বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
✉জিজেতে এখন হাই স্পেশাল ডিজিটাল যুগের আাড্ডা✉[প্রথম পর্ব]
X
[গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক]
এখন ২০৫৫ সাল,
বয়স কি কম হল আমাদের তবুও জিজেটাকে আমরা ছাড়তে পারছিনা। জিজেটা হচ্ছে একটি নাটকের মতো শেষ হয়েও হলোনা শেষ। জিজেটাকে ছাড়ব বলে বলে ও ছাড়তে পারছি না। কারন জিজে আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। অনেক ধরনের ক্রাইসিসের সম্মুখীন হচ্ছি তবুও ছাড়তে পারছি না জিজেকে।
আমি, সাইমন ভাই, ঝুমুর আপি, আনিছুর ভাই, লিখন ভাই, রনি, হৃদয়, সিয়াম ,মেহেদী, মফিজুল, তুহিন, তাহিরা আপি, রেহনুমা আপি, তানিম ভাই, রুবাইয়া আপি, অবন্তী আপি, এসপি লাকি আপি,তানজিন, ইভা আপি, তৌমি আপি, ঐশী আপি, শিখা আপি,নায়রা আপি, সুস্মিতা, পুস্পিতা, সাবিরা, ফারহান, মেহেরাজ ভাই, টুবা আপি, সামির, আরফান সুব,জাহিদুল, সাফাহেত ভাই, সাব্বির ভাই সহ আরও অনেকেই এখন সংসারী। সবার নাম মনে নেই বয়স হয়েছে ত তাই। আমাদের মধ্যে অনেকেই ভাল ভাল চাকরী করছে আবার অনেকে ব্যাবসা করছে আরও কত কি! আমাদের ছেলে-মেয়েদের বয়সও আমাদের মতো। আমাদের মতো বলতে তারা আমাদের সাথে একসঙ্গে জিজেতে আড্ডা দেয় তাই আকি। তারা হাই স্পেশাল ডিজিটাল যুগে বাস করে তো তাই। এখন আমরা সবাই সংসার ও কাজ নিয়ে ভেস্ত। তারপরও আমরা সময় বের করে জিজেতে গল্প লিখি, আড্ডা দেই, গল্প পরিও কমেন্ট করি। শুক্রবার হলে তো কথাই নেই। আজ শুক্রবার......
সকাল হতে না হতেই হাত মুখ দুয়ে জিজেতে ঢুকে পড়লাম। ঢুকে দেখি সবাই গেস্ট গল্পে আাড্ডা দিচ্ছে। আমিও ঢুকে পড়লাম।
আমিঃ শুভ সকাল, কেমন আছ সবাই?
প্রথমেই,
রনির মেয়েঃ শুভ সকাল শুভ ভাই, আমি ভাল। তোমি?
তখন বলেন কি বলব!
আমিঃ আমিও ভাল ছোট্ট মেয়েটি।
রনি খুব অসুস্থ। বয়স হলে তো দেহ গাড়ির মধ্যে একটু আখটু জং ধরবেই। রনি আগেই সব্বাইকে বার্তাতে বলেছিল সে আজ থাকতে পারবে না আড্ডাতে অসুস্থতার জন্য। শুধু কি রনি অনেকেই মাঝে মধ্যে থাকে না অসুস্থতার জন্য।
এদিখে হৃদয় ও জয়েন্ট করল জিজেতে।
হৃদয়ঃ কেমন আছ সব্বাই? আমাকে কেউ এইরকম বলতে হবে না! কারন আমি সবসময় ভালোর দলেই আছি।
হৃদয়ের ছেলেঃ আমি ভাল হৃদয় ভাই।
এই কথা শুনে সব্বাই টাক্কি খেয়ে গেল কিন্তু অদ্ভুত হল না। কারন এটি হাই স্পেশাল ডিজিটাল যুগ। হৃদয় তখন কিছু না বলে আাড্ডাথেকে বেরিয়ে পড়ল।
তখন বার্তাতে হৃদয় রুবাইয়া আপিকে.....
হৃদয়ঃ রুবাইয়া আপি দেখলেন এখনকার ছেলেগুলো কি আজব!
রুবাইয়া আপিঃ আজবের কি হল হৃদয় এখনকার যুগটাি তো এইরকম।
হৃদয়ঃ কি রকম আপি?
রুবাইয়া আপিঃ এখনকার যুগটা হচ্ছে,
বাপে পুতে ভাই,
কোনো মতে দিন কাটাই।
হৃদয়ঃ আসলেই এইরকম আপি।
অন্যদিকে গেস্ট গল্পে আড্ডায়....
সিয়ামঃ কেমন আছেন তাহিরা আপি?
তাহিরা আপিঃ খুব বেশি ভাল নেই সিয়াম!
সিয়ামঃ কেন আপি?
তাহিরা আপিঃ দেখতেছ না এখন জিজেতে কি চলছে তার জন্য।
সিয়ামঃ আসলেই আপি এখনকার যুগটা বড়ই অদ্ভুদ আমাদের কে বড় বলে মান্যই করে না এই জেনারেশন।
তৎকনাত্বক মফিজুলের ছেলে....
মফিজুলের ছেলেঃ কি বললেন ভাইয়া আমরা সম্মান দিতে জানিনা! তোমাকে কি.......[বলে থেমে গেল]
মফিজুলঃ এই ছেলে থামবে। তোমি যার সাথে তর্ক করছ সে তোমার বাবার বড় ভাই হয়। সে তোমার ভাই হয় কি করে! তোমি সিয়াম ভাইকে আঙ্কেল বলে ডাকবে।
মফিজুলের ছেলেঃ ভাই ডাকি সেটাই বেশি।
ফারহানঃ মফিজুল ঝগড়া করার দরকার নেই এরা এরকমি।
সুস্মিতাঃ এরা কি রকম ভাইয়া?
ফারহানঃ এই জেনারেশনের ছেলে-মেয়েরা জন্ম না নিয়েই কথা বলে ফেলে তাই তাদের কথাবার্তা আমাদের থেকে ভিন্ন।
এসপি লাকি আপিঃ ফারহান একদম ঠিক কথা বলেছ।
জাহিদুলঃ আমি এই সমস্যায় নেই মেহেরাজ ভাই।
মেহেরাজ ভাইঃ কেন জাহিদুল?
জাহিদুলঃ ভাইয়া আমি আপনাদের মধ্যে সবার ছোট তাই আমার মেয়েটাও ছোট। এখনও ফোন টিপতে পারে না। সে যেন কখনো ফোন টিপতে না পারে আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে পার্থনা করি।
পুস্পিতাঃ কিচ্ছু হবেনা শিখে যাবে। কারন তারা হাই স্পেশাল ডিজিটাল যুগের ছেলেপুলে।
তানিমঃ ঠিক কথা বলেছ পুস্পিতা। সময়ের সাথে যেমন পরিবেশটা অদ্ভুত হচ্ছে তেমনি ছেলেপুলেগুলোও অদ্ভুত হচ্ছে।
সামিরঃ তাদের নিয়ে কি করা যায় বলেন বলেন!
....................(চলবে)
[আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত লেখাগুলো কপিরাইট করবেন না]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now