বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বখাটে

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান FahMiDa SulTaNa (OboNti ) (০ পয়েন্ট)

X বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামুআলাইকুম,,,,আজকে আমি আমার লেখা প্রথম গল্পটি গল্পের ঝুড়িতে শেয়ার করবো।So I Wish ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিবেন। গল্পের নাম : বখাটে ফাহমিদা সুলতানা অবন্তি আলিজা এবং মুগ্ধ একই স্কুলে পড়ত। মুগ্ধ ছিল বড়লোক বাবার অহংকারী ছেলে।আর আলিজা গরীব ঘরের কালো মেয়ে।কোনো ছেলের প্রতি তার ছিল না কোনো দুর্বলতা।but হঠাৎ করে সে মুগ্ধের প্রতি দুর্বল হয়ে পরে। মুগ্ধ অহংকারী ছেলে জেনেও মনের অজান্তে তাকে ভলোবেসে পেলে আলিজা।but তাকে বুঝতে দেয় নি। কিন্তু যখন আলিজার বান্ধবীরা তাকে জোড় করে মুগ্ধকে বলার জন্য আলিজার মনের কথা। আলিজা যখন মুগ্ধকে বলে তখন মুগ্ধ তাকে অনেক অপমান করে। আলিজা কাঁদতে কাঁদতে বাড়িত চলে যায়। তার বিশ্বাস মুগ্ধ একদিন ফিরে আসবে।এর কিছুদিন পর হঠাৎ করে একদিন মুগ্ধ আলিজাকে ফোন করে। আলিজা অচেনা নম্বর দেখে কেটে দেয়, মুগ্ধ আবার ফোন দিলে আলিজা রিসিভ করে। মুগ্ধর কন্ঠ শুনে আলিজা অবাক হয়ে জিগ্যেস করে তুমি আমার নম্বর কোথায় পেলে। মুগ্ধ রহস্যময় হাসি দিয়ে বলে মনের টান থাকলে পাওয়া যায়।আলিজা তা বিশ্বাস করে। তাদের মধ্যে চলতে থাকে খুনসুটি।আলিজার তখন নিজেকে অনেক সুখি মনে হতো। টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে রোজ ফ্ল্যাক্সিলোড করে মুগ্ধেরর সাথে কথা বলত।but হঠাৎ হরে মুগ্ধ আলিজাকে ignore করা শুরু করে। আলিজা অনেক চেষ্টা করে যোগাযোগ করার but she failed। আলিজার হঠাৎ করে মনেহয় মুগ্ধ একটি ক্লাবের কথা বলেছিল যেখানে মুগ্ধ রোজ যেত। আলিজা সেই ক্লাবে গিয়ে দেখে ক্লাবের সামনে মুগ্ধ তার খালাতো বোন প্রাপ্তিকে নিয়ে দাড়িয়ে আছে। মুগ্ধ আলিজাকে দেখে অনেক অপমান করে।মুগ্ধ বলে "তুমি ভাবলে কি করে তোমার মতো কালো গরীব মেয়েকে আমি ভালোবাসবো। আমিতো তোমার সাথে মজা করেছি। আমি ভালোবাসি প্রাপ্তিকে। ও আর আমি মিলে পরিকল্পনা করে তোমার সাথে প্রেম প্রেম অভিনয় করেছি"। মুগ্ধ আলিজাকে আরো অনেক বাজে কথা বলে।আলিজা একটি কথাও না বলে বাড়ি এসে খুব কান্না করে।কিছুদিন পর প্রাপ্তি মুগ্ধকে ছেড়ে আরেক জনকে বিয়ে করে পেলে। মুগ্ধ খুব কষ্ট পায়।তার বারবার আলিজার কথা পড়ে, আলিজাকে খুব কষ্ট দিয়েছে ও। মুগ্ধর নিজেকে খব অপরাধী মনে হয়। সে সিদ্ধান্ত নেয় আলিজার কাছে ক্ষমা চাইবে। মুগ্ধ যখন আলিজার বাড়িত যায় তখন একটি ছেলে তার হাতে একটি চিঠি দিয়ে বলে আলিজা আপনাকে এটা দিতে বলেছে। মুগ্ধ তাড়াতাড়ি করে চিঠি পড়ে। প্রিয় মুগ্ধ, আশা করি ভালো আছো। জানো সেদিন না খুব কষ্ট হয়েছিল যেদিন তুমি বলেছিলে আমার মাঝে কি প্রতিভা আছে যে তুমি আমাকে ভালোবাসবে।তোমার দেওয়া কষ্ট গুলো আমি বহন করতে পারিনি।আমার বিশ্বাস ছিল তুমি একদিন আমার কাছে আসবে। কারণ আমার ভালোবাসা সত্য। তাতে কোনো খাদ নাই।তাই তোমার দেওয়া কষ্টেগুলো তোমাকে দিয়ে গেলাম।আত্মহত্যা করতে বাধ্য হলাম।তুমি যখন এই চিঠি পড়ছো তখন আমি না ফেরার দেশে।আর বলার কিছু নেই। ভালো থেকো, সুখে থেকো। ইতি মৃত আলিজা মুগ্ধ আজ বখাটে ছেলে। তার আড্ডা এখন ক্লাবে নয় মদের আসরে।সারাদিন মদ খেয়ে মাস্তনি করে।মুগ্ধ আজও আলিজার জন্য কাদেঁ তবে দিনে নয় রাতে, যে কান্নার আওয়াজ কারো কানে যায় না।সবার বালিশের মধ্যে তুলা থাকলেও, মুগ্ধেরর বালিশে তুলা আর অশ্রুর মাখামাখি। সমাপ্ত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ---বখাটে-বখাটেনী---
→ বখাটে মেয়ে
→ বখাটে (শেষ পর্ব)
→ বখাটে (৮ম পর্ব)
→ বখাটে (৭ম পর্ব)
→ বখাটে (৬ষ্ঠ পর্ব)
→ বখাটে (৫ম পর্ব)
→ বখাটে (৪র্থ পর্ব)
→ বখাটে (৩য় পর্ব)
→ বখাটে (২য় পর্ব)
→ বখাটে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now