বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কবিতা আমার বাড়ির পাশের একটা মিয়ে। আমরা এক পাড়ায় থাকি কিন্তু আমাদের দু' জনের বাড়ি একটি নদীর দুই পাড়ে ছিল । নদীতে সব সময় পানি থাকতো চলাচলের জন্য শুধু সেই পুরানো একটি নৌকা । আমারা একসাথে স্কুলে যেতাম স্কুল টা ছিল পাশের গ্রামে নৌকা ছরা যাওয়া যেত না । কবিতা নদীর ও পাশে থেকে আমাকে প্রতিদিন ডাকতো , নিরব স্কুলে যাবি না আই। সে কি কান্না করতাম স্কুলে যাব না বলে । কেও যদি বলে মাঝির বেটা স্কুলে গিয়ে কি করবে সেত বড় হয়ে মাঝিই হবে কত মানুষ হাসাহাসি করতো। তাই কান্না করতাম স্কুলে না যাই বার জন্য। কিন্তু কবিতা আমাকে সাথে না নিয়ে স্কুলে যেতই না আমরা তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। আমরা এক সাথে নৌকা বাইতাম, শাপলা তুলতাম, নদীর ধারে পেয়ারা বাগন থেকে পিয়ারা চুরি করতাম আর কত কি । আমার দিন টাই শুরু হয় কবিতার মুখের ডাক শুনে কত বকতো আমায় ও। জীবনে চলার পথে কবে যে আমরা বড় হয়ে উঠলাম ভাবতেই পরলাম না । একদিন আমরা নদীতে শাপলা তুলতে গেলাম আর সেই দিন টাই ছিল আমার কাল। এত কাছে আমরা থাকি কিন্তু কোন দিন আমার সে ভাবে কবিতাকে দেখা হয় নি । আর যখন নজর করে দেখি তখন কবিতা যেন আকাশের একটা চাঁদ তাঁর শরিলের সব জাইগাই পরিবর্তন এসেছে । মনের ভিতর কেমন যেন করে উঠলো , একটা অচিনা হাওয়া এসে জীবন টা পাল্টে দিয়ে গেল যেন কোন মতেই তার দিক থেকে নজর টা সরছে না। কিবাতা বললো কিরে কি হলো তোর কি দেখছিস ও ভাবে তার কোন কথায় আমার কানে ডুকছে না শেষ পযর্ন্ত ও আমাকে পানিতে ফেলে দেই সে দিন তার মিখের হাসিটা আমার সারা শরিল শিতল করে দিয়ে ছিল। বিকটা অন্য একদিন লেখবো ১ পাট।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now