বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা গায়িকা শাকিরার জীবনী।
"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S.A (০ পয়েন্ট)
X
কলম্বিয়ার, বার্রানকিলাতে তাঁর জন্ম ও
বেড়ে ওঠা। স্কুল জীবনে সরাসরি উপস্থাপনার
মাধ্যমে তিনি তাঁর প্রতিভার প্রকাশ
ঘটাতে শুরু করেন। সেখানে তাঁর নিজস্ব
বেলি ড্যান্সিং-এর সাথে তিনি তাঁর
কণ্ঠে স্বার্থকভাবে রক অ্যান্ড রোল ,
ল্যাটিন, পূর্ব মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গীত
ফুটিয়ে তুলতেন। শাকিরার মাতৃভাষা
স্পেনীয় হলেও, তিনি অনর্গল ইংরেজি
, পর্তুগিজ , এবং ইতালীয় ভাষায়
কথা বলতে পারেন।
কলম্বিয়ার স্থানীয় প্রযোজকদের
সহায়তায় শাকিরার সঙ্গীত জীবনের
প্রথম দুইটি অ্যালবাম প্রকাশ পায়, কিন্তু
সেগুলো কলম্বিয়ার বাইরে খুব
একটা পরিচিতি পায় নি,
এবং সেগুলো ব্যবসায়িকভাবে সফল
না হওয়ায় শাকিরা পরবর্তীতে নিজেই
নিজের অ্যালবাম প্রযোজনার সিদ্ধান্ত
নেন। ১৯৯৫ সালে তাঁর নিজস্ব
প্রযোজনায় অ্যালবাম পিয়েস
দেসকালসোস ( Pies Descalzos ) প্রকাশ
পায়; যা তাঁকে লাতিন আমেরিকা ও
স্পেনে খ্যাতি এনে দেয়,
এবং তাঁকে একজন রহস্যময়
সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে চিহ্নিত করে।
কিন্তু ১৯৯৮ সালে দোন্দে এস্তান
লোস লাদ্রোনেস ( ¿Dónde Están Los
Ladrones? )
অ্যালবামটি শিল্পী হিসেবে তাঁর
গুরুত্ব বাড়াতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে। এই অ্যালবামটির জন্য তিনি
রোলিং স্টোন, অল মিউজিক গাইড , এবং
বিলবোর্ড ম্যাগাজিনের সঙ্গীত
সমালোচকদের কাছ
থেকে উৎসাহব্যাঞ্জক সাড়া পান।
তিনি দুইবার গ্র্যামি পুরস্কার , সাতবার
ল্যাটিন গ্র্যামি পুরস্কার পেয়েছেন।
তিনি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারের
জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন। বিএমআই-
এর তথ্যানুসারে, তিনি কলম্বিয়ার
সর্বকালের সবচেয়ে বেশি অ্যালবাম
বিক্রিত শিল্পী, এবং সেই
সাথে তিনি ব্যবসায়িকভাবে সফল
দ্বিতীয় ল্যাটিন অ্যামেরিকান
নারী শিল্পী, যাঁর অ্যালবাম
বিশ্বব্যাপী পাঁচ কোটি কপি বিক্রিত
হয়েছে। এছাড়াও তিনি দক্ষিণ
আমেরিকা থেকে সুযোগ
পাওয়া একমাত্র শিল্পী যিনি
যুক্তরাষ্ট্রের বিলবোর্ড হট ১০০ ,
কানাডিয়ান বিলবোর্ড হট ১০০ ,
অস্ট্রেলিয়ান এআরআইএ চার্ট , ও
ইউকে সিঙ্গেলস চার্ট -এ প্রথম স্থান
পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।
হলিউড ওয়াক অফ ফেইম -এ একজন
তারকা হিসেবে শাকিরা পুরস্কৃত
হয়েছেন।
প্রাথমিক জীবন♦
শাকিরা ১৯৭৭ সালের, ২ ফেব্রুয়ারি
কলম্বিয়ার বার্রানকিলাতে জন্ম গ্রহণ
করেন। তিনি ছিলেন তাঁর
মা নিদাইয়া দেল কারমেন রিপোল
তোর্রাদো এবং লেবানিজ বংশোদ্ভূত
বাবা উইলিয়াম মেবারাক শাদিদের
একমাত্র সন্তান। শাকিরার মোট
ভাইবোনের সংখ্যা আট, যাঁরা সবাই
তাঁর বাবার আগের স্ত্রীর গর্ভজাত।
আরবিতে শাকিরা শব্দের অর্থ “কৃতজ্ঞ”।
এটি আরবি “শাকির” শব্দের
স্ত্রীলিঙ্গ। তাঁর নামের পরবর্তী অংশ
“ইসাবেল”এসেছে তাঁর দাদির
নামানুসারে। এর অর্থ “আমার ঈশ্বর আমার
প্রতিজ্ঞা”, “আমার ঈশ্বরের ঘর” বা “”।
তাঁর দ্বিতীয় ডাকনাম রিপোল এসেছে
ক্যাটালান থেকে। শাকিরা তার
যৌবনকালের বেশিরভাগ সময়
কাটিয়েছেন উত্তর কলম্বিয়ার শহর
বার্রানকিলায়। ভালো বুদ্ধিমত্তা ও
আইকিউ পরীক্ষায় ভালো স্কোর করার
জন্যও শাকিরা বিশেষভাবে পরিচিত।
মাত্র চার বছর বয়সে শাকিরা তাঁর প্রথম
কবিতাটি লেখেন, যার শিরোনাম
ছিলো “লা রোসা দে ক্রিস্টাল” (La
Rosa De Cristal), অর্থাৎ “ক্রিস্টাল
গোলাপ”।
অভিনয়♦
শাকিরা ১৯৯৫ সালে কলম্বিয়ান
টেলিনোভেলা এল ওয়াসিস -এ
লুইসা মারিয়া চরিত্রে অভিনয় করেন।
সম্মাননা♦
ওয়াকা ওয়াকা এবং ২০১০
ফিফা বিশ্বকাপ
কে-মিক্স ভার্সনে রচিত
ওয়াকা ওয়াকা (দিস টাইম ফর আফ্রিকা)
গানটি শাকিরা’র ৭ম স্টুডিও এ্যালবাম
স্যাল এ্যাল সোলেতে অন্তর্ভূক্ত
হয়েছিল। ১০ জুন, ২০১০ সালে দক্ষিণ
আফ্রিকার সোয়েটোতে অনু্ষ্ঠিত
ফিফা বিশ্বকাপের
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ফ্রেশলীগ্রাউন্ড ব্যান্ড দল নিয়ে ওয়াকা ওয়াকা
গানটি পরিবেশন করার বিরল সৌভাগ্য
অর্জন করেন। এছাড়াও, ১১ জুলাই, ২০১০
সালের চূড়ান্ত খেলার পূর্বেও ঐ একই
গান পরিবেশন করেছিলেন তিনি ও
তার দল।
গানটি বিশ্বকাপে দাপ্তরিকভাবে নির্বাচিত করা হলে শাকিরা বেশ উৎফুল্ল
হন। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যক্ত
করতে গিয়ে তিনি বলেন,
“ আমি বেশ সম্মানিত বোধ
করছি। ওয়াকা ওয়াকা গানটি
উদ্দীপনা ও উজ্জ্বীবিতমূলক এবং ২০১০
সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য সম্মাননা বয়ে নিয়ে
আসবে।”
[Collected]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now