বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একটি নদীর আত্মকথা

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ধ্রুব (০ পয়েন্ট)



X আমি শ্যামল বাংলার মায়াবী আঁচলে বয়ে চলা এক নদী। হিমালয়ের হিমবাহর বিশাল বরফের স্তর গলে সরল-তরল হয়ে সমতল সুন্দরী বঙ্গভূমিতে আমি নেমে এসেছি। নিরন্তর বয়ে চলাই আমার বৈশিষ্ট্য। আমি দুই তীরকে জল ও পলি দিয়ে সজীব ও উর্বর করে তুলি। আমার ওপর দিয়ে কত মালবাহী নৌকা, লঞ্চ, জাহাজ, পালতোলা নৌকায় যাতায়াত করে মানুষ। আমার তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে কত হাট-বাজার, গঞ্জ-গ্রাম, শিল্প ও বানিজ্যকেন্দ্র। সাদা বক, মাছরাঙা, গাঙচিল আমার ওপর দিয়ে উড়ে যায়। জেলেরা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। কখনো রুদ্ররূপ ধারণ করে আমি গ্রাস করি গ্রাম-জনপদ, ঘরবাড়ি, ফসলের জমি। বর্ষায় আমার রূপ দেখে কেউ রাক্ষসী বলে। আবার গ্রীষ্মে আমার বুকে হাঁটু জল দেখে কেউ-বা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে। এভাবে কখনো সোহাগী, কখনো রাক্ষসী হয়ে বয়ে যাই আমি অবিরাম। আমার নেই কোনো অবসর। আমাকে নিয়ে কত গল্প-উপন্যাস, কবিতা, গান রচিত হয়েছে। কেউ আমাকে দেখে সর্বনাশা হিসেবে, কেই দেখে সজীব, সুন্দর রসদের উৎস হিসেবে। আমি লাজ-নম্র পল্লিবধূর মতো ছন্দ তুলে এঁকেবেঁকে চলি। নদীমাতৃক বাংলাদেশের আমি এক শ্যামল-কাজল নদী। পাহার-পর্বত, জনপদ, গ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাই আমি। আমার রূপ দেখে মাঝি-মাল্লা, জেলে কবি হয়ে যায়। গান গেয়ে দাঁড় টানে মাঝি। আমার এক পারে সুখ, অন্য পারে দুঃখ, মাঝখানে একবুক তৃষ্ণা নিয়ে আমি বয়ে যাই সাগরে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৭৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...