বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভ্রুম ( অদৃশ্য ভালবাসা)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ আনিছুর রহমান লিখন (০ পয়েন্ট)

X ঝরে যাওয়া একটি কুঁড়ি। গোধূলি বেলার রক্তিমতার রক্তপ্রাণ। একটি নিকষ কালো প্রতিবিম্ব। হারানো সেই বাঁশির সুর। সুরেলা কণ্ঠস্বর! ধীরে ধীরে মিশে যায় দিগন্তে। যেন এক অন্তিম চাওয়া ঘিরে আছে। কোথায় চলছি জানি না। সে যেন ডাকছে আমায় করুণ সুরে, দিগন্ত থেকে দিগন্ত। ছাঁয়ার অন্তরালে বেহাগের সুর। মহাকালের পথে হেঁটে যাচ্ছে নিয়ে একটু অভিমানের এক মহাসাগর তৃষ্ণা নিয়ে। বিচলিত দুটি আঁখি, বুজে ফেলে আঁচল দিয়ে। হারানো সেই চিরচেনা রথটি নিয়ে চলে একটি চপলা মেয়েকে। আর কোমল হস্তদ্বয় বাড়িয়ে দেয় শূণ্যতে। ধরতে ইচ্ছে হয়। ধরার আগেই শূণ্যে মিলিয়ে যায় সে রথ। পেছন থেকে হাতে টান পড়ে। কিছুক্ষণ স্তম্ভিত হয়ে থাকি। ভাবি আর ভাবি। কোথায় মিলিয়ে গেল সেই রথটি। রথটিতে কে ছিল? তার কণ্ঠস্বর এত পরিচিত লাগল কেন? সেই সুরটা কেন বা ভেসে আসে? সুরটাকে কেন এত আপন আপন লাগে? -তোর কি হয়েছে রে, আনিছ? - কিছু না। কে যেন আমায় ডাকে? মধুর সেই সুর। তবে সে আমার কাছে ধরা দিতে চায় না। শুধু মিলিয়ে যায় দূর দিগন্তে। - চল্ তো, সন্ধা নেমে এল। সেই হুঁশ কি তোর আছে রে আনিছ। - চল্ যাই। বারংবার পিছনে তাকাই। লোহিত আলোয় ভেসে গেছে প্রান্তর। টকটকে লোহিত সূর্যটা থালার মতো হয়ে ডুবে যাচ্ছে ক্রমশ। যদিও আমি ফিরে যেতে চাইছিলাম না। জোর করে টেনে আমাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ধীরে ধীরে গুটিগুটি পায়ে আপন নীড়ে চলে আসি। -কে ছিল মেয়েটা? - তোর মাথা!(রেগে গিয়ে)। -আমি তো মনে মনে বললাম! তুই শুনলি কেমন করে? - ভাইয়া চুপ করে বস।ইনজেকশন দিব। নড়বি না কিন্তু। - না, না, না,। আমি দিব না। ব্যথা লাগছে। - ভাইয়া, লক্ষী সোনার মতো ঘুমিয়ে পড়ো। ক্রমশ দুটি আঁখি বুজে আসে। দেখি নিকষ কালো অন্ধকার! কে যেন ডাকছে মোরে? ঘুমন্ত জনপদে মাথা তুলতে পারি না। শুধু তার রথে বসে শিহরিত হয় সারা দেহ। ঘুমন্ত সবাই জেগে ওঠেছে। সাথে আমিও। - ভাইয়া, আজ রাতে দিব্যি ঘুমিয়েছো। ডাক্তার বলেছে তুমি অতি শীঘ্রই সেরে উঠবে। - চা এনেছিস। দে এক চুমুক হয়ে যাক। - বল্ তো ভাইয়া, তুই এমন হয়ে যাস কেন? - কেমন? - এই যে বললি, কে যেন তোকে ডাকে? - ও সব কথা বাদ দে। চল্ তোকে পড়াই। এভাবেই চলে যায় দিন। শুধু ভেসে আসে সুর। চিরচেনা সেই বাঁশির সুর। চলবে...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now