বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
চাই তোমায় - পর্ব-০১ - অবহেলা (p.3 of 3)
তিন.যাদের দুটোর একটাও করি না।
সাধারনত, তৃতীয় ধরনের মানুষের সাথেই আমাদের ওঠা বসা,জীবনযাপন।স্বাভাবিক ব্যাবহার,সামাজিক রীতিনীতি এদের সাথেই চলে।
আর প্রথম দুধরনের মানুষ খুব অল্প সময়ের জন্য থাকে।আর সেটুকু সময়েই তারা পুরো জীবনটা তছনছ করে দেয়।
কাউকে ভালোবাসা বড্ড মহাপাপ।আর যদি তা এক পাক্ষিক থাকে তবে এর থেকে কারো ক্ষতি করে শত্রু হয়ে থাকা ভালো।অন্তত অবহেলা সহ্য করা লাগে না।
ছেলেটি তার এই আটমাসের অভিজ্ঞতা থেকে অন্তত এটায় মনে করে।
ছেলেটি একাকি বদ্ধ ঘরে চিৎকার করে বলে,' কি করেছি আমি?একটু ভালোই তো বেসেছি, তাকে ভালো রাখতে চেয়েছি, সে যেন খুশি হয় এজন্য পছন্দের খাবার খাওয়েছি,ইম্প্রেস করতে কত না ড্রামা করেছি,গিফট দিয়েছি যেন ও একটু খুশি হয়,একটু সময় অন্তত আনমনা হয়ে হাসে।'
মেয়েটি হয়ত খুশি হয়েছিলো,ভালোই ছিলো ছেলেটির ভালোবাসায়।কিন্তু মানুষ জাতির বড় একটা স্বভাব,কোন দামী জিনিস যদি সস্তায় পেয়ে যায় তবে সে কেন জানি তার উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।নিজকে অনেক বড় কিছু মনে করে। মনের অজান্তেই হয়ত যে মানুষটি তাকে ভালোবাসত সে ছোট হতে থাকে,অবহেলিত হতে থাকে।
আবার মানব জাতির আরো বড় একটি স্বভাব,'সে অবহেলা সহ্য করতে পারে না।'
আর এজন্যই, যে ভালোবাসে সে অবহেলিত হয় আর যে ভালোবাসে না সে অবহেলা করে,দিন শেষে জয়ী হয়,পাশবিক আনন্দে একটা হাসি ফুটে ওঠে তার চোখে মুখে। তখন অপরজনের চোখ দিয়ে বেয়ে পড়ে অশ্রু।
চলবে...
<
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now