বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জীবনের একেকটা মুহূর্ত সময়ের ব্যবধানে কিরূপ হয়!

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান SHUVO SUTRADHAR (০ পয়েন্ট)



X আমার নিজ জ্ঞানের আলোকে আমি জীবনের একেকটা মুহুর্ত সময়ের ব্যবধানে কিরূপ হয় তা বলব............ আমরা যখন মায়ের গর্ভ থেকে ভুমিষ্ট হই তখন থেকে আমাদের জীবন শুরু হয়। আমাদের এই সময়ে কোনো ধরাবাঁধা থাকে না। আমরা সেই সময় পরিবার তথা মায়ের কাছ থেকে কিছু কিছু সামাজিক আচরন শিখতে শুরু করি। সেটা হচ্ছে জীবনের প্রকৃত আচরন। সেই আচরন হোক ভাল বা মন্দ। তাইতো একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি বলেছিলেন তোমি আমাকে একজন স্বশিক্ষিত মা দাও আমি তোমাকে শত শিক্ষিত জাতি দিব। সে সময় মা যে শিক্ষা দিবে শিশুটি সেই শিক্ষাই গ্রহন করবে। কারন তখন তার মধ্যে ভালো মন্দ বিচার করার প্রযাপ্ত জ্ঞান থাকে না। তখন তাকে যা শিখানো হবে সেটিই তার কাছে ভালো মনে হবে সেটা হোক ভাল বা মন্দ। এভাবে তার পাঁচ বছর কেটে যায়। যখন সে প্রথম শ্রেনিতে ভর্তি হয় তখন থেকে তার দায়িত্ব শুরু হয়ে যায় নিজের প্রতি। তখন তার জ্ঞানের পরিধির পরিব্যাপ্তি শুরু হয়। আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হচ্ছে ছাত্রজীবন। আমাদের জীবনকে একটি দালানের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। আর সেই দালান তৈরি শুরু হয় ছাত্রজীবনের শুরু থেকে। আমরা নিশ্চই সাত তলা, দশ,তলা ঘর দেখেছি সেই ঘর তৈরি করা হয় ভিতের উপর নির্ভর করে। যদি দালানটির ভিত শক্ত না হয় তাহলে দালান ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। আমাদেরও এই সময় ভালো করে লেখাপড়া করে জীবনের দালানটির ভিত শক্ত করতে হবে নয়তো ঘরটি ভেঙ্গে যাবে। এভাবে চলে যায় ছাত্র জীবন। যে তার জীবনের দালানটির ভিত শক্ত করে তৈরি করে তার দালান তৈরিটি সফল হয় আর যে ভিত শক্ত না করে জীবনের দালানটি তৈরি করে তার জীবনের দালানটি ছাত্রজীবনেই ভেঙ্গে যায়। যে জীবনের দালানটি ভিত শক্ত করে তৈরি করতে পারে সে তখন ভালো একটি পর্যায়ে চাকরী করে নয়তো ভালো একটা ব্যাবসা করে অথবা আরও ভাল কিছু । এবং বিয়ে করে বউ ছেলেমেয়ে নিয়ে সুখে থাকতে শুরু করে। অন্যদিকে যে জীবনের দালানটির ভিত শক্ত করতে পারেনা তার দালানটি ভেঙ্গে যায় এবং ছাত্রজীবনের তার পরিসমাপ্তি ঘটে। তারপর সে কৃষিকাজ, দোকানের কর্মচারী, ঠেলাগাড়ি চালক, রিক্সা চালক ইত্যাদি কাজ করে থাকে। যা জীবনের আনন্দের জন্য পর্যাপ্ত নয়। দিনে একবার খেলে অন্যবার খাওয়ার আশা থাকে না। তারমধ্যে একটি বিয়ে করলে বউ তারপর ছেলেমেয়ে। খুব কষ্ট করে চলতে থাকে পরিবারটি। এভাবে অনেক বছর চলে যায়। তারপর ব্যাক্তি প্রবীণ সময় পার করে। সেই সময়টি তারা সমাজের বুঝা হয়ে বাস করে। সেই সময় পার করে ছেলেমেয়েকে দেওয়া প্রাপ্ত শিক্ষার আচরনের উপর। বাবা-মা যদি ছেলেকে ভাল শিক্ষা দিয়ে থাকেন তাহলে তাদের সেই সময় খুব ভালো যাবে নয়তো না। আমাদের জীবনের সময়টা হচ্ছে একটি ফেনের মতো। যা সময়ের ব্যবধানে চক্রাকারে ঘুরতে থাকে। আমরা যে সময়টি পার করে চলে যাই সেই সময় ফিরে পাওয়া যায় না কিন্তু সেই সময়ের মুহুর্ত অন্য এক ব্যাক্তি পার করে। আমার লিখিত মনোভাব অনেকের জ্ঞানের সাথে নাও মিলতে পারে সেটাই স্বাভাবিক। কারন সবার বিচার বুদ্ধি এক নয়। [ আমার প্রকাশিত গল্পসমূহ সব আমার নিজের লেখা তাই দয়া করে আমার নাম ব্যাতিত আমার লেখাগুলো কপিরাইট করবেন না।]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৫৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...