বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
???? ( ২য় দৃশ্য ) ????
ঘটক : আজগর সাহেব কি বাড়ি আছেন নি?
সাল্লু : আজ্ঞে না ঘটক সাব। হুজুর একটু বাইরে
গেছেন। এহন-ই আয়া পড়ব। আপনে
বহেন ।
( আজগর সাহেব কিছুক্ষণ পর হাজির হলেন )
আজগর : ঘটক মশাই যে, তা কোনো ভালো
খবর আছে নাকি?
ঘটক : আছে... আছে সাহেব । খুব ভালো
খবর - ই আছে। আপনার ছেলের
ভাগ্যে খুব ভালো পত্নী আল্লা লিখা
রাখছে।
এই দেখেন অনেক ছবি আছে।
এখান থেকে বউমা পছন্দ করে নিতে
পারেন ।
আজগর : দুলালের মা , এই এখানে একটু
আসো তো।
ফাতেমা : বলেন।
আজগর : এই দেখো... কোন ছবিটা পছন্দ হয়।
( ছবি দেখতে দেখতে আজগর সাহেব ও ফাতেমা বেগম চম্পার ছবি তাদের চোখে পড়ে।চম্পার ছবি দেখে দুজনের পছন্দ হয়ে যায়। )
ফাতেমা : দুলাল... বাবা, দুলাল, এহানে একটু
আয় তো।
দুলাল : কি হইছে আম্মা? ডাকছো কেন?
ফাতেমা : দেখ তো বাপ , এই ছবিগুলা।
দুলাল : এই ছবি দেইখা আমি কি করমু?
ফাতেমা : আগে দেখ না।
দুলাল : কি করবা? আগে কও।
ফাতেমা : হুন বাপ, তর এহন বিয়ার বয়স
হইছে। তুই বিয়া করবিনা? আমগো কি
নাতি-নাতনির মুখ দেখবার মন চায়না।
আর কত আমি এই সংসার চালামু।
বউমা আইলে তো আমি সংসারের দায়-
দায়িত্ব তার হাতে তুইলা দিতে ফারি।
দুলাল : ও..... মনে মনে তাইলে এই ফন্দি ।
শুনো আম্মা আমার এখনো লেখাপড়া-ই
শেষ হয়নাই । আগে পড়াশোনা টা শেষ
করি। তারপর আমি সেটল হই।৷ তখন
বিয়ার বিষয় নিয়া ভাবা যাইবো।
( দুলাল চলে যায় । আজগর সাহেব কিছু বললেন না। কিছুদিন এভাবে চলে যায় । দুলাল লক্ষ্য করে তার মা-বাবার মন খুব ভালো কাটেনা।
সে বিষয়টা নিয়ে অনেক ভাবে ।
মাঝে মাঝে তার মনে রঙিন স্বপ্নও ভেসে ওঠে। আবার মা-বাবার কথাও তার ভাবতে হয়। তাই সে এ বিষয়ে ভাবার পর মায়ের কাছে যায় । )
দুলাল : আম্মা, ছবিগুলা দেখি। একটু আনো তো ৷
( মায়ের মুখ হাস্যোজ্জ্বল হয়ে যায় ।)
ফাতেমা : একটু খাড়া বাপ, আনতাছি।
❤ ধন্যবাদ ❤
পরের দৃশ্য ও আসছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now