বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কৌতুকের কাতুকুতু

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রুবাইয়া ইসলাম (০ পয়েন্ট)

X ১ জুলাই আন্তর্জাতিক কৌতুক দিবস উপলক্ষ্যে বিচ্ছু সংগ্রহ করেছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রবাহমান সাধারণ কিছু কৌতুক। হয়তো এসব কৌতুক আপনি নিজেও করেছেন অথবা হয়েছেন এর শিকার। চলুন দেখি কোন কোন কৌতুক আমাদের কাতুকুতু দিয়ে হাসাতে পারে! ঝামেলা শুরুর আগে এক ব্যক্তি চায়ের দোকানে গিয়ে বলল, ‘ঝামেলা শুরুর আগে এক কাপ চা দাও।’ ওয়েটার চা নিয়ে এলো। চা শেষ করে বলল, ‘ঝামেলা শুরুর আগে একটা সিগারেট দাও।’ এবার সিগারেটও দেয়া হলো। সিগারেট শেষ করে বলল, ‘ঝামেলা শুরুর আগে আরেক কাপ চা দাও!’ এবার ওয়েটার চায়ের সঙ্গে বিলও আনল। বলল, ‘স্যার, এই যে আপনার বিল। আর বার বার বলতাছেন, ঝামেলা শুরুর আগে, তা এই ঝামেলাটা কিসের?’ লোকটি জবাব দিল, ‘আমার কাছে কোনও টাকা-পয়সা নাই। তুমি বিল চাইলেই ঝামেলা শুরু হবে, তাই বার বার বলছিলাম, ঝামেলা শুরুর আগে!’ অর্ধেক কাজ এক অলস ব্যক্তি অফিসের জন্য কম্পিউটার কিনতে গিয়েছে। শোরুমে যাওয়ার পর সেলসম্যান জানতে চাইল, ‘কী ধরনের কম্পিউটার চাই?’ লোকটি জানালো, ‘সবচেয়ে ভালো মানের কম্পিউটার দিন।’ এবার সেলসম্যান একটি অত্যাধুনিক কম্পিউটার দেখিয়ে বলল, ‘স্যার, এই কম্পিউটার আপনার কাজের চাপ অর্ধেক করে দেবে!’ শুনে লোকটি উৎসাহের সঙ্গে জবাব দিল, ‘তাহলে এমন কম্পিউটার দুটো নিলেই তো আমার পুরো কাজ হয়ে যাবে! আমাকে আর কিছুই করতে হবে না!’ মুরগী বর্তমানে ব্রয়লার বা ফার্মের মুরগী আসার আগে বাঙালি সমাজে মুরগী একটি অভিজাত খাবার ছিল। তখন মানুষ মাঝে সাঝে মুরগী খেত। যদিও সে সময় অধিকাংশ বাড়িতেই মুরগী পালন করা হতো। তখন মুরগী নিয়ে প্রচলিত একটি কথা ছিল, গরীব মানুষ মুরগী খায় দুই অসুখে। এক, যখন গরীব মানুষ নিজে অসুখে পড়ত আর দুই, যখন মুরগী নিজে অসুখে পড়ত! পারি না স্যার শিক্ষক ক্লাসে ক্লাস নিচ্ছেন। ভয়ে এবং ঘুম ঘুম চোখে হারুন ক্লাস করছে। এমন সময় স্যার সবাইকে পড়া জিজ্ঞেস করা শুরু করল। পড়া প্রায় কেউই পারছিল না। আর স্যারও সবাইকে বেতপেটা করছিলেন। এক সময় শিক্ষক হারুনের সামনে এসে দাঁড়ালেন। হারুন এমনিতে কোন সহজ পড়াও বলতে পারে না। অথচ আজকে অনেক কঠিন পড়া ধরেছেন স্যার। খুব বিরক্তি নিয়ে স্যার হারুনকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি বলো, ছাত্ররা ক্লাসে সবচেয়ে বেশি কোন বাক্যটা বলে?’ হারুন উত্তর দিল, ‘পারি না স্যার!’ শিক্ষক বেশ খুশি হয়ে জবাব দিলেন, ‘ব্রিলিয়ান্ট! হোয়াটস ইয়োর নেম?’ হারুন আবার জবাব দিল, ‘পারি না স্যার!’ সংগৃহীত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now