বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নেহাতই হাসি পাচ্ছে মন আনন্দে ভরে উঠছে যখন স্মৃতির পাতা থেকে শৈশবের কথা কড়া নাড়লো তখন আমার সেই শৈশবের দিন গুলোর গভীরে মন ডুব দিলো যাই হোক আমার শৈশব কেটেছে আবার দাদুর বাড়ি আবার নানুর বাড়িওও পাশাপাশি গায়ে তো তাই যাওয়া আসাতে কোনো কমতি ছিলো না আমি আমার মায়ের কাছ থেকে শুনেছি যে আমি যখন ছোট ছিলাম দেখতে নাকি ভিশন নাদুসনুদুস মিষ্টি ছিলাম গোলগাল চেহারা আলুথালু দেখতে যাকে দেখা মাত্রই আদরে ভরিয়ে দিতে ইচ্ছে জাগতো সকলের মন কুঠোরে মা বলে আমি নাকি তাদের কোলে গেলে খালি প্রসাব করে দিতাম হিহি কি লজ্জা কি লজ্জাজনক কথা তাও আবার নিজের আমি আমার নানির বাড়িতে জন্মে ছিলাম আমার নানি বাড়ি আমার দাদা বাড়ি থেকে বিশ ঘর পরে ছিল নানি আমার নাম রেখেছিলেন কাওছার কুরআনের সূরা কাওসার থেকে আমি যখন শবে এক বছর উপনিত হই তখন আমি কথা জানতাম না শুধু তাকিতুকি করে থাকতাম বয়স দুই তিন চার পাঁচ ছয় পাড় হয়ে গেলো আমি কথা বলতে শিখলাম মা বলে কিন্তু আমি হাঁটতে পারি না আমার পায়ের সামনের অংশ মাটিতে পড়ে কিন্তু পিছনের অংশটা মাটির সাথে বোধকরি আরি আরি তাই পড়ে না মাটির সাথে গায়ের ভাষায় যাকে বলে ল্যাংরা আমি এখনো সেই ল্যাংড়িয়ে ল্যাংড়িয়েইই হাঁটি গায়ের অনেক মানুষ বলতো বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে কেউ বা বলতো ভুমিকম্পের সময় পা ধরলে ঠিক হয়ে যাবে অনেক বার ধরা হলেও ঠিক হলো না তাই অপারেশন করা হলো তাও ঠিক হলো না শৈশব আমার রঙিন ছিলো কৈশোরের থেকে আবার কৈশোর আমার রাঙা ছিল যৌবনের থেকে এখন যৌবন আমার সুখের ছিল বয়স্কের মরিচিকায় তাই তো আমার মনের কুঠিরে শৈশবের স্মৃতির পাতা উল্টিয়ে যায়
(সমাপ্ত)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now