বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সবাই গিয়ে গেষ্ট হাউজে উঠলাম।গিয়ে তো অবাক।একিরে বাবা।সবাই তো চলে এসেছে।ভেবছিলাম মাত্র ৩০ জন।এখন তো দেখি অারও অনেকে এসে গেছে।অামরা তো কাওকে চেহারাগতভাবে চিনি না।তাই অামি ভুলে কবির ভাইয়াকে সামির ভাই অার সামির ভাইকে ডেজার্ট ভাই ভাবলাম।অাবার রামিশা অাপুকে ঐশি অার ঐশিকে রামিশা অাপু মনে করে কুশল বিনিময় করলাম।তখন এরা সবাই অামার দিকে এমন রাগের চাহনি দিল যে মনে হল হিমালয় পাহারের বরফ গলে যাবে।অামি ঢোক গিলে বললাম "অামি কী ভুল বলেছি"।এই দুই মেয়ে অামার সাথেএমনভাবে ঝগড়া শুরু করল যে অামি তো ধরাশায়ী।যদিও কাব্য ভাই অার সামির ভাই অার কবির ভাই কিছু বলল না।কাব্য ভাই কোনোমতে অামাকে বাঁচাল।মনে হল যেন কাব্য ভাই মহাবীর রুস্তমের মতো বুকের সাহস নিয়ে কথা বলেছেন ওই মহারথীর বিরুদ্ধে।
যাই হোক এবার তো সবাই পরিচিত হলাম।সবার সাথে মিশে সবাই খুশি।এমন সময় গেষ্ট হাউজের মেনেজার বললেন "ভাইয়ারা এই গেষ্ট হাউজের রান্না করার কেউ নেই ৭ দিনের জন্য।অামরা তো চিন্তায় পড়ে গেলাম।তখন পি কে ভাই বলল্
পি.কে.: অারে মেয়েরা যেখানে থাকে
সেখানে এতো চিন্তা করার কী
হল?তারা যেমন মমতাময়ী,তেমনি
সকলের বিপদেও ঝাপিয়ে পরেন।
তারা থাকতে চিন্তা কী?
রনি ভাই,অাব্দুল্লাহ ভাই,মফিজুল সবাই একযোগে বলল,
"ভাই কী বলতে চাইছেন?"
পি.কে.:ভাই তারা থাকতে রান্না করার
সমস্যা কোথায়?
এতোক্ষণ অামি,কাব্য ভাই,ফারহান ভাই সহ সবাই নিরব দর্শক ছিলাম,এবার বিষয়টা বুঝে কাব্য ভাই বলল,
"সত্যিই বলেছেন,তারাই তো রান্না করতে পারবে,তবে অামরা সবাই সাহায্য করব"।
মেয়েদের দল সব শুনে বলল তারা রান্না করতে রাজি।তবে কাব্য ভাইকেও রান্না করতে হবে।কী অার করা কাব্যভাই অগত্যা রাজি হলেন।অামিসহ সবাই রান্নার ব্যাবস্থা করে দিলাম।এবার ইভা,ঐশি,অারফা,তোবা,নোভা,রোবো অাপু,জলি অাপু, পুষ্প সহ সব মেয়েরা রান্না করতে শুরু করল।এইসময় বকুল ভাইয়ের সাথে দেখা।তিনি অামায় গ্রাহ্য না করে অবজ্ঞা করলেন।কিন্তু মফিতো মিশুক।তাই বেচারা শেষমেষ মিশল অামাদেরর সাথে।
সবাই রন্নার অবস্থা দেখছি অার অপেক্ষা করছি।বেচারা কাব্য ভইয়ের অবস্থা শোচনীয়।সব শালিকারা তাকে দিয়ে শেষ পর্যন্ত রান্না করাচ্ছে।অাগুণের উত্তাপে অতিষ্ঠ হয়ে বেচারা কাহিল।ইভ বলল,
"দুলাভই,এইটুকু অাগুণের উত্তাপ সহ্য করতে পারেন না?তাহলে ১৪ টা অাপুকে সামলান কিভবে? "কাব্য ভই চালাক চতুর মানুষ।তিনি উত্তর দিলেন,
" দেহ মোর হয় না বিচলিত,
অাগুণের উত্তাপে,
যখনই মুসলিম ভইয়েরা হয় পদদলিত,
দেহ মোর হয়ে উঠে উত্তপ্ত মানস দহে,
এই অাগুণ সে তো তুচ্ছ,
অামি শ্রেষ্ঠ সৃষ্টির একজন,
এই অাগুণ অামার কাছে পুষ্প গুচ্ছ,
অামি উত্তাপ সহ্যকারী একজন,
করেছু সহ্য কত রোদের উত্তাপ,
হই নো কো কভু কপোকাত।
শালিকা তুমি বলো ১৪ বউ শামলাই কেমনে?
অামার অাছে দৃঢতা মনে।"
পুরো ঘর হাততালিতে ভারে গেল।সবাই একবাক্যে বলল কথা ঠিক।কাব্য ভাই মনে মনে ঠিক করলেন অার জীবণে মেয়েদের ঝামেলায় পড়ব না,হৃদয় অার মফির মতো নিরাপদে থাকব।যা হোক রান্না শেষ হলো।এবার খাওয়ার পালা।পাঠকরা যান হাত ধুয়ে অাসুন।সবাই একসাথে খাই চলুন।
খাওয়াদাওয়ার পর,
একটা বড় রকমের বেড়াঘেরা টাওয়ারের মতো ছাদ অাছে।ভাগ্যিস অাজ শুক্লাদ্বাদশী,তাই সব উজ্জল হয়ে অাছে।
মাঝে মাঝে বন্যপশুর চিৎকার অার লতাপাতা নড়ার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে
।সত্যিই মনোরম দৃশ্য।অামার অাবার অনেক রাতে ঘুমানোর অভ্যাস।তাই ওইখানেই অাড্ডা দিচ্ছি।কেউ কেউ ঘুমিয়ে পড়েছে।
এদিকে কাব্য ভাই এখন একজন পেশাদার কবি হয়ে উঠেছেন।তার লেখা কবিতা গুলো সকলের কাছে ভালো প্রশংসাই পাচ্ছপ তাছাড়া ভালো পরিমাণে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।এখন তিনি অারও একটা কাব্যগ্রন্থ লিখছেন"স্বপ্ন কন্যা কবিতা" নামে।এতে নতুন অারও কিছু কবিতা লিখছিলেব অামার সামনে বসে।অামি চাঁদের অালোয় চারপাশ দেখছিলাম।এর পর কী হল জানতে চোখ রাখুন "The Adventure of All GJ's(3)" তে।
এখনের মতো বিদায় নিচ্ছি।অাশা করি ভালো থাকবেন এবং সবসময়ের জন্য ভালোর দলেই থাকবেন।
বিদায়।খোদা হাফেজ।অাল বিদা।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now