরি করি তার জন্য ঠিকে আছি যখন আমরা এগুলো থেকে রিটায়ার্ড হব তখন ওরা আমাদের সস্তা ভেবে বস্তা বন্ধি করে ডাস্টবিনে ফেলে দিব। ফারহানের ছেলেঃ পরিশ্রম ছাড়া কি ভাত জুটে! পরিশ্রম না করলে ত ছাই খেতেই হবে। মফিজুলঃ এদের কথাগুলো শুনলে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারি না। তোমরা যখন ছোট ছিলে তখন কি তোমরা আমাদের কাজ করে খাওয়াতে নাকি? ফারহানের ছেলেঃ না। মফিজুলঃ তাহলে তো তখন তোমাদের ছাই খাওয়ানো উচিৎ ছিল। তখন হঠাৎ তাহিরা আপি মেহেরাজের ইনবক্সে নক করলেন। তৌমি আপিঃ আাচ্ছা মফিজুল তাক এগুলো। তাহিরা আপিঃ কিহ মেহেরাজ কেমন আছ? মেহেরাজ ভাইঃ আমি ভাল আপি। তোমি? তাহিরা আপিঃ খুব বেশি ভাল না মেহেরাজ। মেহেরাজ ভাইঃ কেন আপি? গল্পে চলেন আপি আড্ডা হবে এখানে সবাই আছে। তাহিরা আপিঃ আমার বয়স হয়েছে ত চাকরি থেকে বের করে দিয়েছে। এখন আমাকে আমার ছেলের উপর নির্ভর করেই বেঁচে থাকতে হচ্ছে। আমার যে মোবাইল টা ছিল ওটা ছেলে বিক্রি করে দিয়েছে। মেহেরাজ ভাইঃ কেন আপি? তাহিরা আপিঃ আমি নাকি ফোন টিপানোর জন্য পরিবারের কাজ করি না তার জন্য। আমি অন্য আরেকজনের মোবাইল থেকে জিজেতে নক করেছি। জিজে ছাড়া নিজেকে বড্ড একা মনে হয়। আমাকে সবার সাথে ইনবক্সের মাধ্যমেই আড্ডা দিতে হবে। কারন গেস্ট গল্পে আড্ডা দিলে আমার ছেলে জেনে যাবে। সিয়ামঃ কিহ পুস্পিতা কেমন আছিস? পুস্পিতাঃ আমি ভাল।সিয়াম ভাই তোমি? সিয়ামঃ আমিও ভাল। পুস্পিতাঃ আাচ্ছা সিয়াম ভাই রনি ভাইয়ার শরীরের অবস্থা এখন কেমন? সিয়ামঃ খুব বেশি ভাল না। একদিকে মানসিকভাবে অন্যদিকে শারীরিকভাবে কেমনে ভাল থাকেন বেছারাটা। পুস্পিতাঃ একনের ছেলেপুলেগুলো যা করছে না সুস্ত মানুষকে মানসিকভাবে অসুস্থ করে ফেলে। সাবিরঃ একদম ঠিক কথা বলেছ পুস্পিতা দি। ...............(চলবে) [আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত লেখাগুলো কপিরাইট করবেন না]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৬৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now