বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
দিল্লির জামে মসজিদের ১নং গেইটের ঠিক সামনের দিকে একটি হোটেল আছে ,নাম রেহমাতুল্লা হোটেল। মাত্র ৩০ টাকায় হোটেলটির বিখ্যাত খাবার গরুর পায়া এবং নান রুটি পাওয়া যায় এবং সাথে অসাধারণ একটি দৃশ্য দেখার সৌভাগ্য হয়। হোটেলের সামনে দিনের তিন বেলাই মুসাফির অথবা অসহায় বা ভিক্ষুক এর ভিড় থাকে। কারন হোটেল মালিক রেহমাত ভাই প্রতিদিন এদেরকে বিনামূল্যে খাওয়ার দিয়ে থাকেন। যা বছরের পর বছর চলে আসছে। উনাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, যা লাভ করছেন তা তো দেখছি সবই বিনামূল্যে বিলিয়ে দিচ্ছেন, দিন শেষে নিজের জন্য কিছু থাকে! এর জবাবে রেহেমাত ভাই এর সহজ সরল উত্তর দিয়েছিলেন, "ইতনা পয়সা ক্যায়া করু ইয়ার। কাফানকাতো কোহি পকেট নেহি রেহতা" এতো পয়সা দিয়ে কি করবো বন্ধু, #কাফনের #কাপড়ের #তো #কোন #পকেট #থাকে #না। একজন সাধারণ মানুষের এই উপলব্ধি সত্যিই অবাক করার মতো। মানুষের উপকার তো তিনি করেছেন ই ,সেই সাথে পরকালের চিন্তাও। গ্রাম কিংবা শহরের এমন কিছু আচার- অনুষ্ঠান এখনও প্রচলিত আছে।যে অনুষ্ঠানগুলোর বড় আকর্ষন হলো পর্যাপ্ত খাবার পরিবেশন। আইটেম ও থাকে নানা রকমের। বাড়িতে কিংবা কমিউনিটি সেন্টার অথবা হোটেলে সবচেয়ে বেশি খাবার অপচয় হয়। টেবিলে প্রচুর খাবার দেওয়া থাকে, খাবারের প্লেটেও হরেক রকমের মজাদার খাবার দেওয়া থাকে। ছোট বড়ো সবার জন্য একই প্লেট। এক প্লেটের খাবার ই হয়তো দুই তিন জন মিলে শেষ করতে পারবে না। তাতে কোন অসুবিধা নেই, প্লেটে কিছু খাবার রেখে দিতে হবে। এটা ভদ্রতা ,সব খাবার খেয়ে প্লেট খালি করলে মানুষ অভদ্র ভাববেন। অনেই চারভাগের একভাগ খেয়ে প্লেট রেখে হাত ধুয়ে যান, অথচ খাবারের আশায় আশে পাশে অনেক টোকাই , গরীব অসহায় ছেলে মেয়েদের ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। যাদের অনেকেই একমুষ্টি খাবারের জন্য অনেকের মারধর, নির্যাতন ও অপমান সহ্য করে। আমাদের অভিজাত শ্রেণীর ভদ্র লোকেরা খাবার নষ্ট করাকে ফ্যাশন মনে করেন। অনেক শিক্ষিত লোকেরা ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছাকৃত হোক অন্যের দেখা দেখি খাবারের কিছু অংশ রেখে দেন, যদি সব খেয়ে ফেলে তাতে যদি অভদ্রতা মনে করেন। খাবার অবচয় করাকে যারা ভদ্রতা মনে করেন, তারাই সবচেয়ে প্রকৃত অভদ্র। অতিরিক্ত বা উৎচিষ্ঠ খাবার প্রয়োজনে গরিবের দুখিদের মাঝে বিতরণ করলে সমস্যা কোথায়? তাতে হয়তো কিছু লোকের ক্ষুধা নিবারন হবে, আবার সব খাবার সঠিক ভাবে কাজেও লাগবে। কোন প্রকার অপচয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না, খাবারের অপচয় কখনো ভদ্রতা বা ফ্যাশন হতে পারে না, এই সত্য উপলব্ধি করতে জানতে হবে আমাদের সকলকে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now