বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তুমি দূরে নও আছো আমার কল্পনায়

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাফায়েত হোসেন (০ পয়েন্ট)

X বৃষ্টিতে ভিজছি আমার ভালোবাসা আমার স্ত্রী নীলার হাত ধরে।অবিশ্রান্ত ধারায় বৃষ্টি পড়ছে তার মাঝে আমরা দুজন হাত ধরে চোখঁ বন্ধ করে আকাশে দিকে তাকিয়ে আছি।ইচ্ছে ছিল চোঁখ খুলে রাখবো কিন্তু বৃষ্টির অবিশ্রান্ত ধারা আমাদের যে চোঁখ খুলে রাখতে দিচ্ছে না।তাতে কি চোঁখ বন্ধ করেই আমরা দুজন বৃষ্টিতে ভিজছি।ধরে আছি দুজন দুজনার হাত।আমি এবার চোঁখ খুললাম তাকিয়ে দেখি তুমি নাই আমার কাছে।আমি ডাকছি নীলা কই গেলে তুমি,প্লিজ ফিরে আসো,ওহ তুমি বুঝি লুকোচুরি খেলছো আমার সাথে,আচ্ছা লুকিয়ে থাকো আমি তোমাকে ঠিক খুজে নিব দেইখো।আজ সাত বছর ধরে তো তোমাকে খুজে যাচ্ছি।কিন্তু তুমিও না এমন জায়গায় চলে গেলে যে তোমায় খুজেই পাচ্ছি না।সবাই বলে তুমি নাকি আর নেই তুমি বলে দূর আকাশের তারা হয়ে গেছো কিন্তু আমি এটা বিশ্বাস করি না।আর তুমি তো আমার কাছেই আছো তাই না নীলা।আর হ্যা ওগো নীলা তুমি শুনছো তোমার পিয়াস ভালো নেই।তোমায় ছাড়া তোমার পিয়াস একদম ভালো নেই।জানো আমায় কোথায় যেন একটা জায়গায় এনে রেখেছে।ঘরের মধ্যে আলো নেই।শুধু অন্ধকার।আর আমাকে সবাই পাগল বলে জানো নীলা।নীলা তুমি একটু বুঝিয়ে বলো তো ওদের যে আমি পাগল না।তুমি তো জানো নীলা আমি পাগল নই আমি তো তোমার ভালোবাসা তোমার স্বামি।আমাকে বাইরে বের হতে দেয় না কিন্তু আজ জোর করে ওই অন্ধকার ঘর থেকে বের হয়ে বৃষ্টিতে ভিজছি আমি তোমার সাথে।তুমি তো বৃষ্টিতে ভিজতে খুব পছন্দ করো তাই না নীলা।নীলা ওই দেখো ওই দুষ্টু লোকগুলো আবার আসছে আমায় ওই অন্ধকার ঘরে নিয়ে যেতে।তুমি ওদের বলে দাও আমি জাবো না ওই ঘরে।আমার দম বন্ধ হয়ে আসে ওই ঘরে থাকতে।এইতো ওরা এসে গেছে আমায় ধরছে আমায় টানছে,না না আমি জাবো না আমার নীলা আছে এখানে আমায় নিয়ে যেয়ো না।আহ আহ আমার গায়ে সুচ ফুটালো।আমার চোঁখ বন্ধ হয়ে আসছে, ঘুম আমায় আস্টেপিস্টে জরিয়ে ধরছে।ওইতো নীলা দাঁড়িয়ে আছ আমায় ডাকছে পিয়াস আমি এসে গেছি তোমার নীলা আসছে আসো আমার কাছে আসো পিয়াস।নীলা হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কিন্তু আমি যেতে পারছি না,চলার শক্তি পাচ্ছি না,আমায় যে ওই দুষ্টু লোকেরা ধরে আছে,আমার অনেক ঘুম পাচ্ছে...............আমার নীলা........নীলা.........নী........... ঘুমিয়ে গেলো পিয়াস।এভাবেই পিয়াস কে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে তার রুমে নিয়ে যাওয়া হয়।তাকে শান্ত করা হয়।সাত বছর আগে একটা দুর্ঘনটায় পিয়াসের ভালোবাসা ওর জীবন ওর স্ত্রী নীলা মারা যায়।তারপর নীলার শোকে পাগল হয়ে যায় পিয়াস।নীলাকে নিজের চাইতেও খুব ভালোবাসতো পিয়াস।নীলাও খুব ভালোবাসতো পিয়াস কে।আর আজ পিয়াসের জায়গা হয়েছে পাগলাগারতে।সাত বছর ধরে পিয়াস পাগলাগারতে আছে।ওর আজ আর কেউ নেই।পরিবারের কেউ আজ আর ওর সাথে দেখা করতে আসে না কেউ আর ওর খোজ নেয় না।পিয়াস নিজেও আর কাউকে মনে করতে পারে না শুধু মনে রেখেছে ওর নীলাকে।সবসময় নীলাকে নিয়েই ভাবে ওহ।পিয়াস ভাবে একদিন হয়তো নীলা ঠিক ফিরে আসবে আর ডাক দিবে পিয়াস বলে।সেই আশাতেই এখনো বেঁচে আছে পিয়াস।তাইতো এভাবেই যতদিন বাঁচবে পিয়াস সে মনে করবে নীলা তার থেকে দূরে নয় আছে তার অস্তিত্বে আছে তার কল্পনায়।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২০৯৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now