বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

♥ভাই যখন বয়ফ্রেন্ড!♥

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান SHUVO SUTRADHAR (০ পয়েন্ট)

X পিয়াস ও অংকন দুই ভাই। তাদের মধ্যে পিয়াস বড়। পিয়াস সদ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে তাই সে পড়ার জন্য ঢাকা চলে গেল। আর অংকন কলেজে লেখাপড়া করে বাড়ি থেকেই। এদিকে ঢাকা গিয়ে পিয়াস রং নাম্বারে একটি প্রেমও করে ফেলে। যার সাথে সে প্রেম করছে সে খুব লোভী। সে কিছুদিন পরপরই পিয়াস বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে টাকা নিত। এইরূপ........ পিয়াসঃ হাই জানু কি করছ? রং নাম্বারের প্রেমীকঃ তোমার সাথে কথা বলছি। পিয়াসঃ সেটা তো আমি দেখছিই। রং নাম্বারের প্রেমীকঃ তাহলে এই রকম প্রশ্ন কেন কর! জানু আমার একটা কথা ছিল। পিয়াসঃ কি কথা বল? রং নাম্বারের প্রেমীকঃ আজকে আমি শপিংয়ে যাব দশ হাজার টাকা লাগবে। তোমি এক্কনি আমার বিকাশে দশ হাজার টাকা দিয়ে দাও। পিয়াসঃ আাচ্ছা দেখছি জানু একন ফোনটা রাখ। তারপর সে ফোনটা কেটে দিল। পিয়াসঃ আমি এতগুলো টাকা কোথায় পাব! আমি ত এখনও বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে চলি। [মনে মনে] কিছু একটা চিন্তা করে পিয়াস বাড়িতে ফোন দিল। পিয়াসঃ হ্যালো অংকন। অংকনঃ হ্যাঁ ভাই। পিয়াসঃ কেমন আছিস তুই? অংকনঃ বড্ড ভাল। তোমি? পিয়াসঃ খুব বেশি ভাল না। আাচ্ছা তুই ফোনটা বাবার কাছে দে ত। অংকনঃ কেন ভাল না? পিয়াসঃ এত জানতে হবে না ফোনটা আগে বাবার কাছে দে। অংকনঃ আাচ্ছা দিচ্ছি। এইযে বাবা পিয়াস ভাইয়া ফোন করেছেন আপনার সাথে নাকি তার কথা আছে। বাবাঃ আচ্ছা দে। কেমন আছিস পিয়াস? পিয়াসঃ ভালই। একটা কথা ছিল বাবা। বাবাঃ কি কথা বল? পিয়াসঃ বাবা আমার এক্কনি দশ হাজার টাকা লাগবে। বাবাঃ কেন? পিয়াসঃ আমার স্যার বলেছে আজকেই নাকি কয়েকটি বই কিনতে হবে। খুব গুরুত্বপূর্ণ বইগুলো বাবা। বাবাঃ আচ্ছা কিচ্ছুক্ষণ পর দিচ্ছি। তকে একটস কথা বলি। পিয়াসঃ কি বলবে বল? বাবাঃ অংকন তো তর থেকে ছোট ও আমার কাছে টাকাই চায় না ইদানীং বরং মাঝেমধ্যে আরও টাকা দেয়। আর তকে শুধু দেওয়াই লাগে কি যে করিস না তুই। পিয়াসঃ অংকন কি করে বাবা? বাবাঃ সেটা বলেনি। তারপর সে ফোন রেখে দেয়। বাবাঃ এই অংকন তর ভাইয়ের এক্কনি কিছু টাকা লাগবে। কিছুটাকা থাকলে দে। অংকনঃ বাবা এখন টাকা নেই তবে কিছুক্ষণ পর টাকা পাব। তোমি কারও কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে দিয়ে দাও। আমি দিয়ে দিব কিছুক্ষণ পর। বাবাঃ আাচ্ছা ঠিক আছে। এভাবে একেক ঘটনার পর একেক ঘটনা চলতেই থাকে প্রায় বছর খানেক। পিয়াসঃ হ্যালো জানু কেমন আছ? রং নাম্বারের প্রেমীকঃ ভাল। তোমি? পিয়াসঃ আমিও ভাল। তোমাকে একটা কথা বলি। রং নাম্বারের প্রেমীকঃ কি বলবে বল? পিয়াসঃ প্রায় একবছর প্রেম হয়ে গেল কিন্তু কেউ কাওকে দেখিনি আস দেখা করি। রং নাম্বারের প্রেমীকঃ ঠিক আছে দেখা করব। বল কোন দিন দেখা করবে? পিয়াসঃ আগামীকালকেই। রং নাম্বারের প্রেমীকঃ আাচ্ছা তাহলে কোন যায়গায়? পিয়াসঃ সিলেট শিশু পার্কে। তারপর পিয়াস পরের দিন তার রং নাম্বারের প্রেমীককে দেখার জন্য চলে আসল শিশু পার্কে। পিয়াস হঠাৎ চমকে উঠল..... পিয়াসঃ অংকন তুই এখানে! অংকনঃ তোমি এখানে! পিয়াসঃ তুই এখানে কেন? অংকনঃ একটি কাজে আসছি। তোমি? পিয়াসঃ আমিও একটি কাজেই আসছি। তর আবার কি কাজ? অংকনঃ আরে ভাই বইলেন না একটা ছেলের সাথে মেয়ের কন্ঠে রং নাম্বারে প্রেম করেছি। শুধু কি প্রেম তার কাছ থেকে অনেক টাকা পয়সাও নিয়েছি। বুঝেন কত্ত বোকা ছেলেটা। আজ আসতেছে আমার সাথে আবার দেখা করতে। তখন পিয়াস সবকিছু বুঝে গেল। পিয়াসঃ তুই এই কাজ করিস আর বাবাকে টাকা দিস। ছেলেটা এখনও আসে নি? অংকনঃ না আসেনি। ফোন দিয়ে দেখছি। যখন অংকন ফোন দিল তখন পিয়াসের ফোনে রিংটোন বাজতে লাগল। তখন অংকন সবকিছু বুঝে পেলল। পিয়াস শুধু শুধু বাজে কারন দেখিয়ে কেন বাবার কাছ থেকে টাকা নিত সব বুঝে নিল অংকন। অংকনঃ ভাই তোমি! আর এইজন্যই তোমি বাবার কাছ থেকে টাকা নিতে। পিয়াসঃ হ্যাঁ আমি। আর এইজন্যই কিন্তু সেই প্রতারক তুই! অংকনঃ ভাই যখন বয়ফ্রেন্ড তখন আমি পালাই। oh noo....... আজব কান্ড.....কেউ আমারে মাইরালা..... [এই গল্পটি আমার শ্রেষ্ঠ গল্পগুলোর একটি] [আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত লেখাগুলো কপিরাইট করবেন না]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now