বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ট্রেনে বসে ভাবনার জগতে একদিন

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাফায়েত হোসেন (০ পয়েন্ট)

X আমি মৃদুল ভাবনা চিন্তা করতে পছন্দ করি।সবকিছু নিয়েই যেন আমার একটু ভাবতে ভাল লাগে।অন্য কেউ যেটা সাধারণ ভাবে নেয় আমি যেন সেটা নিয়েও ভাবনায় চলে যাই।বিশেষ করে ভ্রমণ করতে করতে ভাবতে আমার ভাল লাগে।যদি হয় সেটা ট্রেনে ভ্রমণ আর পাই যদি ছিট জানলার পাশে তাইলে তো আর কথাই নেই।তেমনি আজ সকালে ঢাকা থেকে ট্রেনে করে আমার বাসা রাজশাহী যাবো।আর ট্রেনের সিট ও পেয়েছি জানলার পাশে যাক আজ যেন আমার ভাবনার জগৎ এ ভালই বিচরণ করতে পারবো যাই হোক ট্রেনে উঠে বসলাম আমার কাঙ্খিত জানলার পাশের সিটে।একটুপর ট্রেন চালু হয়ে গেলো।আমি ট্রেনের পরিবেশ এর দিকে একটু তাকালাম।দেখলাম ভালই মানুষ আছে আসলে লোকাল ট্রেন মানুষ তো অনেক থাকবেই।আমি এবার আমার ভাবনা তে একটু নজর দেই।একজন লোক দেখি চকলেট বিক্রি করছে ট্রেনের বগি ঘুড়ে ঘুড়ে।কেউ আবার চানাচুর বাদাম বিক্রি করছে।কিন্তু কাউকে তো বই বেচতে দেখছি না।কোনো গল্পের বই যদি বেচতো মানুষ সেটা কিনলে অনেক কিছু জানতো শিক্ষতো।কিন্তু মানুষের আজকাল বই পড়ার আগ্রহ কম দেখছি।যেমন করে চানাচুর বাদাম বিক্রি করা হচ্ছে এভাবে তো জ্ঞান বিক্রি করা যায় না জ্ঞান তো নিজের থেকে অর্জন করতে হয়।ইশ যদি বিক্রি করা যেতো জ্ঞান তাইলে কেমন হতো একটু কল্পনা করলে কিছু কি জানা যাবে।হঠাৎ একটি লোক আমার সামনে এসে বললেন বয়স পঞ্চাশ কি পয়তাল্লিশ বছর হবে।তার হাতে প্রথম আলো একটা পত্রিকা দেখলাম। তিনি আমায় বললেন এই ছেলে এত কি ভাবছো? আমি:-নাহ আংকেল কিছু না। অচেনা লোকটি:-তুমি যে কিছু ভাবছো সেটা আমি বুঝতে পারছি?আমায় বলতে পারো ইয়াং ম্যান।এক ট্রেনেই যাচ্ছি তাই গল্প করি একটু।একা বসে থাকার চেয়ে গল্প করলে সময় তাড়াতাড়ি কেটে যাবে। আমি:-আসলে আমি ভাবছিলাম যে ট্রেনের মধ্যে চানাচুর বাদাম বিক্রি হয় যদি বই বিক্রি করতো কেউ।আর জ্ঞান যদি বিক্রি করা যেতো তাইলে কেমন হতো কল্পনা করছি।যদিও জ্ঞান অর্জন করার বিষয়। অচেনা লোকটি:-তুমি তো দেখছি ভাবনার জগৎ এ বিচরণ করছো।চিন্তা ভাবনা করা ভালো।চিন্তা ভাবনা করলে অনেক সময় প্রক্রিত সত্য বের হয়ে আসে।আর আসি তোমার তোমার জ্ঞান বিক্রির কথা।তুমি তোমার জানা বিষয় থেকে কাউকে কিছু শিক্ষা দিলে তাইলে এটা কি জ্ঞান বিক্রি করা হলো না? আমি:-এটা তো জ্ঞান বিতরণ করা বা নিজের জ্ঞান কারো মাঝে শেয়ার করা যার ফলে সে আমার থেকে সেই শিক্ষাটা নিয়ে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারে।এটা কি জ্ঞান বিক্রি হলো।আমার তো মনে হয় না বরং নিজের জ্ঞান টাই আরো সাণিতো হলো আমার। অচেনা লোকটি:-তাইলে তুমি কেমন জ্ঞান বিক্রির কথা ভাবছো একটু বুঝিয়ে বলবে আমায়? আমি:-আসলে আমি চিন্তা করছিলাম এমন জ্ঞান বিক্রি করার কথা যেই জ্ঞানে মানুষ সচেতন হবে তার জীবন নিয়ে।তার মাঝে একটু হলেও প্রক্রিত শিক্ষার আলো থাকবে।সেই শিক্ষা প্রাতিষ্ঠানিক নয়।বইয়ের দু পাতা মুখস্থ না করে নিজের জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়া জীবন কে বোঝা, প্রকৃতির দিকে একটু তাকানো,প্রকৃতিকে একটু বোঝা,আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষক তো প্রকৃতি তাই না। অচেনা লোকটি:-বাহ ইয়াং ম্যান তুমি তো দেখি দার্শনিক এর মত কথা বলছো।কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার কি দরকার নেই?পড়াশোনা করে চাকরি করাই তো এখন লক্ষ্য সবার। আমি:-প্রাতিষ্ঠানি শিক্ষার দরকার আছে।আমি নিজেও তো পড়াশুনা করি।কিন্তু পড়াশোনার পদ্ধতি যেন আমার মনে ধরে না।শুধু বই মুখস্থ করলাম কিন্তু বই এ যা পড়েছি সেটা কি বাস্তবে প্রয়োগ করতে পারি আমরা।হয়তো বা চাকরি পেয়ে যাই।কিন্তু বই পড়ে যা শিখলাম সেটা নিয়ে কি ভাবা হয় পড়ে।একটুও কি চিন্তা করি আমরা যে যেটা পড়লাম সেটা আসলে কি? চারদিকে এর কি প্রভাব?সেটা কিভাবে কাজ করে?আসলে নিজের চারপাশ নিয়ে না ভাবলে আমাদের শিক্ষা পূর্ণতা পাবে না। অচেনা লোকটি:-তুমি মনে হয় কারিগরি শিক্ষার কথা বলছো।কারিগরি শিক্ষা তো বাস্তব একেবারে হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়। আমি:-কারিগরি একটা ভালো শিক্ষা ব্যাবস্থা।কিন্তু কারিগরি নিয়ে আমার ভাবনায় কোনো কথা বা প্রশ্ন আসে না।আমাদের দেশে কারিগরি কতটা বা কেমন কার্যকারী সেটা নিয়েও আমার একটু খচকা আছে।জানি না আদো কতটুকু শিখতে পারে ছাত্রছাত্রীরা।কারিগরি পরেও কি কেউ বসে নাই বা জীবনে ভালো কিছু করতে পারে নি খুজলে হয়তো পাওয়া যাবে।আসলে আমাদের শিক্ষা নেওয়ার প্রতি ভাবনা এবং সেটা মূল্যায়ন করার মন মানসিকতা তে সমস্যা। লোকটি এবার বাদাম কিনলো।বাদাম কিনে আমায় দিলো নিজে কিছু নিলো।লোকটি বাদামের খোসা ছাড়াতে ছাড়াতে....... অচেনা লোকটি:-তোমার কথাটা ঠিক আছে।কিন্তু আমরা নিজেরা আলোচনা করলে ব্যাপারটা আমাদের মধ্যেই থাকবে এটা বাইরে প্রাচার করে অন্যদের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া টা বেশি জরুরি। আমি:-এইতো আপনি এবার আসল জায়গায় আসছেন।আমি এটাই ভাবছিলাম এতক্ষণ।আপনি অবশেষে জ্ঞান বিক্রির বিষয়টা বুঝলেন। অচেনা লোকটি:-তুমি কি বলতে চাচ্ছো বুঝলাম না।আর জ্ঞান বিক্রি সেটা তো হচ্ছে।চাকরি পেতে মামা খালুর সাহায্য লাগছে।তাকে টাকা দিয়ে মানুষ চাকরি নিচ্ছে তাইলে এখানে টাকার কাছে জ্ঞান কি বিক্রি হয়ে গেলো না? আমি:-আপনার সাথে একমত আছি আমি কিন্তু আমি যেই জ্ঞান বিক্রির কথা বলতে চাচ্ছি সেটা আপনি বললেন একটু আগে কিন্তু আপনি ভালো করে চিন্তা ভাবনা করে বলেন নি।আপনি বললেন আমরা যা যা আলোচনা করছি সেটা বাইরে বলা দরকার।হ্যা এটাই তো আমার উত্তর কিন্তু তার সাথে আমি আরো কিছু যক্ত করতে চাই।আমি সেই জ্ঞান বিতরণ করতে চাই বা একটু বাস্তবমুখি ভাবে বললে বিক্রি করতে চাই যেটা আমি প্রকৃতি থেকে থেকে শিখেছি।বইয়ের ওই দুই পাতা মুখস্থ করে নয়।আমি মানুষকে প্রকৃতি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে, প্রকৃতি নিয়ে ভাবতে অনুপ্রাণিত করতে চাই।আমি চাই আমার মতো অন্যরাও নিজের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাটার সাথে সাথে একটু প্রকৃতি নিয়ে বা বইয়ের পাতার বাইরে কিছু শিক্ষা নিক এবং তা অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিক।এটাই আমার জ্ঞান বিক্রির ফর্মুলা।আমি এই জ্ঞান বিক্রি করতে চাই এবং বিক্রি হতে দেখতে চাই যা কখনো শেষ হবে না শুধু একজন দুজন করে সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়বে। অচেনা লোকটি:-অসাধারণ তোমার ভাবনা চিন্তার জায়গাটা আসলে যেকোনো স্বাধারণ মানুষের থেকে তোমার ভাবনার জায়গাটা বেশি। এবার আমি একটি বাদামের খোসা ছাড়িয়ে একটি বাদাম মুখে দিলাম......... আমি:-আমি খেয়াল করছি অনেকক্ষণ থেকে আপনি আমার সাথে কথা বলার সময় আমার দিকে যেইটুকু তাকিয়েছেন তার থেকে বেশি আপনি প্রথম আলো পত্রিকার দিকে তাকিয়ে ছিলেন।এর কারণটা কি?কি এতো পড়ছেন আপনি? অচেনা লোকটি:-বাহ তুমি এটাও খেয়াল করেছো।আসলে আমি প্রথম আলো পত্রিকাতে পড়ছিলাম যে দেশের বোর্ড পরিক্ষায় এত জিপিএ ৫ পাচ্ছে ছেলেমেয়ে কিন্তু প্রকৃত শিক্ষা হচ্ছে কি ছেলেমেয়ের?এই নিয়ে একটা লেখা বেড় হয়েছে পত্রিকায়। আমি:-ওইতো আগেই বলেছি এখন পড়াশুনা হয়ে গেছে মুখস্থ বিদ্যা নির্ভর।এতে এখন অহরহ জিপিএ ৫ আসছে কিন্তু ছেলেমেয়ে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে না।সে যা পড়ছে সেটা নিয়ে ভাবছে না।বোঝার চেষ্টা করছে না।যেমন মহানবী (সাঃ),রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,কাজী নজরুল ইসলাম সক্রেটিস ইত্যাদি এনাদের কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ডিগ্রি নেই।কিন্তু এনারা আমাদের যা শিক্ষা দিয়ে গেছেন সেটা আমাদের সারাজীবন লাগবে। অচেনা লোকটি:-দুঃখিত তোমাকে একটু থামিয়ে দিচ্ছি।কিন্তু তোমার এই কথার সাথে আমি একমত হতে পারলাম না।কাজী নজরুল ইসলাম,সক্রেটিস এদের জ্ঞান স্মৃষ্টিকর্তা থেকে প্রদত্ত।এদের সাথে এখনকার মানুষের তুলনা করা কি ঠিক হবে? আমি:-আপনি ঠিক বলছেন যে ওনাদের সাথে আমাদের তুলনা করা ঠিক না।তারা আসলে অসাধারণ মানুষ কিন্তু তারা ভাবছেন চিন্তা করেছেন পরিশ্রম করেছেন।এসব তো আমরা করতে পারি এখানে তো কোনো সমস্যা নাই।আমরা ওনাদের মতো হতে পারবো না কিন্তু পরিশ্রম দ্বারা নিজের জীবনে সফল তো হতে পারবো।কথায় আছে না পরিশ্রম হচ্ছে সৌভাগ্যের প্রসূতি।তার সাথে আমি আমার একটা প্রবাদ বলতে চাই তা হলো পারলে কখনো সাধারণ ব্যাপার নিয়েও ভাবো দেখবে তুমি অসাধারণ কিছু পেয়ে যাবে। অচেনা লোকটি:-সত্যি তুমি অসাধারণ।তোমার কথাগুলো আমার অনেক ভালো লাগলো।তুমি আমার অনেক ছোট হবে কিন্তু আমাকে অনেক বড় কিছু শিক্ষা দিয়েছো।তোমার সাথে কথা বলে ভালো লাগলো। আমি:-আপনাকেও স্বাগতম।আপনার সাথে কথা বলেও একটা ব্যাপার আমি শিখলাম যে চিন্তা ভাবনা নিজের মনে রেখে না দিয়ে সেটা কারো কাছে প্রকাশ করা দরকার এবং প্রকাশ তার কাছেই করা দরকার যে শুনতে আগ্রহী আর প্রশ্ন করতে জানে।আমি মনে করি যে উত্তর দেয় কিছু বোঝায় তার থেকেও ভালো জ্ঞাণি যে প্রশ্ন করে।কারণ সে একজনের মনের কথা বের করে আনতে পারে আবার তার ভূল ও ধরিয়ে দিতে পারে। অচেনা লোকটি:-সত্যি তোমার সাথে কথা বলে যেন খালি অবাক হচ্ছি।মনে হচ্ছে যেন তুমি আর আমি কোনো ট্রেনের বগি তে নয় আছি কোনো ভাবনার রাজ্যে।আর সেই রাজ্যে তুমি শিক্ষক আর আমি ছাত্র। আমি:-বাহ দারুন বলছেন আপনি।কিন্তু আমাদের ভাবনার রাজ্যে বাদাম থেকে গেলো যে।পৃথিবীর কিছু জিনিষ আমাদের ভাবনা রাজ্যে থাকলে কি ভালো দেখায়। অচেনা লোকটি:-তাইলে বাদাম থাকা কি ঠিক নয় ভাবনার জগতে।তাইলে কি খাবার থাকা যেতে পারে তোমার মত কি? আমি:-ভাবাদাম থাকতে পারে। অচেনা লোকটি:-বুঝিয়ে বলো তো আমাকে বুঝতে পারলাম না। আমি:-হাহা বাদাম এর কথাই বলছি আমি।ভাবনার বিষয়টা আছে তাই ভা যুক্ত করে দিয়েছি।আসলে আড্ডা দিতে কিছু নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে বাদাম হলে মন্দ হয় না। বাদাম এ কতটুকু ক্যালরি আছে আমি সেটা নিয়ে ভাবি না আমার মনে হয় সময় কাটাতে বাদামের বিকল্প হয় না।বাদাম খেয়ে আমরা ক্যালরি পাচ্ছি আবার সময় ও কাটছে মানে বলা যায় দুইটা ভালো দিক।তাইলে বুঝা যাচ্ছে যে বাদাম আমাদের দুইভাবে সাহায্য করছে। অচেনা লোকটি:-তোমায় নিয়ে যত বলবো ততই কম পড়েবে।এতক্ষণ ভাবছিলাম তুমি দার্শনিক এখন দেখছি তুমি যুক্তি ও ভালো দিতে পারো।যাই হোক এত আলাপ করলাম কিন্তু এখনো তোমার নাম পরিচয়টাই তো জানা হলো না।আমার পরিচয় টাও তো এখনো দেওয়া হয় নি তোমাকে। আমি:-আমার নাম পরিচয়টা না হয় আজ থাক এবং আপনার পরিচয়টাও দিয়েন না এখন।পরে কখনো দেখা হলে না হয় পরিচয় পর্ব নিয়েই আলাপ হবে আমাদের।আজ এই ভাবনার জগতে ভাবনাই থাক।অবশ্য এটা বলে দেই যে আমি যাচ্ছি রাজশাহী আপনি কই যাচ্ছেন? অচেনা লোকটি:-আচ্ছা ঠিক আছে পরিচয় টা নয় আপাততো বন্ধই থাক।আর আমি চাপাইনবাবগঞ্জ যাবো।কিন্তু আজ রাজশাহী নামবো। এক আত্মীয়ের বাসায় থেকে পরেরদিন যাবো।ভালো লাগছে যে আমরা একসাথে নামবো। দুপুরের দিকে রাজশাহী রেল স্টেশনে আসার পর আমি:-কথায় কথায় যে রাজশাহী এসে পড়ালাম।চলেন নামি আমরা। তারপর ট্রেন থেকে নেমে লোকটাকে বিদায় বলে বাসায় যাওয়ার জন্য রওনা দিব ঠিক তখন পিছন থেকে লোকটি আমায় ডেকে বললো অচেনা লোকটি:-এই যে বাংলার সক্রেটিস।তোমার ভাবনার জগতে আবার কবে দেখা হবে?দেখা যেন তাড়াতাড়ি হয় সক্রেটিস। আমি:-হবে অনেক তাড়াতাড়ি হবে।আজও হতে পারে যদি আপনি কথা বলার সময় পত্রিকার দিকে বেশি না তাকিয়ে বাংলার সক্রেটিস এর দিকে একটু বেশি তাকান তাইলেই দ্রুত ভাবনার জগতে দেখা হবে আমাদের।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now