বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ইমন আর রাকিব দুই বন্ধু। একই গ্রামে থাকে আর গ্রামের ভিতর ওরা দুজনই শুধু গ্রামের বাহিরের স্কুলে পড়ে ও একই হোস্টেলে থাকে।তখন গরমকাল প্রায় শেষ ওরা প্রতিদিন বিকাল চারটার দিকে হোস্টেল থেকে হেঁটে বাড়ি যেত রাতের খাবার আনার জন্য এবং সাড়ে পাঁচটার দিকে আবার গ্রাম থেকে একসাথে হোস্টেলে যাওয়া জন্য বের হতো।একদিন ইমনের শরীর খারাপের কারনে রাতের খাবার আনতে যেতে পারল না।তাই ও রাকিবকে বলল, ওর বাড়ির থেকে যেন রাতের খাবার আনে।রাকিব প্রতি দিনের মতো বাড়ি থেকে ওর খাবার ও ইমনের খাবার নিয়ে হোস্টেলের দিকে রওনা হলো। বলা ভালো ইমন আর রাকিবের গ্রামের শেষ প্রান্তে একটা ৭১ আমলের পুরনো কবরকানা আছে।কিন্তু অনেক পুরনো হওয়ার কারনে গ্রামের লোকজন গ্রামের ভিতর আরেকটা নতুন কবরখানা বানিয়েছে।গ্রামের লোকে বিশেষ করে মুরব্বিরা বলে যে,পাকিস্তান আমলে ওইখানে মিলিটারিরা লোকজন বেঁধে নির্যাতন করত ও মেরে লাশ গর্তে পুঁতে দিত। তারপর আস্তে আস্তে ওইজায়গাটা কবরখানায় পরিণত হয়।তারপর বেশ কিছুদূর পরে হিন্দুদের জেলেপাড়া। জেলেপাড়ার পর পরিত্যক্ত অনেক বড় কাছারিঘর ও বিশাল তেতুঁল গাছ।সেখান থেকে ওদের হোস্টেল ১৫ মিনিটের পথ।কিন্তু ইমন সাথে থাকলে ওরা বিলের রাস্তা দিয়ে একটু বেশি সময় ধরে যায়।আজ সাথে ইমন নেই তাই রাকিব কবরখানার দিক দিয়ে শটকাট নিল। ইমন আর রাকিবের মধ্যে রাকিব খুব একটা ভূত-প্রেত বিশ্বাস করত না। এমনকি প্রতিদিন ইমনের জন্যে সে এত পথ হাঁটত।রাকিব প্রথমে কোনো সংকচ ছাড়াই কবরখানা অতিক্রম করে তারপর হঠাৎ জেলেপাড়া রেখে কাছারিঘরের কাছে এসে বৃষ্টি শুরু হলো। রাকিব তখন কাছারিঘরের বারান্দায় দাঁড়াল।এদিকে বৃষ্টি যখন থামল তখনও অন্ধকার হইনি কিন্তু হালকা আবছা আলো আছে।রাকিব যখন চলা শুরু করল তখন ওর চোখ আটকে গেল তেঁতুল গাছের একটা ডালে আাবছা আলোতেও ও যেন দেখলো লাল একটা পা এবং ও চমকে ওঠল। ও খুব তাড়াতাড়ি হোস্টলে গেল।লাল পায়ের চিন্তায় ও বৃষ্টির মধ্যেও ঘেমে গেল।হোস্টেলের একটা রুমে শুধু ইমন আর রাকিব থাকত।রাতে খাবার পর রাকিব ইমনকে একবারও রাস্তার লাল পায়ের কথা বলেনি কিন্তু ইমন ওকে জিজ্ঞাসা করে,আসার সময় অনেক ঘেমে ছিল কেন?তখন রাকিব লাল পায়ের কথা বলার সময় ইমন চুপ ছিল এবং ঘটনা বলার মধ্যে রাকিব ইমনকে বলে লাইটের সুইচটা অফ করে দে। তখন ইমন লাইটের সুইচ অফ করে দেয় তখনই রাকিব কিছু বুঝতে পারি নি।গল্প বলার পর রাকিব চিন্তা করল গল্প বলার সময় ও ইমনের হাত ধরে রেখে ছিল এবং খাট থেকে সুচই বেশ দূরে হাত-পা দিয়ে নাগাল পাওয়া যাবে না তাহলে সুইচ অফ করল কে? রাকিব মুখ ঘুরিয়ে ইমনের দিকে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দেখে ইমন হাঁসছে আার বলছে রাকিব দেখতো তুই এই পা টা দেখেছিলি কি না। রাকিব ওর পায়ের দিকে তাকিয়ে দেখল তেঁতুল গাছের সেই লাল পা।সাথে সাথে রাকিব অজ্ঞান। সকালে যখন ওর জ্ঞান ফেরে তখন ও দেখে ও হসপিটালে তখন ওর স্যার, ওকে বলে রাতে কি হয়েছিলো। রাকিব স্যারকে রাতের সব ঘটনা বলে তখন স্যার ওকে বলে কিন্তু ইমন তো তোমার যাবার পর বাড়ি চলে গিয়েছিল আার রাতে তুমি রুমে একাই ছিলে।একথা শুনে রাকিব অবাক।[সমাপ্ত]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now