বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কৌতুক

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Salman al Riyad (০ পয়েন্ট)

X গোপালের শ্বশুরবাড়ির কাছাকাছি কাঙালপাড়া নামেএকটি গ্রাম ছিল। তখনকার দিনে কাঙালপাড়ায় লোকদের ভিষণ বদনাম ছিল। তারা অজানা অচেনা লোককে নানাভাবে অযথা ঠাট্টা তামাসা করে নাজেহাল করত। বলতে গেলে, তখনকারদিনে কাঙালপাড়ার লোকদের পাজি বদনাম ছিল। বাইরের লোককে বাগে পেলেই নাস্তানাবুদ করে ছাড়ত। সেজন্য বাইরের লোক যে না জানত, সে ছাড়া আর কেউই ও পথ মাড়াত না জীবনে কখনও। গোপাল একদিন বিশেষ কার্যোপলক্ষে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিল ওই গ্রাম দিয়ে দিব্যি সেজেগুজে। পরণে পাটভাড়া শান্তিপুরী জমিদার কোঁচানো ধুতি, গায়ে ধবধবে ফর্সা কামিজ, কাঁধে গরদের চাদর। গোপালের সুন্দর সাজ পোষাক করার কারণ শালীর বিয়ে। গোপাল এখানকার কান্ডকারখানা যদি বা জানত কিন্তু অসাবধানাত বশতঃ সে বেখেয়ালে চলে এসেছে। কাঙালপাড়ার একটি পাজি লোক তাকে নাজেহাল করার জন্য তৎপর হলো, গোপালের বিশেষ ধরণের সাজ-পোষাক দেখে সে আরও খুশী হল। সেই পাজী লোকটা পাশের ডোবা থেকে বেশ কিছু কাদা সারা গায়ে মেখে গোপালকে আচমকা জড়িয়ে ধরে মড়া কান্না জুড়ে দিল। ওরে বাইরে এতদিন তুই কোথায় ছিলি রে। সেই এলি সেই এলি রে, আর কটা দিন আগে এলিনা কেন রে। মামু যে তোর কথা ভাবতেভাবতেই পটল তুলল রে। এখন কি হবে রে। আমি যে আর তোর দুঃখে থাকতে পারছি না রে। গোপাল বুঝতে পারলে সে পাজিলোকের পাল্লায় পড়েছে। গোপালের তখন পায়খানা পেয়েছিল, সে তখন বা হাতের চেটোয় পায়খানা করে, সেই লোকটার চেখে মুখে ছিটিয়ে দিয়ে বললে, ওরে আমার প্রাণের দাদা রে দুঃখ করিসনে রে- মামু কি কারও চিরকালবেঁচে থাকে রে। আমার দুঃখে তোকে আর দুঃখ করতে হবে না রে আমাকে দেখ, আমি সব বুঝে কেমন শান্ত হয়েছি। সেই পাজি লোকটা বেশ জব্দ হলো। তার চোখে মুখে গোপালেরপায়খানা লাগায় সে থুথু করতে করতে আর বমি করতে করতে পুকুরের দিকে ছুটে গেল। পায়খানার গন্ধে সে আর থাকতে পারল না। সকলে বলল, কি হল, কি হল ব্যাপার খানা? সেই থেকে পাজি লোকগুলো গোপালকে ঘাটাতে আর সাহস পেত না কোনদিন। আর গোপালও বুক চিতিয়ে গা দুলিয়ে দিব্যি সেই পথ দিয়ে যাওয়া আসা করত মনের আনন্দে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নানা কৌতুকের সমাহার
→ কৌতুক
→ কৌতুকের কাতুকুতু
→ কৌতুক
→ মজার কৌতুক
→ কৌতুক
→ বাংলা কৌতুক
→ কৌতুক
→ কৌতুক পর্ব ১
→ স্যার এবং ছাত্রর কৌতুক
→ মনিব আর চাকরের মজার কৌতুক
→ মজার সব কৌতুক
→ ফ্যামিলি কৌতুক
→ জামাই-বউয়ের কৌতুক
→ ডাক্তার ও রোগীর কৌতুক

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now