বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি সুনিমা । সিদ্দিহেসওয়ারি গার্লস
কলেজ এ ইংলিস হন্স এর ৩য় বছর এর
ছাত্রী।
আমি আজকে আপনাদের
সাথে যে অবিজ্ঞতাটি শেয়ার করতে চাই
তা ঘটে আমার বড় ফুফুর বাসাই। অনার
বাসা ধানমণ্ডি ৪/এ তে।অনার বাসার
পিছনের দিকে পরেছে মেডিনভা
হসপিটাল আর হসপিটাল এর পিছনের
দিকে ময়লা আবর্জনা।এখন তাহলে মূল
ঘটনাটা বলি আমার ফুপি ৬ তালা বাড়ির
টপ ফ্লর এ থাকেন এবং তার পাশের
ফ্ল্যাটটা বছরের প্রায় ১১ মাস ই বন্ধ
থাকে।কারণ যারা ফ্ল্যাট
টা কিনেছে তারা প্রবাসী এবং দেশে আসলে তারা
ওই
ফ্ল্যাটটাতে উটেন।আমার
ফুপি ফ্লাটটা কিনার পর প্রথম দিকে প্রায়
গভীর রাতে কেউ এর পায়ের শব্দ
শুনতে পেতেন,টুক টুক আওয়াজ শুনতে পেত।
প্রথম প্রথম ও ভেবে ছিল অন্য ফ্ল্যাট এর
কেউ মনে হয় চাঁদে উটে , কিন্তু প্রতিদিন
আওয়াজ হওয়ার কারণ এ
ফুপি দারওয়ানকে ডেকে জিজ্ঞাস
করে রাত এ ছাঁদে কে উটে ? দারওয়ান
জানাই যে সে জানে না !
এবং ফুপা এপার্টমেন্ট এর সভাপতি হওয়াই
তিনি একটা মিটিং ডাকে।
এবং সবাইকে রাতে ছাদ এ
উটতে মানা করে দেই । ফুপির বাসাই
স্বপন নামে একটা কাজের ছেলে কাজ
করত। উর বয়স ১৪/১৫ হবে। ও বিকাল এ
ছাদ
এ যেত কাপড় শুকাতে দিতে। আমি আর
আমার মা একদিন একদিন ফুপি এর বাসাই
যাই তখন ছাদে উটার
সিঁড়িতে একটা মিচমিচে কাল বিড়াল
দেখতে পাই যার মণি ছিল সবুজ। আমরা এত
উপর এ বিড়াল দেখে আশ্চর্য হলে এ তেমন
একটা কিছু ভাবলাম না। কিন্তু সেইদিন
বিকালে আগে স্বপন কাপড়
শুকাতে দিতে গেলে স্বপন সেই কাল
বিড়ালটা দেখে এবং তাকে তাড়া করার
চেষ্টা করে স্বপন
একপর্যায়ে বিড়ালটা তাকে আচরে দেই !
তারপর থেকে শুরু হয় অর পাগলামি।
যেমনঃ তাকে কেউ ঢাকলে সে জবাব দেই
না এবং নিজে নিজে কেউ এর
সঙ্গে কথা বলে হাসে, আমার ফুপাকে স্বপন
দাদু বলে ডাকতো । ত ফুপা বেশ কয়েকবার
স্বপনকে ঢাকলে জবাব না দেয়াই
ফুপা রেগে গিয়ে ওকে একটা তাপ্পর
দেই,এবং স্বপন ফুফার
দিকে তেরে আসে,এবং পাঁচ ছয়জন
মিলে ওকে ধরে রাখা যাই
না,এতে ফুপা ভয় এবং গাবরে যাই !
এবং তারপর হুজুর
ডেকে এনে ধোয়া পড়ে বলে যে ওকে খারাপ
জীন ধরেছে এবং সে তদবির করে যেন
জীনটা ওকে ছেড়ে দেই।কিন্তু
জীনটা ওকে ছাড়তে চাই না।তারপর হুজুর
তাবিজ সহ আর কিছু তদবির করে অই জীন
তাড়াই। এর পর স্বপন এর প্রাই ১৫দিন
জ্বর
ছিল এবং ও অনেক শুকাই যাই।
যারা ধানমন্ডি ৪/এ তে গেছেন
তারা জানেন যে অই এলাকার বাড়িগুলোর
পাশাপাশি ফুপির রুম এবং সাম্নের
সান্সেট এ সব সময়
একটা পেছা বসে থাকে এবং সারাক্ষণ অই
রুম এর মানুষ গুলোর দিকে তাকাই থাকে।
স্বপন এর ঘঠনার পর হুজুর বাড়িটি বন
করে দিয়ে যাই। এবং তার টিক একমাস পর
স্বপন সিলেট ছলে যাই ওর মা অসুস্ত বলে।
ফুপি তখন আরেকটি কাজের মেয়ে রাখেন
নাম তার নাবিলা। কাজ শেষ
হলে সে পাসের বাড়ির কাজের
মেয়েদের সাথে গল্প করত রান্না ঘরের
বারিন্দা দিয়ে। সম্প্রতি আমার ফুপির
কান্সার ধরা পরাই সে সিঙ্গাপুর
যাবে চিকিৎসার জন্য। তাই আমারা সবাই
তার সাথে দেখা করতে তার বাসাই যাই।
তারপর হটাত করে আমরা নাবিলার
(কাজের মেয়ে) এর চিৎকার শুনতে পাই
রান্না ঘরের বারান্দাই। এবং ওর দুহাত
ছিল গ্রিল দিয়ে বাহিরে। এবং ও
চিৎকার করে বলতে থাকে আমার
জিকি মিকি ফুল দিয়ে যা ।
এদিকে আমরা ৬/৭ জন মিলে ও কে ঘর এ
আনতে পারিনা।কিন্তু অ বড় জোর ৪’১০
ইঞ্চি লম্বা হবে। আর রমজান মাস
বলে হুজুর
বাসার নিচেই ছিল।কারণ এপার্টমেন্ট
থেকে প্রতিদিন একজন হুজুরকে ইফতার
এবং রাতের খাবার অ সেহরি দেয়া হয়।
আমার চাচা হুজুর কে ঢাকতে গিয়ে ছাদের
দরজাই প্রচণ্ড বারি এর আওয়াজ এর শব্দ
শুনতে পান। কিন্তু ছাদের গেইট
টা তালা দেয়া ছিল।এদিকে নাবিলা ত
জিদ করছে এবং বারান্দাই যাওয়ার জন্য
কাঁদছে আর চিৎকার
করছে জিকি মিকি ফুল দে।এবং পড়ে হুজুর
এসে পরীক্ষা করে বলে পিশাচ জাতীয়
খারাপ জীন এর বাতাস লাগসে।
সে বারান্দাই একটা জুতা জুলিয়ে দেই।
এবং ওকে দোয়া পড়ে তাবিজ দেই।পরদিন
বড় হুজুর ঢাকা হয়
এবং সে দাড়িয়ে বলে আগের হুজুর যে বন
টা মেরেছে তার কার্যকলাপটা নষ্ট
হয়ে গেছে। বড় হুজুর বাড়িটি আবার বন
মেরে যাই তারপর থেকে বাড়িটিতে আর
কোন ভৌতিক ঘটনা ঘটে নাই ।।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : পাঠকদের উদ্দেশ্য
বলছি আমার পেজের ভৌতিক গল্প
যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই
রেট ও কমেন্ট করবেন।
তাহলে এতে করে আপনি আমাদের গল্প
আপনার হোমপেজে যাবে এবং আমাদের
পেজে যারা গল্প পোষ্ট করে আপনাদের
জন্য তারা উত্সাহিত হবে।আমাদের
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now