বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রোমান্টিক বউয়ের অত্যাচার

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান M A Kadir Efthe (০ পয়েন্ট)

X বাসর ঘরে ডুকতেই রিহানের বউ লিজা বলল, - এই এখন কয়টা বাজে? - ১২টা বেজে ২২ মিনিট! - এত লেইট কেন রুমে আসতে? - আসলে আমি .... অর্ধেক কথায় থামিয়ে দিয়ে লিজা বলল, - শুনেন রাত ১০ টার পর রুমে ডুকলে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে! - মানে? - কোন মানে মানে চলবে না বলে দিলাম! - ব্যাপার কি নতুন বউ'রা তো এভাবে কথা বলেনা! বিয়ের প্রথম রাত তো মেয়েরা লজ্জা লজ্জা অনুভব করে! - শুনেন আমি অন্যদের মতো না ওকে! - তাহলে কেমন? - আমি খুব ভয়ানক! - আচ্ছা অনেক রাত হয়েছে ঘুমাতে হবে! - নামাজ পড়েছেন? - না পড়া হয়নি! এক্ষুনি নামাজ পড়ে আসেন নয়তো এই রুম থেকে বের হয়ে যান! লীজার এমন আচরন দেখে রিহান খুব ভয় পেয়েছে! মনে মনে বলতে লাগল, - সর্বনাশ আমার মা দেখি খাল কেটে কুমির আনছে, যে বউ বিয়ের প্রথম রাতেই এত কথা আর পেইন দিতে পারে তাহলে তো সারাজীবন আমাকে পেইন দিবে! কেন যে এরেঞ্জ ম্যারেজ করলাম উ'ফ! ভিতর থেকে লিজা বলল, - এই আপনি রুমের বাহিরে কেন? আমি কি বলেছি শুনেন নি? - ওযু করতে এসেছি! - ওয়াসরুম তো ভিতরে তাহলে বাহিরে কেন? - ওহ মনে নেই! - এত মন ভুলা চলবেনা বলে দিলাম! - আপনি এত কথা কেন বলেন? - চুপ একদম চুপ আমার সাথে তর্ক চলবেনা ওকে! ওযু করে নামাজ শেষ করে রিহান গেল লিজার কাছে! কাছে গিয়ে হাত বাড়িয়ে বলল, - এই তোমার হাত অনেক সুন্দর আমি একটু ধরি! - আমার হাত ধরতে হলে আমাকে ৭০হাজার টাকা দিতে হবে আগে তারপর হাত ধরবেন! - মানে কি হাত ধরার জন্যে আমি টাকা দিব কেন তাছাড়া আমি আমার বিয়ে করা বউয়ের হাত ধরবো তাতে টাকা লাগবে কেন? - আমার কাবিনের টাকা ৭০ হাজার আর কাবিনের টাকা পরিশোধ না করলে আপনি আমাকে স্পর্শ করতে পারবেন না! - মানে কি এসব এর! - আমি মাত্র ৭০ হাজার টাকা কাবিন কেন বলছি জানেন যেনো আমার বর আমাকে বাসর রাতে কাবিন পরিশোধ করতে পারে! - আচ্ছা বুঝলাম তাহলে আগামীকাল দেই আজ তো টাকা নেই হাতে টাকা ব্যাংকে! - তাহলে আজ আর হাত ধরার দরকার নেই কাল হাত ধরবেন! এখন ঘুমাব বায়..! কিন্তু রিহান মন খারাপ করে বসে আছে কিছু বলছেনা! লিজা বলল, - এই আপনি ঘুমাচ্ছেন না কেন? - এমনি ঘুম আসছেনা! - আচ্ছা একটা কথা বলি? - হুম বলো! - আপনার বউ দেখতে কেমন বললেন না যে....? - দেখতে মাশাআল্লাহ! কিন্তু সারাজীবন মনে হয় পেইন খেতে হবে! - ওহ তাই বুঝি! - হুম! - বুঝে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ! - আচ্ছা! - এই দেখি আপনার মানিব্যাগটা! মানিব্যাগ এর কথা শুনে রিহান মনে মনে ভাবল, - বাবা রে এই মেয়ে দেখি ডাকাত আমার সব নিয়ে চলে যাবে মনে হয় সাবধান রিহান! এমন সময় লিজা বলল, - এই ভয় পাচ্ছেন কেন? - কোথায়? - তাহলে মনে মনে গালি দিচ্ছেন তাইনা? - গালি দেব কেন? - তাহলে মানিব্যাগ দাও! - এই নাও! - এই মাত্র ৪হাজার টাকা এত কিপটা কেন? - মানিব্যাগে কি সব সময় টাকা থাকে নাকি? - আচ্ছা ৪হাজার নিলাম আর বাকি টাকা আগামীকাল দিবেন! - তারপর এখন কি করবো? - এবার আমার হাত ধরতে পারো! - শুধু কি হাত ধরবো? - হ্যাঁ শুধু হাত ধরবে আর কিছু না! - তাহলে থাক আজ আর ধরবোনা! - কেন? - এমনি। - আজ হাত না ধরলে আর কোনদিন ধরতে পারবেনা। - এই আপনি বেশি কথা বলেন কেন? - একদম চুপ আমি আগেই বলেছি আমার সাথে তর্ক করতে আসবেন না। - আচ্ছা করলাম না তর্ক। এই বলে রিহান রুম থেকে বের হয়ে ছাদে গেল! ছাদে গিয়ে মোবাইল হাতে নিয়ে রুহিকে ফোন দিল, রুহি তখন ঘুমাচ্ছে মোবাইলে রিং হচ্ছে কিন্তু খবর নেই। রাত বাজে ২টা একটার পর আরেকটা ফোন দিয়েই যাচ্ছে খবর নেই। হঠাৎ পেছনে তাকিয়ে দেখে লিজা দাড়িয়ে আছে লিজাকে দেখে ভয় পেয়ে রিহান বলল, - লা হাওলা ওলা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। লিজা রাগান্বিত কন্ঠে বলে উঠলো, - এই আমাকে দেখে কি আপনার ভূত মনে হয়? - না পেত্নী মনে হচ্ছে। - দেখেন আমার সাথে ফাঝলামি করতে আসবেনা বলে দিলাম। - এই আপনি এত বড় বড় কিভাবে আমাকে বলেন? - এইগুলো তো কিছুই না সামনে আরও অনেক কথা আছে যা আপনাকে মেনে চলতে হবে। - আপনি এখানে কেন? - আগে বলেন আপনি কেন এখানে? - আমার কাজ আছে তাই এসেছি। - রাত ২টার সময় ছাদে কিসের কাজ? - সুইসাইড করবো ওকে! - দেখি মোবাইলটা। - কেন? - বলছি দেওয়ার জন্য তাহলে আবার প্রশ্ন করো কেন? এই বলে রিহানের হাত থেকে লিজা মোবাইলটা নেয়। হাতে নিয়ে দেখে ডায়েলে যাকে ফোন দিয়েছে তার নাম রুহি। রাগান্বিত হয়ে জিজ্ঞাসা করল, - রুহি কে? - কোন রুহি? - এই যে নাম্বার.... - ওহ রুহি আমার ফ্রেন্ড! - এত রাতে ফোন দিয়েছেন কেন? - কাজ ছিল তাই। - থাক আজ আর কিছু বলবনা যা বলার আগামীকাল বলব। এই বলে লিজা রুমে চলে যায়। চলবে_______ ভুল-ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২১১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বউয়ের রোমান্টিক অত্যাচার
→ বউয়ের রোমান্টিক অত্যাচার
→ বউয়ের রোমান্টিক অত্যাচার পর্ব ২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now