বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

"আম্মু"

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Prince (০ পয়েন্ট)



X অফ ডে ব্যাপারটা থাকে না একমাত্র মায়ের। সবকিছুতে লকডাউন হয় শুধু রান্না ঘরে হয় না। লকডাউনের মধ্যেও যার কাজ সবচেয়ে বেশি রানিং থাকে তিনি হলেন মা। রোজা রেখে শুধু শুয়ে থাকতেও কষ্ট লাগে আমাদের অনেকসময়। আর দুপুরের পর থেকে প্রায় ইফতার পর্যন্ত রান্নাঘরে কাটিয়ে দিতে মানুষটার একটুও খারাপ লাগে না। শরবতের জন্য তার কখনও হাহাকার হয় না। ভাত খাওয়ার সময় মুরগীর রানের ইচ্ছা জাগে না। জোর করে দিলেও খাবে না। মায়ের খাওয়ার প্লেটটার মত এত সরল কিছু হয় না দুনিয়াতে। যেন নিজের মনে করে খাচ্ছেন। আমাদের অভিযোগ করার মানুষ আছে, তার তো এমন কেউ থাকে না। রান্নাঘর ব্যাপারটা সিরিয়াস কিছু। অফিস থাকলে, কাজ থাকলে, অন্য যে কোনকিছুতে রোজার মাসে একটু রিল্যাক্স ভাব চলে আসে। পরিশ্রম কম করতে ইচ্ছে করে। কিন্তু রান্নাঘরে এসব চলে না। কম ভালোবাসা দিলে বেগুনির স্বাদ হয় না। রুটি গোল হয় না। মা হয়ত বোঝেন। তিনি কখনও ক্লান্ত হন না। তারপরও আমাদের অসংখ্য মায়েদের আক্ষেপ থাকে স্বামী সংসার নিয়ে। সন্তানরের নিয়ে। তাদের মন মত সবকিছু আমরা করতে পারি না। টেক কেয়ার অফ ইওর মাদার। ভালোবাসার সবচেয়ে বড় আশ্রয়। মন খারাপ করে ফেরার মত আমাদের ওই একটাই জায়গা। যেখানে কোনো প্রত্যাখ্যান থাকে না। মায়েরা সবকিছুই দিতেই পারেন, শুধু ফিরিয়ে দিতে পারেন না...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৫২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...