
সারা: জানো আপু আমার না বেড়াতে দারুণ লাগে।
পুষ্পিতা : আমারও।
রনি: সবাই মজা নিয়ে ব্যস্ত কেউ আমার কথা ভাবছে না।

আমি: কেনো দাদু তোমার আবার কি হলো??
ইসরাত: আপু বুঝতে পারছো না।
আমি: কি?? ইসরাত
ইসরাত : তোমার দাদুতো ওই কাগজকুড়ানিকে না পাওয়ার শোক পালন করছে।



সবাই:



আমি: বলছি তো এখান থেকে যাওয়ার আগে তোমাকে বিয়ে দিয়ে তারপর পাঠাবো।
রনি: আচ্ছা তাহলে ঠিক আছে।
এরপর সবাই বলতে লাগল আচ্ছা আপু আজ আমরা কখন নদীর ধারে যাব??
আমি: দুপুরের খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে।
সবাই: হুররে
সবাই দুপুরের খাবার খাওয়া শেষ করে একটু বিশ্রাম নিয়ে রওনা হলাম নদীর ধারে যাওয়ার জন্য।
নদীর ধারে পৌঁছে সবাই ঘুরাঘুরি করতে লাগল।আর আমি আমার বান্ধবী শিল্পী কে ফোন করে সেখানে ডেকে নিই।
শিল্পী : হাই রিয়া। কেমন আছিস??
আমি: হ্যালো। আলহামদুলিল্লাহ ভালো।তুই?
শিল্পী : আমিও।
এই সময় দেখি নদীর ধারে যে ৪৫বছর বয়সী পাগল থাকে সে দাদুকে আই মিন রনি ভাইয়াকে বিরক্ত করছে।
হৃদয়: রুবি আপু এদিকে আসো।
আমি: আসছি।কি হইছে??
হৃদয়: রনি ভাইয়ার থেকে জান ।
আমি : কি হইছে দাদু?
দাদু: উনি আমাকে দেখে বলছে আমি নাকি ওনার প্রাণপ্রিয়। 

আমি: তাই?? তাহলে তো ভালোই



দাদু: না মোটেও ভালো না।
সুস্মিতা : কেন??
দাদু: কারণ ওনাকে আমার পছন্দ না।
মফি : কি বল রনি বাবু
তানিম : ওই রনি উনি তো কাগজ কুড়ানির থেকে অনেক ভালো।তাহলে সমস্যা কি??

ইসরাত: ঠিকই তো।
আমি : সবাই চুপ কর।শিল্পী দেখ তো কিছু করতে পারিস কি না?
শিল্পীর সাহায্য ওই প্যারা থেকে মুক্তি পেলাম।তারপর সবাই বাড়িতে চলে আসলাম।
সবাই: কাল কোথায় যাব??
আমি : সুন্দরবন।
রনি: কিন্তু আমরা তো আগে একবার সুন্দরবনে গেছি।
আমি: ঠিক।কিন্তু সেটা ছিল খুলনা দিয়ে।আর আমরা যাব শ্যামনগর দিয়ে।যেখানে প্রায় সব পশুপাখি দেখা যায়।
সবাই: তাহলে তো ভালোই।
সবাই খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ল।সাথে আমিও। তাই ঘুম থেকে উঠে আবার লিখব।
★★এটা আমার নিজের লেখা প্রথম গল্প।তাই ভুলত্রুটি ক্ষমা করবেন★★★
