বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
একটা সময় ছিল যখন আমি আছরের ওযু দিয়ে প্রায়ই মাগরিবের নামাজ আদায় করতাম এবং তাহাজ্জুদও পড়তাম। তখন আমার বয়স ১৩-১৪ হবে।সে সময় মাঝে মাঝে একটা ঘটনা ঘটতো। আমাকে মাঝ রাতে বিছানায় খুঁজে পাওয়া যেত না। তখন আমার মা ভাই বোন অনেক দূরে কোন রাস্তার ধারে অথবা নদীর কিনারে আমাকে খুঁজে পেতো। তখন আমার হুশ থাকত না, আমি জানতাম না কি ভাবে সেখানে আমি পৌছাতাম। সবাই বলতো আমাকে নাকি পরী ধরেছে। আমি বিশ্বাস করতাম না এবং আজ ও করিনা। মাঝে মাঝে এরকম ঘটনা ঘটতো আমার পাশে যে শুয়ে থাকত, তাকে কোলে করে বাইরে চলে যেতাম,সে টেরও পেতো না। একদিনের ঘটনা আমাদের ঘরে অনেক মেহমান এসেছে তাই আমি এক বন্ধুর ঘরে শূয়েছি। তাদের বারান্দা ওয়ালা রুম। ভিতরে বন্ধুর বোন এবং তার স্বামী এবং বারান্দায় আমি এবং বন্ধু শুয়েছি। তার পরের ঘটনা বন্ধুর বোনের মুখ থেকে শুনেছি। তিনি রাত ২-৩টার সময় প্রস্রাব করার জন্য ওঠে যা দেখলেন, নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারলেন না। তিনি দেখলেন তার অত বড় ভাইকে আমি বাচ্চা ছেলের মত কোলে তুলে নিয়ে বাইরে যাচ্ছি আর তার ভাই ঘুমাচ্ছে। এই দৃশ্য তিনি সহ্য করতে পারলেন না, তিনি এত জোরে চিৎকার করলেন যে বাসার সমস্ত মানুষ জেগে উঠলেন এবং আমাকে আটকাতে চাইলেন কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো ১০-১২ লোক আমাকে আটকাতে পারছেন না। আমি এক হাত দিয়ে ধরে ধরে ওদের ছুঁড়ে মারছি। যেন ওরা পুতুল।তখন তাড়াতাড়ি হুজুর ডেকে এনে রখখা। কিন্তু হুজুরের ওষুধে স্তায়ী ভাবে সুস্থ হইনী।সেই থেকে মানুষের বাসায় ঘুমানো নিষেধ এবং রাতে আমি ঘুমালে মা দরজায় তালা দিতেন। এরকম অনেক ঘটনা আছে যা সব লেখা সম্ভব নয়।। মাঝে অনেক বছর কেটে গেছে, বিয়ে-থা করেছি সন্তানের বাবা হয়েছি এখনও সে সমস্যার সমাধান হয়নি। আমার স্ত্রি আগে ভয় পেত, এখন ঠিক হয়ে গেছে। তবে এখন আর বাইরে যাই না, শুধু ঘুমের ঘোরে আবোল তাবোল বকি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now