বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একটি অসাধারণ সুন্দরী যুবতী
একটা ওষুধের দোকানের সামনে
চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিল।
মনে হচ্ছিল যেন সে দোকানের
ভীড় কমার অপেক্ষায় ছিল।
দোকানের মালিক তার দিকে
বেশ সন্দেহের দৃষ্টিতে
তাকাচ্ছিল মাঝে মাঝে।
ভাবছিল, সে এমন কিছু জিনিষ
কিনতে এসেছে সেটা নিতান্ত
গোপনীয়। কারোর সামনে সে বলতে
বোধহয় লজ্জা বোধ করছে।
ভেবেই যাচ্ছে আর নিজেও
চাইছে যেন ভীড়টা তাড়াতাড়ি
কমে যায়।
ওষুধের বিক্রি কমুক, সুন্দরী
যুবতীটির কী প্রয়োজন আর সেটা
সে মেটাতে পারবে কিনা, সেই
ভেবেই তার হাঁকপাকানি
অবস্থা।
যাই হোক, অনেকক্ষণ দাঁড়ানোর
পর অবশেষে দোকানটা একটু
ফাঁকা হল।
কোন গ্রাহকই আর ছিলনা।
মেয়েটি দোকানে ঢুকল আর
মালিককে একটু আস্তে ঈশারায়
ডাকল, একেবারে মৃদু সুরে সলজ্জ
ভঙ্গীতে একটা কাগজ দোকান-
মালিকের দিকে এগিয়ে দিল আর
অতি সুরেলা ভঙ্গীতে, প্রায়
ফিসফিস করে বলল,
.
“কাকু, আমার না........আমার না
.......কি যে বলি.......
আমার না এক ডাক্তারের সঙ্গে
বিয়ে পাকা হয়ে গেছে। আর আজ
না ওনার প্রথম চিঠি পেয়েছি।
ডাক্তারদের হাতের লেখা তো
আপনারাই পড়তে পারেন, তাই
একটু এটা পড়ে শোনাবেন..? আমি
কিচ্ছু বুঝতে পারছিনা কাকু।”
২ঃদুই মেয়ে দাবা খেলতেছে.
মেয়ে ১ : বাদ দে yaar, আর খেলব না.
মেয়ে ২ : ঠিক আছে. তোর তো শুধু
একটা হাতি বেঁচে আছে আর আমার
একটা ঘোড়া
.
.
এমন সময় একটা ছেলে আসল. :-@
ছেলে : চল দাবা খেলি.
২ জন মেয়ে : না না তুমি তো
জিতবা-ই.
ছেলে : তাহলে তোমরা দুইজন আমি
একা.
২ জন মেয়ে :
তাও তুমি আমাদের সহজে হারিয়ে
দেবে.
ছেলে : তাহলে এক কাজ করি আমি
বা-
হাতে খেলব আর তোমরা ডানহাতে.
২ জন মেয়ে(অনেকক্ষণ
চিন্তা করে মনে মনে অনেক খুশি
হয়ে) :
ঠিক আছে.
তারপর যা হওয়া উচিত ছিল ঠিক তা-ই
হল কোন ব্যতিক্রম হল না.
মেয়েরা পাঁচ মিনিটের মধ্যেই
ছেলেটার কাছে হেরে গেল.
তারপর ছেলেটি চলে গেল.
মেয়ে ১ :
দেখলি ছেলেটা বা হাতে খেলেই
আমাদের হারিয়ে দিল!!!
মেয়ে ২(কিছুক্ষণ চিন্তা ভাবনা
করে) :
ছেলেটা নিশ্চয় আমাদের
বোকা বানিয়ে গেছে.
মেয়ে ১ : কীভাবে??
মেয়ে ২ : ছেলেটা নিশ্চয় বা-হাতি .
মেয়ে ১ :
ইসসস!! ছেলেটা কি বাটপার!!
৩ঃভাইভা বোর্ডে যখন একটি মেয়ে
থাকে; তখন—
.
প্রশ্নকর্তাঃ আপনার নাম কি?
.
মেয়েঃ মরিয়ম বেগম ।
.
প্রশ্নকর্তাঃ আপনার ফেসবুক
আইডির
নাম কি?
.
মেয়েঃ এঞ্জেল মারিয়া ।
.
প্রশ্নকর্তাঃ আপনি কোন
অপারেটরের
সিম
ব্যবহার করেন?
.
মেয়েঃ এয়ারটেল ।
.
প্রশ্নকর্তাঃ আপনার নাম্বারটা
কি
এখানে দেয়া যাবে?
.
মেয়েঃ অবশ্যই । ০১৬...।
.
প্রশ্নকর্তাঃ ওকে; আপনি পাশ ।
আপনাকে
অভিনন্দন !
.
মেয়েঃ ধন্যবাদ স্যার ।
.
আর ভাইভা বোর্ডে যখন একটি
ছেলে
থাকে; তখন—
.
প্রশ্নকর্তাঃ উইলিয়াম
শেক্সপিয়ারের
বেয়াইয়ের নাম
কি?
.
ছেলেঃ জানি না স্যার ।
.
প্রশ্নকর্তাঃ ফেসবুকর
প্রতিষ্ঠাতার
পাসওয়ার্ড কী?
.
ছেলেঃ বলতে পারবো না
স্যার ।
.
প্রশ্নকর্তাঃ এয়ারটেল অফিসের
সুইপার
কোনমডেলের
ফোন ব্যবহার করে?
.
ছেলেটিঃ জানা নেই স্যার ।
.
প্রশ্নকর্তাঃ বারাক ওবামার
বউয়ের
ফোন নাম্বারটা কি
দিতে পারবেন?
.
ছেলেঃ পারবো না স্যার ।
.
প্রশ্নকর্তাঃ আপনি তো কিছুই
পারেন
না ! আপনি ফেল ।
যান; রাস্তা মাপেন !
.
ছেলেঃ ওকে স্যার ।
.
...আর এভাবেই প্রতিটা
ক্ষেত্রেই
ভাইভায়
ছেলেরা বঞ্চিত হচ্ছে !
.
শুধু ভাইভায় নয় পরীক্ষার হলে
সুন্দরী
মেয়ে
দেখলেও কিছু স্যারেরা লুতুপুতু
আরাম্ভ
করে,মেয়েদের
৪০ টা নৈবিত্তিকই
কারেক্ট করে দেয়।
.
এমনকি কলেজের কেরানী পর্যন্ত
মেয়েদের মুখ দেখে
পরীক্ষার ফি,বেতন কম রাখে
.
**বি:দ্র: উচিত কথা সর্বদা তিতা হয়.....!!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now