বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র!
"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান (০ পয়েন্ট)
X
*শ্রীলংকার হামলায় ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীর ভবিষ্যদ্বাণী হুবহু মিলে যাওয়া বেশ কিছু ষড়যন্ত্র তত্ত্বের জন্ম দিয়েছে*
তবে শুরুতেই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে দোয়া করি তিনি শ্রীলংকা সহ সকল দেশ, ধর্ম ও গোত্রের মানুষকে নিরাপদ ও হেফাজতে রাখুন।
শ্রীলংকার হামলা বেশ কিছু ষড়যন্ত্র তত্ত্বের জন্ম দিয়েছে। ষড়যন্ত্র তত্ত্ব গুলো এমন যেগুলোকে আপনি বিশ্বাস না করলেও অবিশ্বাস করতে পারবেন না।
* ট্যুরিজমে শ্রীলংকা বেশ ভালোই বিনিয়োগ করেছিলো। ১৭ সালে চব্বিশ লক্ষ গেলেও ১৮ সালে সেটা গিয়ে দাড়ায় আটাশে। ট্যুরিস্টরা কখনো ভিক্ষা করে না গিয়ে, তারা শুধু খরচ করে। তারা খায়, ঘুমায়, ঘুরে সব জায়গায়ই স্থানীয় এবং সরকারের লাভ। শ্রীলংকা যদি সাড়ে চার বিলিয়নের মত আয় করে ট্যুরিজম থেকে তাহলে আশপাশের বৃহৎ দেশ গুলোর মাথা তো গরম হবেই। এবং এই দাবীকে সমর্থন করে হোটেলে বিদেশীদের হত্যাকরন।
*ধর্মের প্রতি মানুষের ভীতি উদ্রেক করে একটা গুপ্ত সংগঠন পুরো বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। ফ্রি ম্যাসন, ইলুমিনাতি আপনি যে নামেই ডাকুন না কেনো। নিউজিল্যান্ডে মুসলিমদের জুমার দিনে হামলা, শ্রীলংকায় ইস্টার সানডেতে হামলার উদ্দেশ্য বড় আকারে এটাও হতে পারে। খুব সম্ভবত পরবর্তী হামলা হবে হিন্দুদের কোন উৎসব কিংবা বৌদ্ধদের। মুসলিম বিদ্বেষ ছাড়াও মানুষ ভয়ে যেন বিভিন্ন উৎসব বা প্রার্থনায় নিজেদের উপাসনালয় থেকে দূরে থাকে সেটাও হতে পারে এদের উদ্দেশ্য।
*আমেরিকা চায়নার প্রক্সি ওয়ার বলা যায় পুরো দমে শুরু হয়েছে। ল্যাটিন আমেরিকায় ঝামেলা বাধানোর আফ্রিকা থেকে চায়না, রাশিয়ার প্রভাব খর্ব করতে সুদান, মালি এবং আলজেরিয়ার বিক্ষোভ সম্পর্কে আমরা জানি। এশিয়ায় শ্রীলংকাই সবচেয়ে ভালনারেবল দেশ ছিলো যার প্রেসিডেন্ট ছিলো চীনপন্থি আর প্রধানমন্ত্রী ভারতপন্থী। কিছু দিন আগেই শ্রীলংকার হাম্বানটোটা দখল নিয়ে চীনের প্রভাব বেশ বেড়েছে। চীনা ধকলকে সামলাতে গিয়ে কিছু কি একটা ঘটানো হয়েছে? কারন, যে গোয়েন্দা আগে সতর্ক করেছিলো এবং যারা ঘটনা ঘটার পর কে ঘটিয়েছে তা নিয়ে কথা বলছিলো সেই তিনটা দেশ আমেরিকাকে সার্ভ করে।
*এপ্রিলের ১১ তারিখ ভারতীয় গোয়েন্দা বিভাগ শ্রীলঙ্কান পুলিশ প্রধানের কাছে হামলা সম্পর্কিত আগাম তথ্য পাঠায়। আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে, হামলাকারীর নাম, হামলার স্পট, হামলাকারীদের বর্তমান অবস্থান, কর্ম এবং কর্মস্থল, মোবাইল নাম্বারসহ যাবতীয় তথ্যাদি সরবরাহ করা হয় তাতে। এসব জেনেও শ্রীলঙ্কান প্রশাসন নির্ভার ছিলেন কেন? কেনইবা সন্দেহভাজনদেরকে আটকের ব্যবস্থা নেয়া হলো না? কোন ইশারায় চুপচাপ ছিল ইন্টেলিজেন্স উইং?
দ্বিতীয় অবাক করার বিষয় হচ্ছে, বিদেশী গোয়েন্দাদের ভবিষ্যদ্বাণী হুবহু মিলে গেলো কীভাবে? তারা বলেছিল, ক্যাথলিক চার্চ এবং বিলাসবহুল হোটেলে হামলা হবে, তাই হয়েছে। তারা বলেছিল, মুহাম্মদ জেহরান হাশিম এবং আবু মুহাম্মদ হামলা করবে, ঘটনার পরপরই ভারত থেকে তাদের নামই ঘোষণা করা হয়। হামলাকারী সংগঠন এবং ব্যক্তিদের নাম সর্বপ্রথম ঘোষণা করে ভারত আর সবার আগে তা টেলিকাস্ট করে সিএনএন। তাদের খবর দেখে শ্রীলঙ্কানরা ধারণা নেয়। এর আগ পর্যন্ত তারা কোন মুসলিমদেরকে জড়িয়ে কথা বলেনি এমনকি সন্দেহও করেনি। এর কারণ হচ্ছে, সেদেশে মুসলিমরা ছোট মাছির মতো। তারা এতোই দুর্বল যে উঁচু গলায় কথা বলতে গেলেও তিনবার ভাবে। এমন মানুষেরা কীভাবে সমন্বিত হামলা করতে পারে? আর হামলায় যে অত্যাধুনিক বোম্ব ব্যবহার করা হয়েছে সে সম্পর্কে এবিসি ধারণা থাকার কথা নয়।
*যে গোয়েন্দা রিপোর্ট শ্রীলঙ্কান পুলিশ দশদিন আগে পায় তা অজানা কারণে সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছানো হয়নি। যায়নি মন্ত্রীদের কাছে। শুধু এই পয়েন্ট নিয়ে ভাবলেই নেপথ্যে কারা তা অনুমান করা সহজ হবে। এই হামলার পিছনে যে আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক রাজনীতির দানবীয় হাত সক্রিয় ছিল তা অস্বীকার করার মতো কিছু নেই। যারা চোখবুজে তাদের কথামতো সম্পূর্ণ দায় মুসলিম গ্রুপের উপর চাপিয়ে দিয়ে ঘৃণা ছড়াচ্ছেন তারা হয়ত নির্ভাবুক অথবা বিশেষ গোষ্ঠীর আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত।
স্যামুয়েল হান্টিংটনের দ্য ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশন থিওরীর আগে কোন মুসলমানের আত্মঘাতি বোমা হামলার প্রয়োজন হয়নি। কেনো?
কেনোই বা জঙ্গী সংগঠন গুলো যে বিবৃতি দেয় সেটা কেবল আমেরিকা বা তার দালালরাই পায়? আর কেনোই বা হেইট ক্রাইম বাড়ছে?
সব প্রশ্নের উত্তর মিলিয়ে নিন। উপরের কোন থিওরীই বিশ্বাস করা লাগবে না। কারন এগুলো প্রমান করা শুধু কঠিনই নয়, অসম্ভবও বটে।
ভূ-রাজনীতির এই খেলায় বাংলাদেশ, মুসলিম উম্মাহ ও মানবতা রক্ষা পাক, আল্লাহ তায়ালার কাছে এটাই প্রার্থনা ।
Copied from Fayek Abdullah
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now