বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
মানুষ এবং বিবর্তনের ভুলগুলো
"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (০ পয়েন্ট)
X
লেখক:::বৈচিত্র্যময় MH2
মানুষ,সৃষ্টির সেরা জীব,যার রয়েছে অদ্ভূতসব ক্ষমতা যা পৃথিবীর অন্যকোনো প্রাণীর মাঝে পাওয়া যায় না।মানুষ তার ইচ্ছাশক্তি এবং প্রতিভা ও বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে অজানাকে এবং অজেয়কে জয় করেছে।যা পৃথিবীর অন্যকোনো প্রাণী করতে পারে নি।এখন প্রশ্ন হলো মানুষ কী এই পৃথিবীরই প্রাণী নাকি অন্য কোথাও থেকে মানুষ এই পৃথিবীতে এসেছে।চলুন দেখা যাক:::
প্রথমে আসি চার্লস ডারউইনের কথায় বা বিবর্তন তত্ত্বে।এই তত্ত্বমতে,মানুষ ক্রমাগত বিবর্তনের মাধ্যমে আজকের রূপে এসেছে।তার মতে মানুষ বানর প্রজাতীর বিবর্তনের মাধ্যমে এসেছে।কিন্তু আসলেই কী তা সম্পূর্ণ সত্য?মানুষ এবং পৃথিবীর প্রাণীর মধ্যে পার্থক্যগুলো লক্ষ্য করুন:::
[১] মানুষ এবং পৃথিবীর সকল প্রাণীর মধ্যে বড় পার্থক্য হলো ভাষা।পৃথিবীর প্রায় সব প্রাণীই শব্দ করতে পারে।কিন্তু পূর্ণাঙ্গ বা পরিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করে কথা বলা বা ভাষা সৃষ্টির ক্ষমতা মানুষ ব্যাতীত আর কোনো প্রাণীর নেই।এই বিষয়টি ধর্মের মাধ্যমে সহজেই ব্যখ্যা করা যায়।বিবর্তন তত্ত্বের এক্ষেত্রে বড় ভুল হলো:::যদি সকল প্রাণীই ক্রমাগত বিবর্তিত হয়,তাহলে মানুষের পূর্ব থেকে থাকা প্রাণীগুলোও তো বিবর্তিত হয়েছে।তাহলে মানুষের ভোকাল কর্ড এতোটা উন্নত যখন হতে পেরেছে তাহলে অন্য প্রাচীন প্রাণীদেরও তো ভোকাল কর্ড উন্নত হতে পারত,কিন্তু তা হয় নি,তার মানে মানুষ পৃথিবীর প্রাণী অপেক্ষা আলাদা।
[২]মানুষের মস্তিষ্ক দেহের অনুপাতে অনেক বড়,এতো বড় মস্তিষ্ক মানুষ ছাড়া অন্যকোনো প্রাণীর নেই।মানুষ যদি পৃথিবীর প্রাণী হতোই তাহলে মানুষের কাছাকাছি মাপের বঢ মস্তিষ্কও অন্য প্রাণীদের মধ্যে থাকত।দেখা যাচ্ছে পার্থক্য বিদ্যমান।
[৩] মানুষ ব্যতীত পৃথিবীর যেকোনো প্রাণীই রোদ সহ্য করতে পারে,রোদে সারাদিন থাকলেও তাদের কিছু হয় না।কিন্তু মানুষ শীতকাল ব্যাতীত কখনও রোদ সহ্য করতে পারে না,তারা রোদের তাপ সহ্য করতে পারে না।মানুষ যদি বিবর্তনের মাধ্যমেই সৃষ্টি হবে তো বিবর্তনের মাধ্যমে রোদ সহ্য করার ক্ষমতাও তো তার থাকত।এটা প্রমাণ করে মানুষ পৃথিবীর প্রাণী ছিল না,সে এমন কোনো জায়গা থেকে এসেছে যেখানের তাপ কম।
[৪]মানুষ ছাড়া অন্য সকল প্রাণীদের শরীর ঘন লোমে আবৃত থাকে,তারা যেকোনো পরিবেশেই মানিয়ে নিতে পারে,কিন্তু মানুষের শরীরে ঘন লোম নেই,আবার প্রযুক্তি ছাড়া অন্য পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাও তার নেই।
[৫]পৃথিবীর অন্য প্রাণীগুলো জন্মের পরই হাটতে পারে,নিজে নিজে সাঁতার কাটতে পারে,আবার খাবারও খেতে পারে।যার একটাও মানুষের মধ্যে ঘটে না,এটাও প্রমাণ করে মানুষ এবং অন্য প্রাণীর মধ্যে বিরার পার্থক্য বিদ্যমান।
[৬] মানুষ সরাসরি কোনো খাদ্য গ্রহন করতে পারে না বা হজম করতে পারে না,তাকে রান্না করা খাবার খেতে হয় যা অন্য প্রাণীদের করতে হয় না।
[৭] মানুষ সোজা হয়ে দাড়াতে পারে,উপর নিচ সব দিক দেখতে পারে যা অন্য প্রাণী অপেক্ষা আলাদা।
দেখা যাচ্ছে মানুষ এবং পৃথিবীর প্রাণীর মধ্যে বিস্তর পার্থক্য বিদ্যমান।মানুষ যদি বিবর্তনের মাধ্যমেই আসে তাহলে তো পৃথিবীর অন্যদের সাথে মিল থাকার কথা।আবার সকল ধর্ম এবং ঐতিহাসিক কিছু কথা,লেককথা সব জায়গায় অতিমানবের কথা উল্লেখ আছে,আমার মতে মানুষ অন্যকেনো জায়গা হতে পৃথিবীতে এসেছে,তারপর পৃথিবীর অতিশক্তিশালী অভিকর্ষবলের কারণে ধীরে ধীরে খর্বাকায় হয়ে যাচ্ছে।ধর্মের দিক দিয়ে বিচার করলে আমার কথাগুলো সম্পূর্ণ প্রমাণিত হয়ে যায়।
[বি.দ্র. আমার যুক্তিগুলো হয়তো সম্পূর্ণভাবে বুঝিয়ে বলতে পারি নি,আবার অনেকে হয়তো আমার মতের সাথে দ্বিমত পোষণ করবেন,কিন্তু যা সত্য তাই বলেছি]
আল বিদা,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now