বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বকুল ভাইয়া আমার চুলের মুঠি ধরে বলল,'এই উঠ।উঠ বলছি।"
"ভাইয়া আরেকটু।"
"আর একটুও না উঠ।"
"ছেড়ে দে লাগে তো।"
"উঠ।"
আমি উঠলাম।
"এখন ছেড়ে দে ভাইয়া।"
"দাঁড়িয়ে যা।"
"উহঃ ভাইয়া।"
আমি দাঁড়ালাম।ভাইয়া আমার চুল ছেড়ে দিলো।আমরা এখন চলে যাবো।
যাওয়ার সময়
"রেহনু আপি থাকো গেলাম।"
মিম আপুর কাছে যেয়ে বললাম,"চা আপু থাকো।"
শাহী আপুকে জড়িয়ে ধরে বললাম,"থাকো ইলিয়াস শাহের বউ।"
"আবার এসো ইলিয়াস শাহের শালি।"
ভাইয়া বলল"এখন চল।"
"ভাইয়া ওই গুলুমুলুদের বলি।ওই গুলুমুলু পুষপু ইরু তাহা থাক গেলাম।"
তারপর ভাইয়ার দিকে তাকিয়ে বললাম,"ভাইয়া ওই বন্ধুবীকে বলে আসি।"
তাসনোভার কাছে গেলাম।
"বন্ধুবীরে থাক গেলাম।"
"আবার কবে আসবি বান্ধুবি?"
"জানি না তবে আসবো।"
এই বাড়ি থেকে বের হলাম।বিকেল বেলা বের হলাম।ঈশিকা জারিন রামিশা একই বাড়িতে থাকে।আমি তাদের বাড়িতে গেলাম।রামিশা গেট খুলে দিলো।আমি ভেতরে ঢুকে বললাম,"বান্ধুবিরা কি করে?"
জারিন বলল,"এইতো গল্প করছি।"
"ওহ ভালো।"
ঈশিকা বলল,"হুমম তোর কি অবস্থা?"
"কি আর অবস্থা?ভালো।ওই রামিশ তোর অবস্থা নাকি খারাপ।"
রামিশা কাছে এসে বলল,"নাতো।"
আমরা অনেক গল্প করলাম।তারপর সন্ধ্যার আগে বের হলাম।নদীর ঘাটে যাচ্ছি।বকুল ভাইয়ার সাথে দেখা।ভাইয়াকে দেখেই বললাম,"ভাইয়া কোথায় যাচ্ছিস?"
"এই তো মন্দিরে যাচ্ছি।তুই বাড়ি যা।"
"না ভাইয়া এখন নদীর ঘাটে যাবো।"
"ঠিক আছে বেশিক্ষন যেন থাকিস না।"
"ঠিক আছে ভাইয়া।"
আমি নদীর পানির ভেতর পাথর ছুঁড়ে মারছি।কিন্তু হঠাৎ একটা পাথর একটা পাগলির গায়ে লাগলো।ভাবলাম পাগলী কি করবে এখন।কিছু না বলেই চলে গেল ওই পাগলী।কিছুক্ষন পর দেখলাম কিছু লোক আসছে এইদিকে।আমার কাছে এসে বলল,"চলেন আমার সাথে।"
আমি বললাম,"কেন কি হয়েছে?কোথায় যাবো?"
"কোথায় আর পাগলী গারদে?"
"কি কিন্তু আমি তো পাগলী না।"
"কিন্তু আপনার নামে পাগলীগারদে বিচার গেসে ওই মেয়েটা বিচার দিসে।"
দেখলাম ওই পাগলী ।এই পাগলী বিচার দিলো পাগলী গারদে?আমাকে নিয়ে গেল পাগলি গারদে।সবাই পাগলী কেমন যেন লাগছে।এইগুলা পাগলীর মধ্যে আমি একা সুস্থ একটা মেয়ে কেমন করে থাকবো।আমি বকুল ভাইয়াকে ফোন করলাম।ভাইয়া ফোন ধরতেই বললাম"ভাইয়াআআআ।"
এই বলে কান্না শুরু করলাম।
"কি হয়েছে কাঁদছিস কেন?"
"ভাইয়াআআআ।"
"কি হয়েছে কোনো সমস্যা হয়েছে নাকি?"
"সমস্যা না হলে কেউ কি কাঁদে?ভাইয়াআআআ।"
"তুই এখন কোথায়?"
"পাগলী গারদে।"
তারপর চিৎকার দিয়ে বললাম,"আমাকে নিয়ে যা ভাইয়াআআআ।"
"আরে কাদিস না আমি আসছি।"
কিছুক্ষন পর ভাইয়া আসলো।ভাইয়াকে দেখেই ভাইয়ার কাছে দৌড়ে যেয়ে কান্না শুরু করলাম।ভাইয়াকে সব খুলে বললাম।ভাইয়া এই পাগলী গারদের মালিকের কাছে গেল।সাথে আমিও গেলাম।মালিক ভাইয়া বলল"এই মেয়েটাকে কে?"
"আমার বোন।"
"আপনার বোন কতদিন হলে পাগলী?"
"এমনি একটা বলবেন না।আমার বোন ভালো সুস্থ।"
"আপনার বোন কি কখনো মেন্টাল ছিল?"
আমি বললাম,"আমি তো জন্মের থেকেই এরকম সুস্থ।হাই আল্লাহ এই মেন্টাল গারদের সবাই মেন্টাল নাকি যে সুস্থ মানুষকে মেন্টাল ভাবে?"
ভাইয়া আমাকে ধমক দিয়ে বলল,"এই তুই চুপ কর।দেখুন আমার বোন কেমন সেটা আপনি কি আমার চেয়ে বেশি বুঝেন?সে ঠিকই বলেছে এই মেন্টাল গারদের সবাই মেন্টাল।সুস্থ মানুষকেও মেন্টাল।আপনিও মেন্টাল।এই চল।"
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now