বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

"ছদ্মবেশী ফুচকাওয়ালা"[১০ম পর্ব]

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S.A.Shameem (০ পয়েন্ট)

X "ছদ্মবেশী ফুচকাওয়ালা"[১০ম পর্ব] Writer : Omar মাহমুদ যেদিকে গেল সেদিকে যেতেই, আমার চোখ আটকে গেল একটা রুমালের দিকে যেটা মাটিতে পড়ে আছে,, রুমাল টা হাতে হাতে নিয়ে দেখলাম এটা তে ওষুধ মেশানো আছে,, এখন ও ওষুধের হালকা প্রভাব আছে, কাউকে অজ্ঞান করার জন্য‌এটা ব্যাবহার করে তাহলে কি মাহমুদ কে এটা দিয়ে অজ্ঞান করা হয়েছে,, অজ্ঞান করছে ঠিক আছে,, কিন্তু ওকে নিয়ে গেল কোথায়,,, বাইরে ও নিয়ে যায় নি,,তাহলে এই কলেজের ভিতর আছে,, ---স্যার,,? নাহিদ এর ডাক শুনে দৌড়ে গেলাম,, আমি--কি হয়েছে,, --স্যার এই দেখুন কাউকে টেনে নিয়ে গেছে,, মাটিতে লম্বা দাগ আছে,, আমরা ছাপটি যেদিকে গেছে সেদিকে গেলাম,, কিছুদূর যেতেই ছাপটি কোথায় যেন হারিয়ে গেল,, আমি--সবাই চারপাশে ভালো করে খুজো,, মাহমুদ এখানেই আছে,, কলেজের রুম গুলো খুজে দেখি চলো,, একে একে সব রুমে টর্চ লাইট দিয়ে ওকি মেরে দেখলাম,, পুরো কলেজ ভালো করে খুঁজে দেখলাম কিন্তু কোন কিছুই পাইনি,, এখনো মাহমুদ এর কোন হুদিস পাইনি,, হঠাৎ কলেজের পিছনে একটা ঢাকনা দেখতে পেলাম,, সাধারণত এগুলো টয়লেটের টাংকিতে দেওয়া হয়,, কিন্তু ঢাকনা টা একটু ফাঁক করা,, আমার মনে কৌতুহল জাগলো,, আমি-----এই সবাই ধরে ঢাকনা টা সরাও তো,, --আচ্ছা স্যার,, সবাই ধরে ঢাকনা টা সরালাম, ঢাকনা সরিয়ে আমাদের সবার চোখ কপালে,, কারন এটা একটা গোপন সুরঙ্গ একটা সিঁড়ি সুজা নিচে নেমে গেছে,, আমি--তাহলে এই ব্যাপার,, সবাই চলো,,আর একটু সাবধানে চলবে,,,বলা তো যায় না কোন দিক দিয়ে বিপদ আসে,, রাজীব---এত রাতে এখানে না গেলে হয় না,, ছোট বেলাই দাদি বলতো পাতালে প্রেতদের রাজ্য,, আমি--আরে এটা মানুষের রাজ্য,,প্রেত কোথেকে আসবে,,চলো তো ভয় পাওয়ার কারণ নাই,, ----স্যার আমার এক নাম্বার পাইছে,,আমি একটু আসি,, আমি--এখানে আমারা আমাদের একজন অফিসার কে খুঁজতে এসেছি,, তামাশা করতে না,,(ধমক দিয়ে) --স্যার সত্যি বলছি আমার এক নাম্বার পাইছে,,এই যাবো আর আসবো,, মাহমুদ--ভাই একা যেও না ওখানে ও ভূত থাকতে পারে,, রাজীব--দূর আমি এসব এ ভয় পাই নাকি,, বলেই সারতে চলে গেল,, কিছুক্ষণ পর দৌড়ে আসলো,, আমি--কি হয়েছে,, --স্যার ওইদিকে গাছের উপর কি একটা নড়লো,, আমি--কোথায়,, ---আসেন,, আমরা গাছে লাইট মেরে দেখলাম একটা বাদুড়,, আমি--ভাই তুমি বাসায় চলে যাও,,তুমি থাকলে আমরা মাহমুদ কে খুঁজতে পারবো না,, সামান্য একটা বাদুড় কে ভয় পাচ্ছো,, --স্যার এত রাতে একা একা কেমনে যাবো,, আমি--তাহলে চুপচাপ আসো,, --দাড়ান স্যার বাকি টুকু সেরে নি,, একে নিয়ে আর পারি না, কিছুক্ষণ পর আসলো,, আমি--সবাই সাবধান, সবাই পিস্তল উঁচিয়ে আস্তে আস্তে নামতে লাগলাম,, কিছুদুর নামতেই দুই দিকে দুই টা সিঁড়ি উঠে গেল,, আমরা প্রথমে ডান দিকের সিঁড়ি দিয়ে যেতে লাগলাম,, সিঁড়িটা উপরের দিকে গেছে,, একসময় সিঁড়িটা শেষ হয়ে গেল,, আমাদের উপরে একটা ডাকনা,, উপরের দিকে ঠেলা দিতেই খুলে গেল,, বাইরে বেরিয়ে তো আমরা অবাক এর চরম পর্যায়ে চলে আসলাম,, স্যার-----এ তো প্রিন্সিপাল এর কক্ষ,, আমি---তাই তো দেখছি,, ---প্রিনসিপালের কক্ষে গোপন সুরঙ্গে,, আমি--কার্পেট দিয়ে এমনভাবে ঢাকনা টা ডেকেছে যাতে কেউ বুঝতে না পারে,, রাজীব-স্যার এ প্রিন্সিপাল কোন ভূত প্রেত না তো,, আমি--তুমি চুপ করবে নাকি এখানে ফেলে রেখে যাবো, নাহিদ--স্যার এসবের পিছনে প্রিন্সিপাল এর হাত নেই তো,, আমি--এখন তো পুরো সন্দেহ ওর উপর যাচ্ছে,, আমি--আচ্ছা পুরো কক্ষ টা ভালো করে দেখো,, কোন প্রমাণ পাওয়া কিনা,, সবাই খুঁজতে লাগলাম,, কিন্তু বেশিরভাগ লকার তালা মারা,, না তালা ভাঙা যাবে না,,তাহলে প্রিন্সিপাল সন্দেহ করবে,,ওকে হাতে নাতে ধরা লাগবে,, আমি--আচ্ছা সবাই চলো,, এভাবে হবে না,, প্রিন্সিপাল কে কালকে দেখে নিচ্ছি,,আগে মাহমুদ খুজি,, তারপর সব আগের মতো রেখে নেমে পড়লাম,, তারপর দিতীয় সিঁড়ি দিয়ে যেতে লাগলাম,, এটাও উপরে উঠেছে। কিছুদুর গিয়ে আবার নিতে নেমেছে। সিঁড়ি যেন শেষ হচ্ছে না,‌। কিছুক্ষণ পর একটা গলদির সামনে আসলাম।। এতক্ষণ অন্ধকার থাকলেও এখন আলো আছে। আমি--সাবধানে পা পেলো। গুটি গুটি পায়ে সবাই এগিয়ে যেতে লাগলাম। কিছূদুর গিয়ে গলদি টা T আকারের হয়ে গেছে,, মানে গলদির সামনে আরকেটা গলদি উত্তর দক্ষিণ দিকে চলে গেল।। আমি--সাবধান।। এখানে কেউ থাকতে পারে।। আমি--একটু উঁকি মেরে দেখলাম কেউ আছে নাকি।। আমি--কেউ নাই,,চল আগে এদিকে যাওয়া যাক।। আমি-আমি আর রাজিব দক্ষিণ দিকে যাচ্ছি,, নাহিদ আর রিমন ওদিকে যাও --ওকে স্যার। আমি--রাজীব ভয় পেয়ো না।। আমি আছি --জি স্যার।।। কিছুদুর গিয়ে দেখলাম আর একটা গলদি, গলদি টা পার হতেই বাম দিকে দেখলাম নাহিদ দের দিকে অস্ত্র তাক করে দাঁড়িয়ে আছে দুজন লোক।।মুখুস পড়া।। আমরা যে ওদের পিছনে আছি সেদিকে ওদের কোন খেয়াল নেই।। আমি নাহিদ আর রিমন কে ইশারা দিয়ে বসে পড়তে বললাম, ওরা বসে পড়ার সাথে সাথে গুলি করে দিলাম।। গুলি সুজা ওদের পিঠে লাগে।। ওরা এটার জন্য প্রস্তুত ছিল না।। ওরা ধপাস করে মাটিতে পড়ে যায়।। আমরা দৌড়ে ওদের কাছে গেলাম।। দু'জনের মুখুস টান মেরে খুলে ফেললাম।। আমি--বল তুরা কার হয়ে কাজ করিস।।? একজন অলরেডি মরে গেছে।। আমি-----এই তুই বল কার হয়ে কাজ করিস।। ---আআআমরা আমি--কি বল।। --বলতে পাআআরবো না আমি--আচ্ছা আজকে তুরা যাকে ধরে এনেছিস তাকে কোথায় রেখেছিস, ও আঙ্গুল দিয়ে বাম দিকে রেখে দিলো।। আমি---এখন বল,, তুই কার হয়ে কাজ করিস, ---আআআমি বলতে পাআআরবো না।। --দেখ চুকে আমরা কিচ্ছু হতে দিবো না।।তুর কেউ কিছু করতে পারবেনা,, ---বলছি বলছি আগে আমাকে একটু পানি --আমারা তো পানি আনি নি।। --আআমি শুধু এখানে পাহারা দি, আমি--তুকে এখানে কে নিয়ে এসেছে।। --আআসলাম ভাই।।। আমি--আসলাম টা কে, --আমাদের লিডার।।। আমি --ওওকে এখন কোথায় পাব,, ---ডান দিকে গলদি দিয়ে চলে গেলে একটা জঙ্গল দেখতে পাবেন।।এদিক দিয়ে ওরা চলাচল করে।। ---তুদের মেইন লিডার কে।। --সেটা কে জাআআনিনানা।। আমরা আসলাম ভাই এর কথায় চলি।। কিন্তু ওনার উপরে ও একজন আছে।।সেটা জানি শুধু।। বলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করল।। তারপর আমরা বাম দিক দিয়ে যেতে লাগলাম।। কিছুদূর গিয়ে একটা দরজা সামনে পড়লো।। কিন্তু দরজা টা লক করা।। এদিকে ওদিক তাকিয়ে একটা একটা এলকি চোখে পড়লো।। ওটা দিয়ে লকটা ভেঙ্গে ফেললাম।। ভিতরে ঢুকে দেখলাম----- চরবে----- আগামী পর্বে শেষ করে দিবো।।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now