বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অন্যরকম ভালোবাসা পর্ব-৬ এবং শেষ

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান তারেকুল ইসলাম রায়হান (০ পয়েন্ট)

X বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলাম। বাড়িতে আর থাকতে পারবো না। কারণ আমি নিজের চোখে রিয়াকে অন্য কারোর হতে দেখতে পারবো না।মামার বাড়িতে এলে সবসময় একটা জায়গায় আমি যাই।এটা আমার প্রিয় জায়গা নদীর পাড়।ঐখানেই যাচ্ছি মন ঠান্ডা করার জন্য। এই প্রথম বার রিয়াকে ছাড়া এখানে আসলাম।একা একা লাগছে।মোবাইলটা বন্ধ করে রাত ১০টা পর্যন্ত ঐখানে ছিলাম।এবার মনটা একটু ভালো লাগছে।কিন্তু শরীরটা অনেক খারাপ লাগছে।এখন বাড়িতে চলে যেতে হবে না হলে এখানে অজ্ঞান হয়ে পরে থাকব।বসা থেকে উঠতে পারছি না।অনেক কষ্টে উঠলাম।মোবাইলটা চালু করে পকেটে রাখলাম।রাস্তায় আনমনে হাটছিলাম।তখনই আম্মুর ফোন আসছিল।(গল্পের প্রথম কথোপকথনে)।আম্মুর সাথে কথা বলে মোবাইলটার দিকে তাকিয়ে দেখি ১৫টা আলাদা নাম্বার থেকে প্রায় হাজার টা মিসড্ কল।আম্মুর আওয়াজেও কিছুটা কান্নার ভাব পেলাম।এখনই বাড়ি যেতে হবে না হলে সমস্যা হবে। হাঁটতে হাঁটতে মাঝ রাস্তায় অজ্ঞান হয়ে পরে গেলাম। . . চোখ খুলে দেখি আমি শুয়ে আছি। শরীরটা এখন বেশ ভালো লাগছে। তারমানে এটা স্বপ্ন ছিল। না এটা স্বপ্ন না।কারণ আমি আমার রুমে নেই।আমি রিয়ার রুমে। এই রুমে আসলাম কীভাবে?একটু নড়েচড়ে বুঝলাম যে আমি কোনো বালিশে নয় বরং রিয়ার কোলে শুয়ে আছি। এক লাফে ঐখান থেকে উঠে যাই।রিয়ার ঘুমন্ত চেহারা দেখে রীতিমতো ক্রাস খেয়ে ভেঙে যাচ্ছি।কিন্তু আমি এটাই বুঝছি না আমি এখানে কীভাবে আসলাম।তারপর আয়নার সামনে গিয়ে দেখি আমার জামাটা কে যেন বদলিয়ে দিয়েছে।কিছুই বুঝছি না কী হচ্ছে।জানার জন্য রুম থেকে বের হলাম। আমাকে দেখে আম্মু প্রায় কেঁদে দেবে এমন অবস্থা। আমাকে জড়িয়ে ধরে কাদা শুরু করে দিল। -আম্মু কাঁদছ কেন? -আমাকে তুই মাপ করে দে।আমি জানতাম না তুই এত কষ্ট পাবি? -কিসব বলছ তুমি। -এখন শরীরটা তোর কেমন আছে। -এখন ভালো লাগছে।এসব কী হচ্ছে আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। আমকে কেউ কিছু বল।আর রিয়ার না বিয়ে যাওয়ার কথা।তো সে এখানে কী করছে? -রায়হান তুই আমার সাথে আয় আমি সব বুঝিয়ে দিচ্ছি।(রিপা আপু) -হুমম বল কী হইছে? আমি এখানে কীভাবে আসলাম? এসব কী হচ্ছে?আম্মু আমাকে দেখে কাঁদল কেন?আমি রিয়ার রুমেই বা কী করছি? -ওফফফ একসাথে কতগুলোর উত্তর দিমু একটা একটা করে দিচ্ছি। -সবার আগে এটা বল আম্মু আমাকে দেখে কাদঁল কেন? তখনই রিপা আপু আমার কানটা টেনে ধরলো। -আরে কী করছ এটা আমি ব্যথা পাচ্ছিতো। -ব্যাথা পাওয়ার জন্যই দিয়েছি।ওই তুই এত ইমোশনাল কেন?মানুষ ছ্যাকা খাইলেও তোর মত এইরকম করে না। -আমি কী করলাম আবার। -কী করলাম আবার (ব্যঙ সূরে)।না খেয়ে না ঘুমিয়ে কীভাবে ছিলি এতদিন।ছ্যাকা খাইচছ বুঝলাম।যারা ছ্যাকা খায় তারাও কিছু না খেলেও ঘুমের ঔষধটা খায়।একটু হলেও মত খায়।তুই তো কিছু না খেয়েই মরে যেতে যাচ্ছিলি। -কী আজেবাজে কথা বলছো তুমি আপু। -ছেলে এখনও একটিং করছে।আর একটিং করতে হবে না আমরা সব জানি। -কী জানো? -তোর আর রিয়ার সম্পর্কের কথা। -তো রিয়া সবাইকে বলে দিয়েছে। কবে কখন? -এত ৫বছর আগে। -মানে? -আরে তুই যখন রিয়াকে প্রপোজ করেছিলি তখন রিয়া এসে সবার আগে কাকে বলেছিল জানিস তোর মাকে।ফুফু এ কথা শুনে খুশিতে আত্মহারা।ফুফু থেকে পারমিশন নিয়েই তোকে রিয়া হ্যাঁ বলেছে। -এজন্যই তো বলি তিনদিন কেন লাগল?আর আমি কেন জানলাম না যে তোমরা সবাই এ সম্পর্কে জানতে।আর যদি জানতে তাহলে রিয়াকে অন্যকারোর সাথে বিয়ে দিচ্ছিল কেন? -ফুফু মানা করেছে তোকে বলতে।আর এটা সারপ্রাইজ ছিল।আমরা সবাই তোকে গায়ের হলুদের দিন সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলাম যে এটা তোর বিয়ে।কিন্তু তুই তো দেবদাস হয়ে পরেছিলি।তাই আমরা আরেকটা প্লেন করলাম যে তোকে বিয়ের দিন সারপ্রাইজ দিবো।কিন্তু তুই তো হারিয়ে গিয়েছিলি।তোকে তো খুজেই পাওয়া যাচ্ছিল না। আচ্ছা তুই গিয়েছিলি কোথায়? -নদীর পারে। - ঐ জায়গাতেই আমরা তোকে খুজতে যাই নি।রিয়া বলেছিল যেতে কিন্তু আমরা ওর কথা শুনিনি। -আচ্ছা আরেকটা কথা রিয়া আমাকে যার ছবি দেখিয়েছে সে আবার কে? -ও তুই আয়ানের কথা বলচিছ।আয়ান আমার দেবর।আমিই রিয়াকে বলেছিলাম তোকে আয়ানের ছবি দেখাতে। -আচ্ছা আরেকটা প্রশ্ন আমি তো রাস্তায় হাঁটছিলাম তখনই অজ্ঞান হয়ে গেলাম।আমাকে এখানে এনেছে কে? -আরে তখন রাফি ওই রাস্তা দিয়ে আসছিল।তোকে পরে থাকতে দেখে রিয়ানকে কল করে।রিয়ান আর রাফি মিলে তোকে নিয়ে আসে। -জানো ভাইয়া তুমি তিন দিন ধরে অজ্ঞান ছিলা আজ তোমার জ্ঞান ফিরেছে।(রাফি) -হুমম এই তিন দিন রিয়া তোর অনেক সেবা যত্ন করেছে।(আম্মু) -দুই রাত ঘুমায়নি।কাল আমি জোর করে রিয়াকে একটা ঘুমের ঔষধ খাইয়ে দিয়েছিলাম।তাই আজ এখন পর্যন্ত ঘুমিয়ে আছে।(রিপা) -এমন একজনকে জীবনে পাওয়া সত্যি ভাগ্যের ব্যাপার।(আব্বু) সকলের কথা শুনে রিয়ার জন্য খুব মায়া হচ্ছে।আমার জন্য সে কীই না করল আর আমি তার সাথে এভাবে রুড ব্যবহার করলাম।আমি রিয়ার রুমে গেলাম।কী মায়বীই না তার মুখ।রিয়ার কপালে একটা কিস করলাম।সাথে সাথে রিয়া ঘুম থেকে উঠে গেল।আমাকে সজাগ দেখে খুশিতে আমাকে জরিয়ে ধরে বলে -তুমি কখন ঘুম থেকে উঠলে?শরীরটা এখন ভালে তো।ঘুম থেকে উঠে আমাকে ডাক দেওনি কেন? -তোমার ঘুমন্ত চেহারাটা দেখছিলাম তাই ডাক দেইনি। -তুমি আমাকে ছেড়ে কোথায় চলে গিয়েছিলেে।জানোনা তোমার কিছু হলে আমার কত কষ্ট হয়।বল আমাকে ছেড়ে কখনও জাবে না। -যাব না। -তাহলে বল I love you. -i love you. -i love you too much. ???????????????????????????????????????????????? -আচ্ছা আমার জামা কাপড় কে বদলালো? -আমি ছাড়া আর কে?টেনশন করো না আমি কিছু দেখিনি।(শয়তানি হাসি হেসে) -দেখনি না।আমি সব বুঝি।কে কত পানিতে আছে আর কে কত জলে। THE END Writer:-তারেকুল ইসলাম রায়হান


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১৩৩৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now