বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ছেলেটি ছায়ার মত শান্ত।
শান্ত এবং স্থির।
সরলতাটুকু জোছনার মত লেপ্টে থাকে তার সমস্ত চেহারায়।
সরল। কিন্তু আবার চরিত্রের দিক দিয়ে উহুদ পর্বতেরমত দৃঢ়। এতটুকুও টলে না তার হৃদয়। টলে না কোনো মোহে কিংবা স্বার্থের হাতছানিতে।
চোখ দুটো হরিণের চোখের মত তীক্ষ্ণ। ভঅলো-মন্দের পার্থক্যটা ততোদিনে বুঝে গেছেন আলো আঁধারের মত। আর আমানতের দিক থেকে সে আবার এক অতুলনীয় দৃষ্টান্ত।
খুব কম বয়স।
বয়সে কিশোর তবু বিবেকের দিক দিয়ে পরিপূর্ণ কয়ার মত ভরপুর।
উকাবার ছাগল চরান কিশোরটি।
ছাগলের পাল নিয়ে তিন বেরিয়ে যান ভোর-সকালে।
সারাটি দিন কেটে যায় তার মাথার উপর দিয়ে। মরুভূমির উত্তপ্ত বালু, পাথরের নুড়ি আর মরুঝড়ের সাথে তার বন্ধুত্ব। আর ভঅলোবাসা যত, সে কেবল উকাবার আমানত- ছাগলের পাল।
আজও ছাগল চরাচ্ছেন তিনি।
পশুগুলো খুঁটে খুঁটে খাচ্ছে তাদের ক্ষুধার খাদ্য। আর পরিতৃপ্তির সাথে সেই দিকে তাকিয়ে আছেন কিশোর বালক। ভাবছেন, আহ কী চমৎকার দৃশ্য!
এই মরুভূমিতেও কোন্ সেই মহান স্রষ্টা আহার্ রেখে দিয়েছেন এইসব অবুঝ প্রাণীর জন্য?
ভাবছেন আর মাঝে মাঝে ুদাস দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখছেন ধু-ধু মরুভূীম, দিগন্ত বালিরেখা, আর বৃষ্টিহীন, মেঘহীন স্বচ্ছ আকাশ।
দূর থেকে, বহু দূর থেকে কারা যেন এগিয়ে আসছেন তার দিকে।
খুব ভঅলেঅ করে দেখা যাচ্ছে না তাদের চেহারা।
কারা আসছেন গনগনে বালির তরঙ্গ ভেঙে।
খুব উৎসাহের সাথে সেদিকে তাকিয়ে অপেক্ষায় আছেন কিশোর বালক।
অপেক্ষার পালা শেষ।
ধুলো উড়িয়ে এক সময় তার খুব কাছাকাছি চলে এলেন দু’জন আগন্তুক।
তাঁদের চেহারায় রয়ে গেছে আত্মমর্যাদার গোলাপি শোভা।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now