বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমাদের জীবনটাই অন্যরকম নাম্বার থ্রি(পর্ব৫)

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Eshrat Ifat Eva (০ পয়েন্ট)

X আমি মেয়েকে ছেড়ে দিয়ে বললাম,"সরি আপু।কিন্তু একটা অভিজ্ঞতা হলো।আমার অভিজ্ঞতা হলো কাউকে কিভাবে ধরে নিয়ে আসতে হয়।আর তোমার অভিজ্ঞতা তোমাকে কেউ ধরে নিয়ে গেলে কি কি করবে।" "ঠিক আছে।" "কিন্তু তুমি মন্দিরের সামনে কি করছিলে?" "ঐযে আমার বান্ধুবি পূজা করছিল।তাই তার জন্য অপেক্ষা করছিলাম।" "ও আচ্ছা যাও।" পিছন থেকে কারা যেন ডাকলো।পিছনে তাকিয়ে দেখি মফি,ফারহান আর ইস্কান্দার।আমি তিনজনের গাল টেনে বললাম,"কি হয়েছে গুলুমুলু?" তারা তিনজন একসাথে বলল,"আপু।" "কি হয়েছে?" "আআআপু।" "হ্যা শুনছি।" "আআআপুউউ।" "এই তোরা তিনজন একসাথে এভাবে আপু আপু বলছিস কেন?কি হয়েছে বল।" "আপু বিয়ে হবে।" "কার?" "বকুল ভাইয়া তোমার জন্য ছেলে ঠিক করেছে।মিম আপু আর রেহনু আপু তাদের জন্য রান্না করছে।মিম আপু স্পেশাল চা বানাবে।তোমাকে এখন দেখতে আসবে।তাই এখনই যেতে হবে।" "সত্যি দেখতে আসবে?" ইস্কান্দার বলল"হ্যা আপু।" ফারহান বলল,"ছেলে অনেক ভালো।তোমার শখের ইঞ্জিনিয়ার।" মফি বলল,"এখন চল আপু।" আমি হতাশ মুখে বললাম,"আমার জন্য ছেলে ঠিক করেছে!ইঞ্জিনিয়ার!!" এই কথা শুনে আমি চারদিকে অন্ধকার দেখছি।মাথা ঘুরছে।" "এই আমাকে কেউ ধররে।আমার মাথা ঘুরছে।আমি চারদিকে অন্ধকার দেখছি।" যখন আমার জ্ঞান ফিরলে তখন বাসায় বিছানায় শুয়ে আছি।ভাইয়া আমার পাশে বসে আছে।মফি,ইস্কান্দার,ফারহান আমার সামনে।আমি বসে পড়লাম।বকুল ভাইয়া বলল,"আজকেও তোর শরীর খারাপ ছিল নাকি?কতবার বলেছি ভালো করে খা।" "না ভাইয়া এইজন্য না।এর আগে যতবার অজ্ঞান হয়েছি শরীর খারাপের জন্য।" আমি ভাইয়ার শার্টের কলার ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললাম,"ভাইয়া তুই আমার ভাই হয়ে আমার এত বড় সর্বনাশ কেন করতে চাস?আমি কি করেছি?" "আরে কি হয়েছে কাঁদছিস কেন?শার্টের কলার ছেড়ে দে।" "তুই নাকি আমার জন্য ছেলে ঠিক করেছিস?আমাকে নাকি বিয়ে দিয়ে দিবি।আর এই কথা শুনে আমি তো চারদিকে অন্ধকার দেখতে থাকলাম।তারপর অজ্ঞান হয়ে গেসি।" "কে বলল?" আমি হাত দিয়ে দেখিয়ে বললাম,"ওই তিনজন।" "ওরা মিথ্যা বলেছে।" "মিথ্যা!!" "হুমম আমি কোনো ছেলে ঠিক করেনি তোর জন্য।" এ কথা শুনে আমার তো ভীষন রাগ উঠলো।বারান্দা থেকে ঝাড়ু নিয়ে ফারহানকে মারলাম ফারহান চলে গেলো।তারপর মফিকে মারলাম তারপর ইস্কান্দারকে।তারা সবাই বাড়ি থেকে বের হলো।আমি তাদের পিছে পিছে ঝাড়ু নিয়ে গেলাম।যেতে যেতে সামনে হৃদয় ভাইয়া।তারা তিনজনই হৃদয় ভাইয়ার পিছনে লুকালো।হৃদয় ভাইয়া আমাকে এ অবস্থায় দেখে বলল,"কি হয়েছে ইভা?এমন ঝাড়ু নিয়ে এদের পিছনে দৌড়াচ্ছ কেন?" "এই তিনজন বলে আমার জন্য বকুল ভাইয়া নাকি ছেলে ঠিক করেছে।ভাইয়া আমাকে বিয়ে দিবে।এই কথা শুনে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই।বাড়িতে এসে শুনি যে কোথায় ছেলে আমার বিয়ের তো কোনো কথাই নেই।" তামিম পাশ থেকে বলল,"কিরে বিয়ে করবি নাকি?" আমি বললাম,"নারে।" "অজ্ঞান হয়ে গেসিছ?" "তামিম।" হৃদয় ভাইয়া বলল"ও আচ্ছা।" "ভাইয়া আমি তাদেরকে মারবো।" ফারহান বলল,"দেখো আপু তুমি আমার বড় দেখে মারছি না।তাছাড়া মারতাম।তোমাকে শ্রদ্ধা করছি আমরা।" হৃদয় ভাইয়া বলল,"ইভা মারো না তাদের।" "শুনেন ভাইয়া আপনি যদি আমার পথে বাধা দেন তাহলে আপনাকেও এই ঝাড়ু দিয়ে মারবো।" "ইভা তুমি আমাকে মারবে?" "হুমম।" হৃদয় ভাইয়া আমার হাত ঝাড়ু কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেললো।আমি বললাম,"কি করলেন এটা?এ বাসায় আসার পর থেকে এ ঝাড়ু দিয়ে বারান্দা ঝাড়ু দেওয়া হয়।আর আপনি?"


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now