গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
জিজে রাইটারদের জন্য সুঃখবর ! এবারের বই মেলায় আমরা জিজের গল্পের বই বের করতেছি ! আর সেই বইয়ে থাকবে আপনাদের লেখা দেওয়ার সুযোগ! থাকবে লেখক লিস্টে নামও ! খুব তারাতারি আমাদের লেখা নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হবে

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

রোকসানার জ্বর

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হেলাল নিরব (০ পয়েন্ট)



মইদেয়া কাদামাটিতে স্টিলের গাবলায় ধানের চারা নিয়ে এদিক-ওদিক করছে শীর্ণ দেহের মেয়েটি। নিয়মিত বিরতিতেই তার বাজানের গম্ভীর ডাক পরে, ‘রুকু, ও হারামজাদী-জানোয়ার দে পাতো দে...’ ধানের চারা নিয়ে ছুট দেয় রোকসানা। বাবার ঐ অসভ্য গালি শুনতে শুনতে বিতৃষ্ণা ধরে গেছে তার। আগের মত এখন তার আর তেমন ভয়ও লাগে না।বরং গালি শুনলেই তার হাসি পায়। বাজানের পায়ের কাছে কয়েক মোটা ধানের চারা রেখে আবার ডুবে যায় কাদা-জলের চিন্তায়। একপা উঠায় শব্দ হয় ‘ছলাৎ।’ মইদেয়া জমিতে দ্রুত পা ফেলে এগোয়। কাদামাটিতে টেনে ধরে তার ছোট পা। শব্দ হয়, ‘ছপক-ছলাৎ, ছপক-ছলাৎ..’ শীতের শুষ্ক আদ্রতায় ঠোট শুকিয়ে ফেটে কয়েক খন্ড হয়ে গেছে রুকুর। সেখান থেকে রক্ত বের হওয়ার সাথে সাথেই সেটা খেয়ে ফেলে সে। বেশ তাড়িয়ে তাড়িয়ে নোনতা রক্তের স্বাদ নেয়।আবার ডাক পরে তার বাজানের, ‘রুকু, তোর মারে চা পাঠাইতে ক। যা তারাতারি যা।’ আদেশ শোনা মাত্রই দৌড় লাগায়, রুকু। কাদা মাটিতে মিশে অদ্ভুত শব্দ হয় ‘ছপক-ছলাৎ, ছপক-ছলাৎ..দুম.’ মোকছেদ মিয়া বেশ বিরক্ত চোখে পিছে তাকায়, ‘জানোয়ারের বাচ্চা খাস নাই! বেইন্না হালেও-তো এক থাল পান্তা গিললি;সেই শক্তি কই? যা কাপড় বদলাইয়া চা নিয়া আয়। যা তারাতারি আবি..যা! - বেশ বিরক্ত ‘রুকু’র বাবা মোকছেদ মিয়া। রাগে গজরাতে গজরাতে আওড়ায়, ‘নাহ্ মাইয়াডা নিয়া আর পারা গেল না।কবে যে...’ কাজে মন লাগায় মোকছেদ মিয়া। ফচ্ ফচ্ করে মাটিতে পুততে থাকে ধানের চারা।জমিনে তাকিয়েই হাক ছাড়ে মোকছেদ, ‘রুকু গেলি।’ পরক্ষণেই কানে আসে কাদামাটিতে মিশে ওঠা অদ্ভুদ শব্দ। রুকুর মা দৌড়ে আসে। দুটো চড় পরে রুকুর গালে। তবুও সে খিলখিল করে হাসে। ‘দেহ মাইয়ার ঢং! ঠান্ডায় গা কাপে,আর হে হাসে! দেহি- ’ কাপড় বদলায় রুকুর মা। চেনা এক শঙ্কায় মুখ ভারি হয়ে ওঠে তার। ‘এহন পরবি কি?’ ‘ভাইরডা দেও হের তো দুইডা জামা’ ‘তোর ভাই অহন ইস্কুল যাবে।তুই কাথার তলে যাইয়া ঘুমাই থাক, যা।’ কতক্ষণ ঘুমিয়েছে সে জানে না। বাজানের কর্কশ কণ্ঠে ঘুম ভাঙ্গে রোকসানার।ধরমড় করে উঠে বসে বিছানায়। গা থেকে কাথা সরিয়ে জানালা দিয়ে বাইরে তাকায়। নারকেল গাছের পাতার ফাকে রোদ চকমক করে ওঠে। তার ছোট চোখ দুটিকে বন্ধ করে দেয়। অব্যর্থ ভাবে চোখ খোলার চেষ্টা চালিয়ে যায় সে। কিন্তু পারে না। বেশ গরম অনুভুতি হয় তার। গাছে ঘুঘুর একটানা ডাক দীর্ঘতর হয়। সোনালী রোদে মন্থর বাতাসে নারকেলের পাতাগুলো কাপে। তাতেই রুকুর চোখে সোনালী আলো খেলা করে। মিটমিটিয়ে হাসতে থাকে রুকু। ‘তোমার মাইয়া কই?’ ‘ও তো ঘুমায়। ক্যান, কি হইছে?’ চা পাঠাইতে কইলাম আর মাথাফুলাটা এহনও ঘুমায়। কই ও? -রাগে লুঙ্গিতে কোছা মারে মোকছেদ। ঘরের দাওয়ার পাশ থেকে ছেলের গোঙ্গানির আওয়াজ আসে তার কানে। ছেলের কান্নার শব্দে অগ্নিমূর্ত রাগটা কর্পূরের মতো উবে যায়। ‘কি হইছে বাজান?’ ‘আমি স্কুলে যাব না’ ‘ক্যান বাজান, স্কুলে না গেলেতো বড় হইতে পারবায় না। ব্যারিস্টার হইতে পারবায় না। নিত্য স্কুলে যাইতে অয়। এই নাও’- বলে কোমোরের থলে থেকে একটা একটাকার কয়েন ছেলের হাতে রাখে। ছেলের কান্নাও থেমে যায় মুহুর্তেই। মোকছেদ মিয়া আশা ভরা চোখে তাকায় ছেলের দিকে। বেশ আবেগ নিয়ে আচল দিয়ে ছেলের চোখের পানি মুছল তার মা। ‘আমার পোলা ব্যারিস্টার হইবো না,ঢাহায় চাকরি করবো। নে বাজান। মাস গেলে টাউন থাইক্কা টেহা পাঠাবো আমাগো লাইগ্গা।’ প্রসারিত মুখটা সংকুচিত হয়ে আসে মোকছেদ মিয়ার। চোখ ঘুরায় পিছনে থাকা রুকুর দিকে।অন্ধকারের হিংস্র পশুদের মতো জ্বলজ্বল করে ওঠে তার চোখ। ‘রুকু তরে না চা পাঠাইতে কইছিলাম!’ ‘ভুইলা গেছি বাজান’ ‘ভুইলা গেছস্ দ্বারা! ’-লুঙ্গি কাছায় মোকছেদ।ভয়ে দৌড়ে পালায় রুকু। সরাসরি বাড়ির দক্ষিণ দিকে,হিজল তলায়। বাবার দৌড়ানি আর মায়ের বকা খাওয়ার পরে একমাত্র এখানেই তার ঠাই মেলে। বেলা পড়ে গেলে গুটিগুটি পায়ে এগোয় ঘরের মুখে। সন্ধ্যেটাই তো ঘরে ফেরার মোক্ষম সময়।গাছে গাছে পাখির কিচিরমিচির আর একটানা ঝিঝির বিদঘুটে শব্দে হিজলতলায় অবস্থান করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। তা না হলে হয়ত সারা রাত দাড়িয়ে থাকতেও তার দ্বিধা নেই। একই কাজ এক মনে করাটা তার কাছে খুবই আনন্দদায়ক মনে হয়। সন্ধ্যেটা আরও গাড়ো হয়। ধীরে ধীরে অন্ধকারে ছেয়ে যায় চারদিক। পাখিদের ডাকাডাকিও থেমে যায়। রুকুর ছোট ত্রুটিপূর্ন মাথা ও একটাই সাড়া দেয়,ঘরে ফিরতে হবে। ‘রুকু আয় পা ধোয়াই দি’ রুকু মায়ের কাছে যায়। গরম পানির গাবলায় পা দিতেই ফিক করে হেসে ওঠে। হাসতেই থাকে। সে হাসিটা বন্ধ হয় তার বাজানের কাশির শব্দ শুনে। ভয়ে সিটিয়ে ওঠে সে।তার ছোট আর ত্রুটিপূর্ন মাথায় একটাই চিন্তা ঘোরে, পালাতে হবে। রাত গভীর হয়। চাঁদও আস্তে আস্তে ঢলে পরে। আর একই গতিতে রুকুর গায়ের জ্বর বাড়ে। চিৎকার করে উঠে বসে বিছানায়। মা আসে, কাঁথা -কম্বলে জড়িয়ে কোনরকমে নির্ঘুম অসহ্য রাত পার করে রুকু। পরেরদিন সকালের সূর্যটা দেরী করে ওঠে। মুখে সোনালী আলো পরতেই বিছানা ছাড়তে চায় রুকু। কিন্তু পারে না। মাথা ঘুরিয়ে পরে যায়।একমনে সূর্যের রশ্মির সাথে স্বৈর্গিক খেলায় মেতে ওঠে। অসহায় মানুষের মতো ইচ্ছের বিরুদ্ধে সারাটা দিন যুদ্ধ করে কাটায় বিছানায়। সন্ধ্যেয় বাজান আসে ‘প্লেন নাপা’ হাতে। প্রচন্ড ভয়ে ভয়ে গিলে ফেলে সেটা। লাগাতর কয়েক গ্লাস পানি খায়। তারপরেও তার মনে হয় সেটা গলায় বিঁধে গেছে। প্রচন্ড অস্বস্তি বোধ করে সে।যেমনটা পানিতে ফেলা বড়শিকে ক্ষুধার্ত মাছ গিলে খায়। এবং যখন বুঝে সে আটকে পরেছে;তখন যেমন পাগলের মতো বাঁচার তাগিদে ছোটে, ঠিক তেমনই অস্বস্তি অনুভবে ছটফট করে রুকু। গলার ভিতরে জীবন্ত কিছু নড়াচড়ার আভাস পায়। কিন্তু তার বাজানের সামনে অস্থিরতা প্রকাশ করে না। চুপচাপ শুয়ে পড়ে।কিন্তু তার ঘুম আসে না। বিছানায় উঠে বসে। ভিতরের ঘরে মায়ের চাপা কন্ঠ শুনতে পায়, ‘পোলার লগে মাইয়াডারেও ইস্কুলে পাঠাইলে ভালো হইতো না?’ খেকিয়ে ওঠে মোকছেদ, ‘লেলাভুলা মাইয়া হের আবার স্কুল!হোন, ওই মাথাফুলার কথা না ভাইবা,পোলাডার দিকে একটু নজর দিও। দেকছো কি বুদ্ধি!দেইখো এইবারও মোর পোলায় আওয়াল নাম্বার আনবো।’ ‘স্কুল না গেলে কিরমে ওইবো! হের জন্যই কইছি,দুইজনরে একসাথে পাঠাইলে, নিত্য যাইতো স্কুলে। ভাইবা দে হ।’ চাপা একটা আওয়াজ হয় পাশে। মোকছেদ মিয়া গভীর যত্নে কম্বলটা জড়িয়ে দেয় ছেলের গায়। কপালে চুমু খেয়ে বলে, ‘ও ই আমাগো ভবিষ্যৎ, বংশের বাত্তি। আর রুকুরে তো..’ সামনের বারান্দায় খিলখিল করে হেসে ওঠে রুকু। জ্বরে তার গা ছোয়া দায়। দুশ্চিন্তার রেখা ফুটে ওঠে দম্পতির চোখেমুখে। শেষে নিজের জন্য আনা বেশী পাওয়ারী ঔষধ খাইয়ে দেয় মোকছেদ। কিছুক্ষণ যেতে না যেতেই বমি করে দেয় রুকু। শক্তিহীন শরীরটা নেতিয়ে পরে মায়ের বাহুতে। খিল খিল করে হেসে ওঠে রুকু।তা দেখে রাগে গজরায় মোকছেদ, ‘ঘুমা নাইলে মাইর দিমু!’ ভয় পায় না রুকু। সে তো এখন শোনেই না তার বাজানের ভয়ংকর হুমকি। অবচেতন মনে ঝি ঝি পোকার ডাকের সাথে সুর মিলায়, ‘কিট..কিট..কিট...’ মোকছেদ মিয়া দাঁতে দাঁত ঘষে। গ্রামের নানা মানুষ নানা কথা কয়,কেউ প্রতিবন্ধী কেউ বলদ। আবাল-বৃদ্ধ-বাচ্চা, রুকুকে নিয়ে মজা করতে কেউ-ই ছাড়ে না। রুকুকে নিয়ে গ্রামের সবার মাথা ব্যাথা,তাকে বিয়ে দিব কেমনে? কারো সাথে ঝগড়া লাগলেই বলে, রুকু তাদের পাপের ফল। এসব শুনে শুনেই রুকুর প্রতি দম্পতির মনে অবহেলার সৃষ্টি। আর সেই অবহেলার তলোয়ারের তলে বলির পাঠা রুকু। দাঁতে দাঁত ঘষে রুকু। রুকুর মা অঝোরে কাঁদে। মোকছেদ মিয়ার চোখ লাল হয়ে ওঠে।মারার জন্য হাত তুলে এগোয় রুকুর দিকে। কয়েক ঘা বসাতে বসাতে গজরায়, সারাদিন ধরে জ্বালাইছে, এহন এই রাইতের বেলায় ও। হালার মাইয়া জাত মরে ও না! শান্ত হয়ে যায় রুকু।ঘরের কোণে দেবদারু গাছে ঘুঘুর ডাক দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়। তীক্ষ্ণ হয়ে কানে আসে দম্পতির। ভয় পায় রুকুর মা।মোকছেদ তার তিন সেলের টর্চ জ্বেলে খোঁজে। পায় না। একটুকরো মাটির চাক তুলে শব্দটার দিকে ছুড়ে মারে। শব্দটা আরও দীর্ঘ এবং তীক্ষ্ণ হয়। মেজাজ খারাপ হয়ে যায় মোকছেদের। এক নাগাড়ে ছুড়তে থাকে মাটির চাক। ডাকতে ডাকতে উড়ে যায় ঘুঘুটি। ডাক মিলিয়ে গেলে ঘরে ঢোকে মোকছেদ। রুকু খিল খিল করে হাসে। ‘মাথায় পানি দিতে ওইবো?’ গায়ে হাত দেয় মোকছেদ। আনমনে বিড়বিড় করে, ‘না, ডাকতার ডাহন লাগবো’ যোগেন ডাক্তার তখন ঘুমিয়ে নাক ডাকছে। বেশ সাহস করে কয়েক বার ডাকে মোকছেদ। কাজ হয় না। দরজার উপর কড়া নাড়ে, তাতে ও না। রিতিমত ধাক্কা লাগায় দোরে। চিৎকার চেচাঁমেচিতে ডাক্তার যে বেশ বিরক্ত তা মুখ দেখেই বোঝে মোকছেদ। রুকু আনমনে শব্দ করে ওঠে, কিট.. কিট..কিট... ডাক্তার তাকে চেক করে। ‘কিচ্ছু হইব না। কান্না কাটির দরকার নাই। মাইয়া মানুষ এত সহজে মরে না।ঘুমের ঔষধ দিছি, একেবারে দুপুরে ঘুম ভাঙবে।’ বিদঘুটে মুখভঙ্গি করে হাই ছাড়ে ডাক্তার। বিড়বিড় করে আওড়ায়, ‘ক্যান যে ডাক্তার হইলাম! সামান্য জ্বরের জন্য এত রাইতে..!’ টর্চ জ্বালিয়ে ডাক্তারকে বাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসে মোকছেদ। ঘুমানোর সাথে সাথেই নাক ডাকতে শুরু করে ডাক্তার। সকালের সূর্যটা দ্রুতই উঠল। সরাসরি সোনালী আলো পৌছালো মোকছেদের ঘরে। অজানা আশংকায় গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে যেতে থাকে মোকছেদ। জানালাটা খুলে দেয়।সূর্যের আলো নারকেল গাছের পাতায় পরে চকমক করছে। সেটার প্রতিফলন বিছানায় রুকুর মুখে। এক মুহূর্তের জন্য মনে হল তার মেয়েই পৃথিবীর সব থেকে সুন্দর মেয়ে।রুকু যেন একমনে সূর্য রশ্মির স্বৈর্গিক খেলায় মেতে আছে। গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে যায় মোকছেদ।কপালে হাত রেখে জ্বর মাপে। রুকুর গায়ে একটুও জ্বর নেই। শরিরটা এখন বেশ ঠান্ডা। বিছানায় এলোমেলো কাথাটা খুব যত্নে টেনে দেয় রুকুর মাথা পর্যন্ত।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৪২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়
→ জ্বর নিয়ে ভর্তি
→ জ্বরের ঘোরে
→ চার-পাঁচদিন জ্বরের ঘোরে
→ ১০৩ ডিগ্রি জ্বর
→ ছেলেটার জ্বর
→ সীতাভোগ খাওয়ার জ্বর (পর্ব:২)
→ সীতাভোগ খাওয়ার জ্বর

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...