বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
খন্ডঃ প্রথম
মুন ও তাসা এর সম্পর্কটা নেহাত পুরনো নয়।সেই ছোট কাল থেকে একে অপরকে দেখাদেখি, দুর থেকে একে অপরের দিকে দেখা সেই অাবেগঘণ চাহনি।
অার তারপর সন্ধিলগ্নে দুজনের মনের ভেতর জন্ম নেওয়া ভালোবাসা।অাজো চলছে.....
তবে সেটা একতরফা। শুধুই মুন।তাসার বিয়ে হয়েছে।স্বামি মস্তবড় অফিসার।গাড়ি বাড়িঘরের কমতি নেই।
মুনও বড় হয়েছে। চাকরিও করছে।
তবুও মুনের মনে বার বার যত অাঘাত, যত সৃতি তৈরি হচ্ছে তার সবটাই কিন্তু তাহার সৃতি।
কে বুঝে সে একতরফার জ্বালা?
কে বুঝে সেই সৃতি দহন?
কে বুঝে সেই বিরহের বেদনা?
এইতো সেদিন, দুজনের কত মাখামাখি। একজনের হাসি তো অন্য জনের মুখেও হসি।এক জনের কান্নায় অন্য জনের কান্না।
সেই বৃষ্টর দিন,
তার ফোন মুনের কাছে।
তাহাঃতোমাকে খুব মনে পরছে!
মুনঃঅার তো মাএ কয়েকটা দিন। তারপর তোমাকে বৌ করে সানায় বাজিয়ে অামার বাড়িতে নিয়ে অাসবো।একটু ধৈর্য ধর ।
তাহাঃ হুম তখন অামারা সবসময় একসাথে থাকবো।অার অনেক গল্প করবো।
মুনঃঅাচ্ছা বাবা করবো!
তাহাঃ সারারাত গল্প করবো কিন্তু বলে রাখলাম!
মুনঃ সারারাত! তুমি জেগে থাকতে পারবে?
মুনঃহুমমম খুব পারবো।
তাহাঃবুকে নাও..
মুনঃ কিভাবে?
তাহাঃ কেন? কল্পনায় নাও
মুনঃ অাচ্ছা, কাছে অসো নিচ্ছি।
তাহাঃ অাসছিতো... নাও
মুনঃএইতো নিয়েছি।
তাহাঃ তোমার বুকটাতে যত শান্তি অাছে সারা পৃথিবিতেও তত শান্তি নেই জানো।এ যেন অামার সবচেয়ে সুখের জায়গা..।
এভাবে তো প্রায় রোজ কথোপকথন চলতো।
কতদিন ধরে তাহার সেই বুকে অাসাকে সে মনে রাখবে?
যতদিন বাঁচবে হয়তো ততদিনই...
তবে এ অপেক্ষার কোন সিমানা হয়তো অার পাওয়া যাবে না।
মুন প্রতি রাতে তাহার সাথে বসা,সেই ভাটিপাড়ার মৃগি নদীর পাড়ে অাজো যায়।
অার হটাৎই অাকাশের দিকে তাকিয়ে নিজে নিজেই দীর্ঘশ্বাসে বলে উঠে, ইস......তখন যদি ওকে(তাহাকে) অাটকাতাম।ওর হাটতা যদি সেদিন জোরেশোরে ধরে ফেলতাম।।
চলবে....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now