বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অবশেষে তাকে পেলাম

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আরিয়ান (০ পয়েন্ট)

X ২পর্বঃ আমি তাকে বললাম আমি তো আপনাকে কখনো দেখিনি।আর আপনাকে ভালো ভাবে চিনিওনা। নীলাঃহ্যা তো কি হয়েছে। যখন দেখবেন তখনই চিনে নিবেন.. আমি কে? আমি একটু বিচলিত হলাম কে হতে পারে?না কোনো ভাবেই মিলাতে পারতেছিনা।যাইহোক তাকে একটা সময় বললাম সেই সময়ে তার সাথে দেখা করবোদ সেই পার্কটাতে।আর হ্যা আমাকে একটি পিকচার ও দিয়েছে দেখতে ভালোই তাই না বলতে পারিনি? নীলাঃকি করো এখন? আমি এই তো অফিশিয়াল কাজে একটু চাপে আছি। নীলা তাহলে কাজ করো।আর হ্যা সময়টা যেনো মনে থাকে। জ্বি মনে থাকবে।আসলে এমন মানুষ পাওয়া অনেক টা ভাগ্যর ব্যাপার।যদিও সে সব সময় খোজ রাখে।আমি কি করি বা না করি। অফিসের কাজ শেষ করে বসের নিকট চুটি চাইলাম। বস বললো আজকে তোমাকে এতো খুশি লাগতেছে কেনো। বাসায় যাবে নাকি। জ্বি বস! ওকে ছুটি লাগলে নাও তোমার জন্যই আজ একটা কঠিন কাজ সহজ ভাবে হয়ে গেলো এজন্য তোমাকে অফিসের পক্ষ থেকে পুরুসকিত করা হবে।সো পুরস্কার সহো নিয়ে যেও।আর হ্যা বিকালে আমাদের বাসায় এসো। তোমার ভাবি তোমাকে যেতে বলেছে।আজ তোমার ছুটি? জ্বি বস। সোজা রেডি হয়ে বাসায় আসলাম দুপুর খাবার খেয়ে নিলাম।হালকা ঘুম দিলাম।বিকালের দিকে বসের বাসায় গেলাম... একি দেখতেছি অনেক বড়ো বাসা.. দাওয়ানকে বললাম বস বাসায় আছে।সে বললো আজকে তার ভাই আসবে তাই সে বাসায় কাজ করতেছে।বসের ভাই! আরে বসের তো কোনো ভাই নেই আমি ছাড়া মনে মনে। দারোয়ান বলতেছে আপনি বসেন। বস আসবে একটু পর এদিকে।কি আর করা দারোয়ান তো চিনে না, তাই চুপ করে বসে রইলাম। কিছুক্ষন পর বস আসলো আমাকে দেখে আরে তুমি ওখানে কেনো, আসো বিতরে আসো।তোমার জন্য তো আজকে এ আয়োজন। আপনাদের মনে হচ্ছে ভাইটা কে আসলে বস আমার কাজে খুশি হয়ে আমাকে তার ছোট ভাইয়ের মতো আদর করে বলতে গেলে বন্ধুর মতো ফ্রি এবং সে আমাকে বলে অফিসে জাস্ট বস ডাকবে বাহিরে ভাই বলবে।আর এর আগেও বাসায় আসতে বলেছিলো কিন্তু যাইনি আসলে কারো বাসায় যাওয়ার অভ্যাস নেই ।বলেছিলাম কোনো একসময় যাবো।আর ভাই মানে বস আমার সম্পর্কে ভাবির কাছে কি বলেছে নিজেও জানিনা। তাই ভাবি বলেছে আমাকে আসতে।নিজের না আসা শর্তেও ভাবির জন্য আসতে হলো।দারোয়ান এবার কিছুটা অভাগ হলো আর সঙ্গে সঙ্গে গেট খুলে দিলো।অবশ্য ভালোবাবে বললে আগেই খুলে দিতো কিন্তু হাজার রকম উত্তর দিতে হতো সো কিছু না চুপ ছিলাম। বসের বাসায় গেলাম আর রুমটা দেখতে লাগলাম অসম্ভব সুন্দর ছিলো রুমটা।হা করে দেখছি আর হাটছি। সামনে দেখলাম একটি বয়স্ক মহিলা খুব একটা বয়স না।এটা মহিলা না এটা হলো বসের বউ আই মিন আমার ভাবি। সো তাকে সালাম দিলাম সে সালাম গ্রহণ করলো।তাহলে তুমি সেই ভাই । জ্বি ম্যেম আমি মেম কেনো আমি তোমার আপু হই। নেক্স বার আপু বলে ডাকবা। জ্বি ম্যেম। আবারো কি বলছো এসব বলো আপু! জ্বি। আপু ওকে!!! তার সাথে কিছু সময় কথা বললাম। অনেক ভালো মানের মানুষ সে।আর খুব মিশুক ।সহজেই মিশতে পারে মানুষের সাথে।এক পর্যায় খাবার টেবিলে বসলাম। আর তিনজন খাচ্ছি। কাজের লোক এসে খাবার দিচ্ছিল। বস বলে উঠলো জানো তোমার ভাবি কখনো রান্না করেনা বাট আজকে অনেক কষ্টে তোমার ভাবি আর আমি খাবার গুলো বানিয়েছি।খারাপ হলেও খেতে হবে।আর জানাবে খাবার টা কেমন ছিলো।খাবার গুলো খেলাম ,নাহ অনেক স্বাদ, আর স্বাদ লাগবেইনা কেনো মেসের খাবার গুলো খেতে বুরিং হয়ে গেছি।শরীলটাও ফুলে গেছে মনে হয় চর্বি জমে গেছে। খাবার শেষ করে বললাম বস অনেক সুন্দর হয়েছিলো খাবার গুলো।আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ।বস তো সেই আগুন এটা কি অফিস নাকি যে বস বলো।এখানে ভাই বলবা। আমি তোমার বড় ভাই।সো নেক্স বার যেনো আর ভুলনা হয়। আমি জ্বি ভাইয়া। আর হ্যা তোমাকে আমার তরফ থেকে এই সামান্য উপহার এটা তোমার জন্য। সো. .নিলাম বড়ো ভাই বলে কথা। আর একটু সময় কথা বলে ভাই আর ভাবি আপুর থেকে বিদায় নিলাম। বাসায় এসে ঘুম দিলাম। বোয়াকে দুপুরেই না বলে দিছি। এক ঘুমে সকাল। ওঠে নামাজ পড়ে বাহিরে হাটাহাটি করলাম।তারপর বাসায় এসে আমার প্রয়োজনী জিনিস নিয়ে আপন বাড়ি উদ্দেশ্য রওনা দিলাম।বিকালে গিয়ে পৌছালাম।বাবা মা দুজনেই অসম্ভব খুশি। মনে হচ্ছে তাদের থেকে হাড়িয়ে গেছিলাম।আম্মু এসে কপালে চুম্মু দিয়ে জড়িয়ে ধরে কান্না করেদিলো।সকলের সাথে কথা বললাম।রাতের ডিনার করে নিজের রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। ভাইয়ারা আবার ভাববেন না যে, এ ছেলেটা জাস্ট ফয়র নামাজ পড়ে। ছেলেটা পাচ ওয়াক্ত ফুল নামায পড়ে ইনশা আল্লাহ । সকালে ওঠে আগের কাজ গুলো করে ফেললাম।বাসায় আসলাম ফ্রেশ হয়ে গন্তব্য চলে গেলাম। একটা পার্কে গিয়ে তো হতোভাগ কি বেপার এ কাকে দেখতেছি। রেশমি বসে আছে ।আমি ভাবলাম হয়তো সে বিয়ে করেছে নয় তার নতুন কোনো বয়ফেন্ডের সাথে দেখা করতে আসছে।তাই তার দিকে আগালাম না।ও দেখার আগেই দূর থেকে চলে গেলাম অন্যদিকে। অনেক ক্ষন বসে রইলাম আর আগের অতীত গুলো ভাবতে থাকলাম।কি থেকে কি হয়ে গেলো নিজেকে এখনো অপরাধ বোধ করি তার জন্য। অনেক সময় পার হয়ে যাচ্ছে তার আসার কোনো খবর নেই। কি করবো হয়তো সে আমার সাথে মজা করেছে। তাই তাকে টাি করার জন্য ফোন দিলাম সে রিসিভ করলো আর কথা বলতেছে। বাট কন্ঠটা কেমন যেনো চেনা চেনা মনে হচ্ছে। যাইহোক অতো কিছু না বললাম কোথায় আপনি সে বললো সে ওমুক খানে বসে আছে। আর আমি তাকে দেখতে পাচ্ছিনা। কারণ সেখানে রেসমি নামে মেয়েটি বসে আছে তাও আবার কানে এড ফোন দিয়ে। আমি তাকে বললাম আচ্ছা তুমি ঐ বসা থেকে ওঠে একটু এদিকে আসো তো। কথা বলতে বলতে হঠাৎ আমার সামনে এসে দাড়ালো। আরে একি রেসমি এখানে।নীলা কোথায় ।রেসমি আমাকে দেখে হতভাগ আমি অনেকটা চেন্জ আর সে ও কম নয় অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে।এই যে মিস্টার আরিয়ান কেমন আছেন? জ্বি আলহামদুলিল্লাহ। আপনি কেমন আছেন। জ্বি দেখতেই তো পাচ্ছো আমি কেমন আছি।হঠাৎ এমন কথা শুনে অবাগ হয়ে গেলাম। তাহলে নীলা কোথায় ওকে বললাম। আরে নীলা মানে, ওহ বুঝে গেছি ,আমাকে পাওনি আর আমার বোনকে তুমি পটিয়ে ফেলেছো বেদদব ছেলে।আচরণের ভিন্নতা হলেও ওর চোখের দিকে তাকিয়ে দেখি ওর চোখে কোনে জল নেমেছে আর একটু হলেই ও কেদে দিবে।চোখের কোনে কালো দাগ ও পড়েছে।আর নীলা ওর বোন মানে এ ভাবতে লাগলাম ব্যাপারটা কি। ওর দিকে তাকালাম দেখলাম ফুফিয়ে ফুফিয়ে কাঁদতেছে। কাদুক তাতে কি, আমাকে তো সে বন্ধু ভাবে তাহলে আজ কেনো আসছে। আমি তো নিজেই ওকে বলেছিলাম। পরে দেখি নিলাও আসছে৷ আমাকে দেখে সালাম দিলো ভাইয়া কেমন আছেন আপনি? জ্বি আলহামদুলিল্লাহ আপু। আপনি কেমন আছেন? জ্বি ভাইয়া ভালো। নীলা বলে ওঠলো জানেন ভাইয়া.. আপনাকে কেনো সে রিজেক্ট করছিল ! যাতে আপনি আপনার নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।আপনি যোনো তার উপযুক্ত হতে পারেন।আপনাকে সে যেনে আপনার পাশে পায় সববসময়।আপু সত্যি ভাইয়া আপনাকে অনেক ভালোবাসে।প্রায় মাঝ রাতে আপনার জন্য কাদে।তাই আমি অবাদ্য হয়ে প্রায় সময় নীলা আপুর ডাইরি চুরি করে পড়তাম।আর সেখানে প্রায় পাতা জুড়ে আরিয়ান লেখা। পড়ে বুঝতে পারলাম। আর আপনি যে আমাদের বাসার সামনে আপুকে সাথে নিয়ে আসছিলেন ,, সেটা হয়তোবা আপনার মনে নেই। আমি এি সময় ছাদে ছিলাম আর বাসার ছাদ থেকে দেখেছিলাম ।আর এজন্য খুব সহজে আপনাকে পেয়ে গেছি। আপু কষ্ট গুলো লাগব করার জন্য আমি এই অভিনয় করেছি মাফ করে দিবেন আমাকে।সেদিনের আসার খবরা আমি আপুকে দিয়েছি জানেন সেদিন আপুর মুখে হাসির দেখতে পেলাম সে হাসিটা আমাকে এতো টাই ভাবিয়ে ছিলো যেনো সত্যি কারের ভালোবাসা গুলো এমনই হয় ।বিশ্বাস করতে পারতে ছিলোনা,,, তাই বাজি ধরে আসছি এখানে,, নীলা ওর আপুকে বললো কাদতে হবেনা এখন তো আসছে আমার বাজির টাকা দিয়ে দে আমি আইসক্রিম খাবো। নীলা বড় হয়ে গেছে অথচ বাচ্চাদের মতো ব্যবহার রয়েই গেছে।আর মিষ্টি মিষ্টি কথাও বলে। আমি কি বলবো কিছু ভেবে পাচ্ছি না ।আমার পকেট থেকে টাকা গুলো নীলা কে দিলাম। সে বললো এতে হবেনা আগে তো আপুর রাগ ভাঙ্গান তারপর নিবো। এই বলে নিলা চলে গেলো। আমি রেশমির দিকে তাকিয়ে আছি।কি বলবো হঠাৎই একটা বুদ্ধি আসলো!! হাট গেরে বসে পার্কের মধ্যে প্রপোস করলাম। আমি কি আপনাকে ভালোবসতে পারি! ...নৌ রিপ্লে? আপনি কি আমার বাবুর আম্মু হবেন। .... কেঁদেই চলছে।মেয়েরা আর কিছু পারুক বা না পারুক এই টাতে এক্সপাট। ওকে...আপনি কাঁদেন আমি চলে যাচ্ছি?কি যাবো হাটতে মনে চাচ্ছেনা তাই দিরে দিরে হাটতেছি... যদি ভালোবাসার মানুষকে এখনো আগের রুপেই দেখতে পাচ্ছি। অতীত সব ভুলে গেছি। ওর মায়াবি মুখটা ভেসে ওঠেছে আবার নতুন রুপ জম্ম নিচ্ছে ওর জন্য। কিছু দূর আসতেই সে পিছন জরিয়ে ধরলো.. ঐ বজ্জাত ছেলে তই কেনো আমার চোখের ভাষা বুঝিসনা।জানিস এই রেসমি তোকে সারাজীবন ভালোবসবে, তোকে ছাড়া সে বাচবে কি করে।তুি কি জানিস না রেশমি তোকে পাগলের মতো ভালোবাসে।বলেই কেঁদে দিলো। কি আর করবো অনেক অভিনয় করলাম এবার তো আর পাচ্ছিন,, ওরদিকে ফিরে তাকালাম,, আস্তে করে ওর চোখের পানি গুলো মুছে দিলাম ।ওর কপালে একটা ভালোবাসার পরস একে দিলাম ।তার পর ও আমাকে কিস করতে লাগলো।সেদিন অনেক সময় ওকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। আমিঃ কি করছো, মানুষ তো দেখে ফেলবে, দিনে দুপুরে কেউ কাউকে এভাবে জড়িয়ে ধরে। দেখলে দেখুক তাতে আমার কি আমি তো আমার মনের মানুষ কে ধরেছি। কোথাও যেতে পারবানা, আমি তোমাকে কোথাও যেতে দিবোনা, প্লিজ ওই দিনের কথা গুলো বলার জন্য আমাকে মাফ করে দাও। দিবো একট শর্তে তুমি রাজি, বলো! হুম বলো কি শর্ত,, তুমি কি আমার বউ হবে পারবে। হুম পারবো।বলেই মুচকি হাসি দিয়ে আমার বুকে মুখ লুকালো। হঠাৎ নীলা এসে বলে ফেললো কি ব্যাপার মানুষের সামনে এমন করিস কেনো থামেক তোরা.নীলার দিকে তাকিয়ে দুজনেই হেসে দিলাম।।অনেক গুরলাম সন্ধার দিকে একটা চুমো দিয়ে বিদায় দিয়ে চলে গেলো নীলা আর ও?আমি ও চলে আসলাম। তারপর দু পরিবারের কথাতেই বিয়ে হলো। বাসর রাতঃ............. #আমি খুব একটা গল্প পারিনা তবে অন্যর জিনিস নকল করাও পছন্দ করিনা।আর হ্যা ভাই লেখা গুলো ঠিকই লিখি কিবোর্ড এর প্রভলেম হয়।য়ার করনে অনেক লেখা ভুল হয়ে যায়।তবে বুঝে পড়ার অনুরোধ রইলো।ভুল গুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অবশেষে তাকে পেলাম

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now