বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালোবাসার সম্পর্ক

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান RJ Raj (০ পয়েন্ট)



X ভালোবাসার সম্পর্ক কখনোই কোন পরিবার মেনে নেয়না, আগেও নিতোনা তবুও এখন যে সময়টা চলছে, এইসময়ে ভালোবাসার সম্পর্কে বিয়ে করাই ভালো। জোর করে কাউকে কবুল বলানো যায় হয়তো তবে বিয়ে দেয়া যায়না অথবা বিয়েটা হয়ে যায়না। আপনি কি মনে করেন,একটা মেয়েকে জোর করে কবুল বলাতে পারলেই বিয়ে হয়ে যায়? অথবা বিয়ে মানেই কি কবুল, কবুল,কবুল? কখনোই না! বিয়ে মানে দুটো মনকে একসাথে জড়িয়ে দেয়া। সেই মনগুলো যদি এক না হয় সেই জড়ো বাধ কখনো শক্ত হয়না। যেকোন সময় ছিঁড়ে বা খুলে যেতে পারে।। সময়ের সাথে আমাদেরকো অনেক কিছুই মেনে নিতে হয়। এখন সময়টাই এমন, যার যাকে ভালো লাগে সে যেমনই হোক সে তাকে নিয়েই সুখী। একটা ছেলে ও মেয়ের গলায় জোর করে কাউকে ঝুলিয়ে দিবেন না! কারো মনের উপর জোর খাটেনা। বিয়ে মানে কি শারীরিক চাহিদা মেটানোর স্বীকৃত নিয়ম? শারীরিক চাহিদা তো পতিতাও তার খদ্দারও মেটাতে পারে তবে কি দরকার এসব বিয়ে,টিয়ে! আমদের শারীরিক চাহিদা কতটুকু সময়-কাল কতটুকু? যতক্ষন শরীরে উত্তেজনা ততক্ষনই তো? উত্তেজনা শেষ তার মানে একে-অপরের প্রয়োজন শেষ? যা প্রতিটি মুহুর্তে থাকে তা হলো আমাদের ভালোবাসা। ভালোবাসা মন থেকে নির্গত হয় প্রতিটি মুহুর্তে ভালোবাসাটাই যদি না থাকে বিয়ের মানেটাই কি? আসলে আমাদের কিছু অবিভাবক হলো লোভী টাইপের। তারা মনে করে অর্থ-সম্পদ ওয়ালা পাত্র-পাত্রী হলেই হয়তো ছেলে-মেয়েরা সুখী হয়। তাই তারা বড় পরিবারের সাথে সম্পর্ক করার জন্য নিজেদের ছেলে মেয়ের মনটাকে পছন্দ ও ইচ্ছাকে হত্যা করে দেয়। কে বলে মা-বাবারা স্বার্থ দেখেনা? হাহাহা এটা ভুল ধারণা! পরিবারও নিজ স্বার্থ খুঁজে বেড়ায়,তারাও বড় পরিবারের সাথে যুক্ত হয়ে নিজেদের সম্মানে ও নামের জন্য পাগল হয়। এর জন্য তারা নিজেদের ছেলে-মেয়ের মন ভাঙ্গেতেও বিন্দু পরিমান নিজোর বিবেকের ব্যবহার করেনা। মা-বাবারা আমাদের জীবনের এই অধিকারটা ছিনিয়ে নেয় নিজেদের ব্যাক্তিত্বের কথা ভেবে। অথচ যেটা তাদের ব্যাক্তিত্ব সেটা আমাদের একটা বড় অধিকার। স্বার্থপরতা কেবল নিজের জন্য ভেবে যাওয়াই নয়। সামর্থ থাকা শর্তেও কারো মনের ইচ্ছা পূরন না করাও স্বার্থপরতা যা অনেক অবিভাবকরাই করে। নিজের ইচ্ছার জন্যে অন্যের ইচ্ছা ভাঙ্গা বড় স্বার্থপরতা। বিঃদ্রঃ আমার পোষ্ট একটু ব্যতীক্রমধর্মী তাই কষ্ট পেলে ক্ষমা করবেন এবং যুক্তিসহ সমলোচনা করবেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫৬৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...