বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Omar (০ পয়েন্ট)

X টেক্সিচালক যখন গ্যাংস্টার Writer-Md. Omar Part--12 আব্বুর সাথে কথা বলে রুমে এসে দেখলাম,,, লিমা বসে আছে,, ওকে দেখে আমার গা জলতে লাগলো,, একদম সহ্য করতে পারি না,, আমি--আপনি এখানে কেন,,কি চাই,,?(????????????) লিমা--ছলছল চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,, আমি--কি হলো চুপ করে আছেন কেন,,কিছু বলার থাকলে বলুন,,নাহয় এখান থেকে যান,, আমি ঘুমাবো,, লিমা--তোমার সাথে কথা আছে,, আমি--না বলে এত ঢং করছেন কেন,, তাড়াতাড়ি বলে বিদায় হোন, লিমা--আমি----- আর কিছু না বলে কান্না করতে করতে দৌড়ে চলে গেল,, আমি তো কিছুই বুঝলাম না,, কি বলতে এসেছিল,, আবার চলেই বা গেলো কেন,, ওসব ফালতু মেয়েকে নিয়ে ভেবে লাভ নাই,, আমি এখন ঘুমাই,, তারপর গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম,,,, পরদিন মানুষের হৈচৈ এ ঘুম ভেঙ্গে গেল,, বিয়ে বাড়ি হৈচৈ তো থাকবেই,, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম ১০ টা বাজে,, তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে নিচে নামলাম নাস্তা করতে,, মা--উঠেছিস,,আই নাস্তা করে নে,,, আমি--হুম,, তারপর নাস্তা করতে বসে পড়লাম,, বাবা--গুড মনিং,, আমি--হুম,, বাবা--নাস্তা করে রেডি হয়ে নে,,,অথিতি রা এসে পড়বে,, আমি--তো আমি কি করবো,,, বাবা--কি করবি মানে,,বিয়ে বাড়ি বলে কথা,, সুন্দর করে সাজতে হবে না,,আর মেহমান দের আপ্যায়ন করবি,, আমি---ওই ফালতু মেয়েটার জন্য এত আদিখ্যেতা কিসের,,,, আমার অসহ্য লাগছে,, বাবা--ইশশশাননন,, আমি--ধমকিয়ে লাভ নাই,,বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমি এক্ষুনি চলে যাবো,, আর কিছু না খেয়ে রুমে চলে আসলাম,, রুমে এসে বসে আছি,,, এমন সময় ফোন আসলো,,, হাতে নিয়ে দেখি সমিক ফোন দিয়েছে,,, আমি--হ্যা সমিক বলো,, ওইদিকের কি খবর,,(রিসিভ করে) ----স্যার যে আপনার সাথে পাঙ্গা নিতে চাইছিল তাকে,,তুলে নিয়ে আসছি,, আমি--গুড,, ---এখন এটাকে কি করবো,, আমি---হাত পা এমনভাবে ভাঙ্গ, যেন জীবনে হাঁটাচলা করতে না পারে,, তারপর রাস্তার মাঝখানে ফেলে দিবে,, ---ওকে স্যার,, ফোন কেটে দিলাম,, তখনি,, মা--ইশান,, আমি ডাক শুনে দরজার দিকে তাকালাম, মা শুনে ফেলেনি তো,,তাহলে শেষ,, আমি--মা তু তুমি কখন এলে,, মা--এখন,,,ভিতরে আসতে বলবি না,,? (যাক কিছু শুনতে পাইনি) আমি--আরে আসো,, অনুমতি নেওয়ার কি আছে,, মা--অনুমতি নিতে হবে,,তুই এখন আগের ইশান নেই,,, অনেক বদলে গেছিস,,(মন খারাপ করে) আমি--কিছু বলবে,,? মা--তুর বাবার সাথে এভাবে কথা বলা ঠিক হয়নি,,জানিস ওনি কত কষ্ট পেয়েছে,, আমি--তো কি করবো,,,ওই মেয়েকে নিয়ে এত আদিখ্যেতা কিসের,, মা--বাবা মেয়েটা আজকের পর থেকে অন্য বাড়ির বউ,,আজি ওর এই বাড়িতে শেষ দিন,,তাই তুর কাছে হাত জোড় করে বলছি,, আজকের জন্য একটু মানিয়ে নে,,(কান্না করে),, তুর ফুফি খুব কষ্ট পাবে,,, তুই চলে যাওয়ার পর থেকে এমনিতেই কারো মনে শান্তি নেই,, আমি--আচ্ছা,, তুমি যাও,, আমি আসছি,, মা--আচ্ছা,,(কপালে চুমু দিয়ে চলে গেলো) তারপর আমি রেডি হয়ে নিচে নামলাম,,,, আমাকে দেখে বাবার মুখে হাসি ফুটলো,, বাবা--ইশান এইদিকে আই,,,তুর সাথে একজনের পরিচয় করিয়ে দিই,, আমি--হ্যা বলো,,(বাবার কাছে গিয়ে)অন্ন দিকে তাকিয়ে বাবা--এনি হচ্ছে--- -----আররে স্যাস্যার আপনি এখানে,,? আমি লোকাটার দিকে তাকালাম,, এতো মি, আরমান,,(মাদক কারবারের সাথে জড়িত,, মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বলেছিলাম যদি আর কখনো মাদক কারবার করে তাহলে সুজা ও পারে পাঠিয়ে দিবো,,এবং এই পর্যন্ত মাদক কারবার করে যা উপার্জন করেছে সব আমার একাউন্ট এ ট্রান্সফার করে নিলাম,,,এই থেকেই একদম সুজা,,) আমি---আপনি এভাবে কাঁপছেন কেন,,? ----আপপনাকে দেখেতো সবার প্যান্ট নষ্ট হয়ে যাওয়ার অবস্থা,, আমি--তো আপনি ভালো আছেন,, ----জি,, আপনি,,? আব্বু--আপনারা একে অপরকে চিনেন নাকি,, আমি--আচ্ছা আমি যাই,, আপনারা কথা বলেন,, কনে কে স্টেজে আনা হলো,, ওর পাশে তিন পেত্নী বসে আছে,,রাধিকা,, লামিয়া,,সাইরা,, সবগুলো ময়দা মেখে ভুত হয়ে গেছে, দুপুর হয়ে গেল,, বরের পক্ষ থেকে অনেকে এসেছে,, কিন্তু বরং এখনো আসেনি,, দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে এল,, কিন্তু বরের কোন খবর নেই,, তাই সবার অস্থিরতা বেড়ে গেছে,,,, সন্ধ্যা হবে হবে অবস্থা এমন সময় বাবার মোবাইল ফোন আসলো,, বাবা--রিসিব করলো,, হঠাৎ বাবা বসে পড়লো,, আমরা সবাই বাবার কাছে গেলাম,, মা--কি হয়েছে,, ফুফি--ভাইয়া কি হয়েছে বলো না, আমি--ফোন কে করেছিল,, বাবা--বর-- আমি--বর কি,,? বাবা--বরের গাড়ি নাকি এক্সিডেন্ট করেছে,,বর সহ গাড়ির সবাই গুরুতর আহত হয়েছে,,,সবাইকে অমুক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে,, সাথে সাথে বাড়িতে একটা কান্নার রোল পড়ে গেল,, কি থেকে কি হয়ে গেল,,, ফুফি তো ইতিমধ্যেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলছে,, মেয়ের বিয়ে এভাবে ভেঙ্গে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেনি,, বাবা--বাবা একদম আমাত হয়ে গেছে,, আমি সবাইকে শান্ত করতে লাগলাম,, মা পানির ছিটা মেরে ফুফির জ্ঞান ফিরালো ফুফি--আমার মেয়েটাকে আর কে বিয়ে করবে,,,, এভাবে আমার মেয়ের জীবন টা নষ্ট হয়ে যাবে,,??(কান্না করে) আমি লিমার দিকে তাকিয়ে দেখলাম ওর বিন্দুমাত্র ভক্রেপ নাই,,, সবাই একদম নিস্তব্ধ,, একে সব অতিথিরা চলে গেছে,, হঠাৎ মা আমার কাছে এসে বলল,, মা--বাবা একটা কথা বললে রাখবি,,? আমি--বলো দেখি রাখার মতো হলে রাখবো,, মা--না কথা দে,,যদি না রাখিস তাহলে আমার মরা মুখ দেখবি,, মায়ের এ কথা শুনে আমি আর থাকতে পারলাম না,, আমি--তুমি যাই বলবে আমি তাই করবো,, তবুও এই কথা টা বলো না,, মা--তুই লিমাকে বিয়ে কর,,,এটা মা হিসেবে তুর কাছে অনুরোধ,, আমি-কি বলছো মা,, তোমার মাথা ঠিক আছে, মা--হ্যা আমার মাথা একদম ঠিক আছে,, আমি--ঐ মেয়েকে আমি সহ্যই করতে পারি না আবার বিয়ে,, ফুফি--বাবা এমন করিস না,, আমার মেয়েটাকে বিয়ে কর,,নাহলে যে আমার মেয়ের জীবন টা নষ্ট হয়ে যাবে,,(আমার হাত ধরে,,) কান্না করে মা--তুই কিন্তু আমাকে কথা দিয়েছিস,,নাহলে আমার মরা মুখ দেখবি,, পড়ে গেলাম মাইনকা চিপায়,, ফুফি---বাবা একজন মা হিসেবে তুর কাছে আমার মেয়েকে ভিক্ষা চাইছি,,, আমি---এখন কি করবো,,, সবাই আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে,, উত্তর শুনার জন্য,, আমি--আচ্ছা আমি রাজি,, ((মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম বিয়ে করবো,, কিন্তু জীবনের সব সুখ শান্তি কেড়ে নিবো,, জীবন টা ত্যানা ত্যানা করে দিবো,,,সব প্রতিশোধ একে একে তুলবো,,) মা--আমি জানতাম,, তুই আমার কথা ফেলবি না,, ফুফি--বাবা তুর কাছে আমরা ঋণী হয়ে গেলাম,, সবার মুখে হাসির জলক,, আব্বু--আজকেই ওদের বিয়ে হবে,, লিমার আব্বু কাজী নিয়ে এসো,, লিমার আব্বু কাজী আনতে গেলো,, আমি লিমার দিকে আরেকবার তাকালাম,, দেখি ডাইনির হাসির ছাপ দেখা যাচ্ছে,, মনে হয় বিয়েটা ভেঙ্গে খুশি হয়েছে,,, ৩০ মিনিট পর লিমার আব্বু কাজী নিয়ে এলো,, তারপর আমরা দুজন কে একজায়গায় বসানো হলো,, কাজী--বলো বাবা কবুল,, আমি--না বলে চুপ করে আছি,, কাজী--বলো কবুল আমি-চুপ মা--বাবা বলে দে,, আব্বু-বলে দে,, কাজী--বলো কবুল,, আমি-- কক ক কবুল,, এভাবে তিন বার বলালো,, তারপর,, কাজী--বলো মা কবুল,, লিমা--কবুল‌ কবুল কবুল,, একসাথে বলে দিলো,, লামিয়া--এমা ভাবির তর সইছে না দেখতেছি,, সবাই হু হু করে হেসে দিলো,, তারপর সাইন করানো হলো,, ব্যাস বিয়ে সম্পন্ন,, ((দেখছেন ভাইয়েরা ইশান বিয়ে করে ফেলছে,, কিন্তু আপনাদের দাওয়াত দেই নি,,+++,,,)) আমি ওখান থেকে উঠে সুজা ছাদে চলে গেলাম,, আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলাম,, কি থেকে কি হয়ে গেল,,যাকে সহ্যই করতে পারি না,,তাকেই আমার গলাটা জুলিয়া দিলো,,, আমার জীবনে কি সুখ শান্তি কখনো‌ আসবে না,,, SUMZ ভাইয়ের বিরহের গান ছেড়ে শুনতে লাগলাম,, হঠাৎ কে যেন ডাক দিলো,, ডাক শুনে আমি পিছনে তাকালাম,, রাধিকা--ভাইয়া,,তুই এখানে দাঁড়িয়ে আছিস,,ভাবি একা একা বসে আছে,,যা রুমে যা,, আমি--তুর থেকে দরদ লাগলে তুই যা,, রাধিকা--আজ না তুদের বাসর রাত,, আমি--তুই বেশি কথা বলতেছিস,,যাবি নাকি, রাধিকা--তুকে না নিয়ে আমি যাচ্ছি না,, আমি--আচ্ছা চল,,(বিরক্ত নিয়ে) তারপর আমি রুমের সামনে আসলাম,, রাধিকা আমাকে ধাক্কা মেরে ভিতরে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিলো,, (আমাকে না ইশান কে,) ভিতরে ঢুকে তো আমি--+±+++--------- চলবে------ সবার মতামত এর আশা করছি,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now