বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Omar (০ পয়েন্ট)

X মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক Writer-Md. Omar Part-03 তারপর টিকিট কেটে ট্রেনে উঠে পড়লাম,, অনেক্ষণ জার্নির পর ঢাকায় এসে পড়লাম,, তখন থেকে শুরু হলো আমার কষ্টের জীবন,, পকেটে যা ছিলো তা দিয়ে পাঁচদিন কোন রকম চলে যায়,, এর মধ্যে একটা মেস ও ঠিক করে ফেললাম,, পাঁচদিন পর পকেটে একটা টাকাও নাই,, কি করবো কিছু বুঝতে পারছি না,, সারাদিন পানি খেয়ে কাটিয়ে দিলাম,, পরদিন ঘুম থেকে উঠে বেড়িয়ে গেলাম,, কাজের সন্ধানে,, এখনো পেটে কিছু পরেনি,,, ক্ষিদায় অবস্থা খারাপ,, তাই একটা দোকানে গেলাম,, গিয়ে পানি ঢেলে যখনি খেতে যাবো তখনি কে যেন আমার হাত থেকে গ্লাস কেড়ে নিলো,, -----এই মিয়া পানি খাচ্ছেন টাকা কোই,,? আমি--দয়া করে আমাকে পানি দিন,, আমার খুব তিষ্টা পেয়েছে,, ---একটা গ্লাস পানি ২ টাকা,,,টাকা দিলে পানি খেতে পারবে,, আমি--আমার কাছে কোন টাকা নাই,,, --তাহলে দুর হ,,ফকিরনির বাচ্চা,, সাথে সাথে আমার চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে গেছে,,আজ আমার ভাগ্য আমাকে কোথায় নিয়ে এসেছে,, কয়েকদিন আগে ছিলাম কিরকম আর এখন পানি ভিক্ষা করতে হচ্ছে,, মানুষ এতটা নিষ্ঠুর কিভাবে হয়, আমি---ভাই আমি আপনা---- তখনি কে যেন আমার কাঁধে হাত রাখলো,, আমি তাকিয়ে দেখি একটা মধ্যবয়স্ক লোক,, লোক--কি হয়েছে বাবা,, আমি--আমার খুব তেষ্টা পেয়েছে,,জনি আমাকে টাকা ছাড়া পানি খেতে দিচ্ছে না,, করুন ভাবে,, লোক--আচ্ছা তুমি এখানে বস,, আমাকে নিয়ে একটা টেবিলে বসলেন,, লোক--তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে খুব ক্ষুধার্ত,,কি খাবে বলো,, আমি--না আংকেল আমার একগ্লাস পানি হলে চলবে,, লোক-----এই দোকানদার ওকে পানি দাও আর নাস্তা নিয়ে আস,, তারপর দোকানদার আমাকে পানির গ্লাস টা দিলো,, আমি সাথে সাথে ঢক ঢক করে খেয়ে ফেললাম,, লোক--তোমার নাম কি ভাবা,,আর তোমাকে তো এই এলাকায় আগে কখনোই দেখিনি,, আমি--আমার নাম ইমরান (আসল নাম বললাম না), দিনাজপুর থেকে এখানে কাজের সন্ধানে এসেছি,, কিছুক্ষণ পর দোকানদার নাস্তা নিয়ে এল,, লোক--আগে পেট ভরে খেয়ে নাও,, পৃথিবীতে এখনো ভালোমানুষ আছে তাহলে,, আমার আপনা আপনি চোখের জল চলে এল,, লোক--একি বাবা তুমি কান্না করছো কেন,,? আমি--আংকেল আপনি খুব ভালো মানুষ,,আপনাকে কি বলে ধন্যবাদ দিবো বুঝতে পারছি না,, লোক--আররে আগে পেট ভরে খাও তো, তারপর আমি গফ গফ করে খতে লাগলাম,, ওনি আমার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে,, মনে মনে হয়তো ভাবছেন,, আমি কোন জংঙলি,, কতদিন ধরে খাইনি,, (( ।আসলে পেটের জালাটা খুব মারত্নক,, মানুষ পেটের ক্ষুধা মিটানোর জন্যই তো এতকিছু করে,, যে খেতে পারেনা সে বুঝে পেটের জ্বালা কেমন,,-- একটাই অনুরোধ করবো,, --আমরাতো কত জায়গায় কতো টাকা খরচ করি,, সেখান থেকে ৫ টাকা বাচিয়ে একটা ক্ষুধার্ত পথ শিশু অথবা মানুষ কে ৫টাকা রুটি খিনে খাওয়ান,, দেখবেন তার মুখে রাজ্যে জয়ের হাসি,, আমরাতো গার্লফ্রেন্ড এর জন্য হাজার হাজার টাকা খরচ করি,,আদো কি তাদের মুখে হাসি ফুটাতে পারেন,,?, কিন্তু এই অভাবি মানুষদের জন্য সামান্য কয়েকটা টাকা খরচ করেন,, দেখবেন তাদের হাসি কে আটকায়,,,,)) অনেক কথা বলে ফেললাম,, ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন,, গল্পের ফিরা যাক,, আমার খাওয়া শেষ,, এতক্ষণে মনে হল আমি নতুন জীবন ফেলাম,, আমি--আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ,, লোক--তুমি তো আমার ছেলের মতো,,তা কোন‌ কাজ পেলে,,? আমি--না আংকেল,,(মাথা নিচু করে,,) লোক--আচ্ছা আমার একটা টেক্সি আছে,,চাইলে ওটা চালাতে পারো,, আমি--কিন্তু,,? লোক--চিন্তা কর না আমি তোমার থেকে ভাড়া নিবো না,, কয়েকদিন পর আমাকে ভাড়াবাবদ ২০০ করে দিয়ো,, আমি তো খুশি তে আত্মহারা,, আমি গাড়ি ড্রাইভ করতে পারি তাই রাজি হয়ে গেলাম,, আমি--আমি রাজি,, আপনার এই ঋণ আমি কখনো শোধ করতে পারবো না,, অনেক অনেক ধন্যবাদ,, লোক--শোধ করতে হবে না,,,চলো আমার সাথে,, আমি--কোথায়,, লোক--আমার বাড়িতে গাড়ি আনতে যাবে না,,, তারপর আমরা ওনার বাড়িতে চলে এলাম,, ওনি ভিতরে গিয়ে কিছুক্ষণ পর ফিরে এলো,, এসে আমার হাতে একটা চাবি ধরিয়ে দিলো,,, লোক--নাও গাড়ির চাবি,, আমি--জি,, লোকটি আমাকে কোন জায়গায় ভাড়া তার নিবো সেটা বলে দিলেন,, তারপর আমি উঠে স্টার্ট দিলাম,, তবে এটা ভেবে খারাপ লাগছে,,যে ছেলেটা লেটেস্ট মডেলের গাড়ি ছাড়া চলতো না সেই ছেলে আজ টেক্সিচালক,, তখন থেকেই আমি টেক্সিচালক,,))))))) এই হচ্ছে আমার অথিৎ,, এখন বর্তমানে আসা যাক,, -----বিকালে আবার গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম,, একটানা রাত নয়টা পর্যন্ত গাড়ি চালিয়ে,, আংকেল এর বাড়িতে গেলাম,, ওনার ভাড়া দিতে হবে,, দরজার কলিং বেল বাজানোর সাথে সাথে আংকেল দরজা খুলে দিল,, আংকেল--আরে ইমরান যে,,আসো,, আমি--না আংকেল এখন না,,এই নিন আপনার ভাড়া,, আংকেল--আরে আগে ভিতরে আসবে তো,, তারপর আমি ভিতরে গেলাম,, গিয়ে সোফায় বসলাম,, আংকেল আমাকে নিজের ছেলের মতো দেখে,,, লোক--আজকে আমার সাথে ডিনার করে যাবে,, আমি--অন্য একদিন আজ আসি,, লোক--তা বললে হবে না, ((আসলে আংকেল একা থাকে,,জনি একজন বিধবা,,)) জুরাজুরিতে খেতে হল,, তারপর ভাড়া দিয়ে মেসে চলে এলাম,, এসে সুজা ঘুমের দেশে চলে গেলাম,, পরদিন,,,,,,, চলবে,,,,,, ব্যাস্ত থাকার পরেও গল্প নিয়মিত দিচ্ছি,,তাই তেমন বড় করতে পারছি না,,,তার জন্য ক্ষমা প্রার্থী,, পরের পর্ব আজ রাত ১১ টার দিকে দেওয়ার চেষ্টা করবো,,যদি না পারি তাহলে কাল বিকালে দিবো,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now