বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অন্যরকম ভালোবাসা পর্ব-১

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান তারেকুল ইসলাম রায়হান (০ পয়েন্ট)

X রাত ১১টা বাজে।রাস্থায় অন্যমনস্ক হয়ে নিরবে কাদতে কাদতে হাঁটছি।আর ভাবছি কেন রিয়া আমার সাথে এরকম করলো।কি এমন করলাম যার জন্য এত বড় শাস্তি আমাকে দিল।ভাবনার ইতি ঘটল আম্মুর কলে। -কই তুই এখন?বাড়িতে ফিরবি কখন?এত রাতে কই তুই? -রাত মাত্র ১১টা।আর এটাকে তুমি এত রাত বলছ।বাসায় থাকলে রাত ১২টায় আসতাম। -এটা শহর না।গ্রামে এত রাতে বাইরে থাকা উচিত নয়।বাড়িতে আয় তাড়াতাড়। -রিয়ার বিয়ে শেষ??? -হমমম।এখন তাড়াতাড়ি আয়। -আচ্ছা আসছি। টুট টুট টুট টুট কিছুদিন আগে অফিস থেকে বাসায় ফিরছিলাম।বৃষ্টি হচ্ছিল।তাই পুরো ভিজে গিয়েছিলাম।কম্পিত শরীর নিয়ে বাসার সামনে এলাম।এসে দেখি বাসা তালা।তাই আম্মুকে কল করলাম।আম্মু বলল তারা নাকি মামার বাড়িতে গিয়েছে।রিয়ার বিয়ে এক সপ্তাহ পর।এটা শুনে মাথার উপর যেন আকাশ ভেঙে পড়ে।রিয়ার বিয়ে!আমাদের পাঁচ বছরের রিলেশনের কী হবে।আমি তাড়াতাড়ি বাসায় ঢুকে রিয়াকে কল করলাম।ফোন অফ।আমি অনবরত কল করেই যাচ্ছি।কিন্তু কোন কিছু হচ্ছে না।রাতে ঘুম হয়নি।সারারাত ভাবেছি কি হচ্ছে এটা।রিয়া বলেছিল আমার জন্য অপেক্ষা করবে।আমি একদিন এসে মামাকে বলব আমাদের কথা।কিন্তু রিয়া আমাকে ছেড়ে আরেকজনের সাথে থাকতে পারবে।এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পরলাম মনে নেই।সকালে আম্মুর কলে ঘুম ভাঙল। -হ্যালো রায়হান।তুই আজকে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে তুর মামার বাড়িতে চলে আস।রিয়ার বিয়ের সব কাজ তো তুকেই করতে হবে। -আচ্ছা আম্মু রিয়া কী এই বিয়েতে রাজি। -রাজি হবে না কেন?কত ভালো ছেলে।আমেরিকায় থাকে।বিয়ের পর রিয়াকে আমেরিকায় নিয়ে যাবে।আর কত এবার বিয়ে হয়েই যাব। -আমি ছেলে সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করিনি।আগে বল রিয়া বিয়েতে রাজি কি না? -হ্যা রিয়া এই বিয়েতে রাজি।আর তুই বাড়িতে চলে আাসিস। টুট টুট টুট টুট অফিস থেকে ছুটি নিয়ে বিকালের বাসে উঠলাম।আর আগের কথা ভাবছি।রিয়ার সাথে খুব বেশি দেখা হত না। মোবাইলেই বেশি কথা হত।দেখা হলে আমরা একসাথে হাত ধরে নদীর পাড়ে হাটতাম।রিয়া আমার কাধে মাথা রেখে বলত-আচ্ছা রায়হান তুমি আমাকে ছেড়ে অন্য কারোর কাছে চলে যাবেনাতো? আর আমি বলতাম -নারে পাগলি।তোকে ছেড়ে কোথাও যাব না।কিন্তু আজ সেই আমাকে ছেড়ে আরেকজনের কাছে চিরকালের জন্য চলে যাচ্ছে।কনডাক্টরের ডাকে বাস্তবে ফিরলাম। -ভাই উঠেন বাস আর সামনে যাবে না।নেমে পরেন। -হমমমম।এখানেই নামব। কিছু দিন আগেও এখানে এসেছিলাম।কিন্তু ভাবতে পারিনি আজ আমি এই অবস্থায় থাকব।(চলবে) প্রথমবার গল্প লিখলাম।ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অন্যরকম ভালোবাসা
→ অন্যরকম ভালোবাসা পর্ব-৬ এবং শেষ
→ অন্যরকম ভালোবাসা পর্ব-৫
→ অন্যরকম ভালোবাসা পর্ব-৪
→ অন্যরকম ভালোবাসা পর্ব-৩
→ অন্যরকম ভালোবাসা পর্ব ২
→ অন্যরকম ভালোবাসার গল্প
→ এক অন্যরকম ভালোবাসা
→ এ তো অন্যরকম একটি ভালোবাসার গল্প
→ এক অন্যরকম ভালোবাসা
→ পরোপকারী মানুষ : একটি অন্যরকম ভালোবাসার গল্প
→ অন্যরকম ভালোবাসা
→ এক অন্যরকম ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now