বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ফুটবলের গ্রামীণ রীতিনীতি

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান শাকিম (০ পয়েন্ট)

X ফুটবল খেলা তো সবাই চিনেন, তাই না? আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশ সুযোগ পাওয়ার পর থেকে ক্রিকেটটা এদেশে জনপ্রিয় হতে লাগলো। কিন্তু ফুটবল খেলা আমাদের দেশে অনেক আগে থেকেই চলে আসছে। ফুটবল খেলার রয়েছে কিছু নীতিমালা। বেশ কিছু নিয়ম মেনে এই খেলা পরিচালিত হয়। এই লেখায় আমি আপনাদেরকে ফুটবল খেলার ফিফা নির্ধারিত নিয়ম শেখাবো না। আমাদের দেশীয় যে নিয়ম, সেইটা একটু স্মরণ করিয়ে দেবো। দেশীয় বলতে বাফুফের নিয়ম না, এদেশের গ্রামের ছেলেরা নিজেদের খেলার জন্য যেসকল নিয়মের প্রচলন করেছে, সেসব নিয়ম। দেখে নিই নিয়মগুলোঃ ০১। দুই দলের খেলোয়াড়ের সংখ্যা সমান হতেই হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। কোনো দলের একজন বড় খেলোয়াড়ের বিপরীতে অন্য দলটিতে দুইজন ছোট খেলোয়াড় খেলতে পারবে। এইভাবে খেলোয়াড়ের সাইজ কিংবা দক্ষতা অনুসারে দুই দলে খেলোয়াড় ভাগ করা হবে। ০২। দুইদিকের দুই গোলপোস্ট তৈরি হবে ছোট ইট বা স্যান্ডেল দিয়ে। এক্ষেত্রে জায়গামতো গাছ থাকলে সে গাছকে গোলপোস্ট হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। ০৩। খেলার মাঠের কোনো নির্দিষ্ট সীমানা থাকবে না। খেলোয়াড়েরা তাদের সুবিধামতো জায়গা নিয়ে খেলতে পারবে। ০৪। নির্দিষ্ট কোনো গোলকিপার থাকবে না। যে একটু খারাপ খেলে বা খেলতে পারে না, সে গোলকিপার হবে। পরবর্তীতে দলের প্রয়োজনে ইচ্ছেমতো গোলকিপার বদলি করা যাবে। ০৫। খেলার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকবে না। খেলোয়াড়দের মায়েরা যখন কঞ্চি নিয়ে বেরুবে, তখন একে একে খেলোয়াড়েরা বাড়ি চলে যাবে। এভাবে খেলোয়াড়ের সংখ্যা কমতে কমতে যখন এমন অবস্থায় আসবে যে আর খেলা যাচ্ছে না, তখন খেলা বন্ধ হবে। ০৬। যার বল শুধু সে জোরে মারবে। অন্যদেরকে আস্তে আস্তে মারতে হবে। জোরে মারলে খেলা বাদ। তবে বলের মালিকের সাথে কারো যদি ভালো বন্ধুত্ব বা ভালো খাতির থাকে তাহলে সে এই নিয়মের আওতায় থাকবে না। সেও জোরে মারতে পারবে। ০৭। যার বল সে তার প্রয়োজনে খেলা বন্ধ করে দিতে পারবে। ০৮। বল মেরে যে খুব বেশি দূরে পাঠিয়ে দিবে বা কোনো খাল ডোবায় বল ফেলে দিবে, তাকেই সে বল নিয়ে আসতে হবে। ০৯। খেলার জায়গার আশেপাশে কোনো বাড়ি থাকলে আর সেই বাড়িতে বল চলে গেলে যে মেরে পাঠিয়েছে সে বল নিয়ে আসবে। ১০। যে জায়গায় খেলা হচ্ছে সে জায়গার মালিকের উপরেও খেলার সময়কাল নির্ভর করে। জায়গার ক্ষতি হচ্ছে বলে জায়গার মালিক লাঠি নিয়ে এসে তাড়া করলে বল নিয়ে খেলোয়াড়েরা পালাবে। ১১। খেলোয়াড়েরা কোনো নির্দিষ্ট পজিশনে খেলবে না। তারা যখন খুশি তখনই তাদের পজিশন পরিবর্তন করে নিতে পারবে। ***এই লেখাটির মতো একটা লেখা আমি কোথায় যেন পড়েছিলাম, ঠিক মনে করতে পারছি না। সেইখানে এমনই কিছু নিয়মের তালিকা করা ছিলো। আমি নিজে এই লেখাটা লিখেছি(তবে আইডিয়া আমার না) এবং যেখান থেকে আমি পড়েছিলাম, সেখান থেকে কিছু নিয়ম মনে করে লিখেছি, কিছু বাদ পড়েছে, কিছু নিজে থেকে সংযোজন করেছি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now