বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ইন্ট্রোভার্ট মানুষদের নিয়ে নানান ধরনের সমস্যা!
১। এরা খুব বেশী মানুষ পছন্দ করে না, একা থাকতে চায়। কেউ এদের সাথে আগ বাড়িয়ে কথা বলুক তা সহ্য হয় না। কিন্তু এদের ও কিছু প্রিয় মানুষ থাকে;সেই মানুষগুলো যদি তাদের খবর না নেয় তখন আবার অভিমান করে বসে!
২। যা বলতে চায় তা কখনওই ঠিক করে বলতে পারে না, মারাত্মক রকমের জড়তা কাজ করে নিজেকে প্রকাশ করার ব্যাপারে। কিন্তু কখনোও নিজের সমস্যার কথা বলে দেখুন- এই মানুষ গুলোই খুব ধৈর্য ধরে আপনার কথা শুনবে আর বুঝার চেষ্টা করবে।
৩। কাউকে খুব সহজে বিশ্বাস করতে পারে না। ভয় আর ভীষণ রকমের জড়তা নিয়েই এদের জীবনটা কাটে।
একটা অদৃশ্য দেয়াল থাকে তার চারপাশে। কিন্তু যদি আপনি সেই দেয়ালের ভেতরের বাসিন্দা হন, তবে অবশ্যই আপনি ভাগ্যবান! কারণ এরা যাকে বিশ্বাস করে, ভালবাসে তাকে প্রচন্ড রকম কেয়ার করতে জানে!
৪। খুব মন খারাপের সময় ও এ মানুষগুলোর দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারবেন না কি ঝড়টাই না যাচ্ছে তার উপর দিয়ে.. সে মুখে কুলুপ এঁটেই বসে থাকবে,কিন্তু রাত জাগা এ মানুষগুলোর চোখের পানির নীরব সাক্ষী হয়ে থাকে তাদের বালিশগুলো!
কি ভাবছেন? এরা কোন দুনিয়ার মানুষ? আশেপাশে তাকিয়ে দেখুন- আপনার খুব কাছের মানুষটাই হয়তো ইন্ট্রোভার্ট! কত কিছুই যে বলার আছে তার আপনাকে, কিন্তু বলতে পারছে না। আপনি তাকে সাহায্য না করতে পারেন তাকে ঠাট্টা উপহাসের পাত্র বানাবেন না। মজার ব্যাপার হলো কখনো যদি এরকম কারো সাথে আপনার বন্ধুত্ব হয়ে যায়, তবে দেখবেন মানুষটা আর আপনার কাছে ইন্ট্রোভার্ট নেই! বরং প্রচুর কথা বলতে জানে, মজাও করতে জানে, তার শুধু দরকার ছিলো একটা কমফোর্ট জোন, যেটা হয়তো আপনি তাকে দিতে পেরেছেন!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now