বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গ্রাম্য শৈশবের ফুটবল খেলার স্মৃতি

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান M H TuHin ShaH (০ পয়েন্ট)

X মেসি- নেইমার-রোনালদো কি ফুটবল খেলে? ফুটবল খেলতাম আমরা l বাপরে বাপ খেলা কারে কয়!খেলার কোনো সময় নিধারন করা থাকে না । যেমন- ৪ গোলে হাফ টাইম ৮ গোলে জিতা ! খেলার আগে গেম প্ল্যান অনুসারে সবার পজিশন ঠিক হল। তোরা তিনজন ডিফেন্সে, আমরা দুইজন মিডফিল্ডে, তুই ডানে, তুই বামে। আর তুই মেইন স্ট্রাইকার।খেলায় অফসাইড নাই।রেফারিও থাকে না । তুই (মেইন স্ট্রাইকার) ওদের গোলবারে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে গোলকিপারের সাথে গল্প কর। নিচে নামার দরকার নাই। শুধু আমরা বল আগায় দিলে গোল করবি। খবরদার, মিস হওয়া চলবে না।মিস হলে অধিনায়কের গালি শুনতে হবে ! তারপর খেলা শুরু হওয়ার দুই মিনিট অবধি পজিশন ঠিক থাকলেও তার কীছুক্ষণ পর পজিশন-টজিশন সব ভেঙ্গেচুরে একাকার অবস্থা। ডিফেন্ডার চলে গেছে গোল করতে, স্ট্রাইকার এসে ডিফেন্স সামলাচ্ছে। আরো পরে দেখা গেল মাঠের এক কোণায় একটা জটলা। জটলার মাঝখানে বল। বল যেখানে দুই টিমের গোলকিপার বাদে বাকি সব খেলোয়াড় সেখানে। যে যেদিক থেকে পারতেছে সেদিক থেকে লাত্থি মারতেছে। কিন্তু বল বেচারা বের হওয়ার জায়গা পাচ্ছে না। মাঠে কাদা থাকলে আরেকটা দৃশ্য দেখা যায়। জটলার ভিতর লাত্থালাথি চলতেছে। এক এক জন বলে অলরেডি তিনবার করে লাত্থি দিয়েছে, অথচ বল দুই ইঞ্চিও নড়ে নাই। আরেকজন দৌড়ে এসে স্লিপ, এক স্লিপে দশ হাত গিয়ে বলে মারা। হঠাৎ একজন একহাতে চোখ ধরে চিল্লায় উঠল ‘ঐ, আমার চোখে কাদা পড়ছে’। তারপর আরেক চোখ খোলা রেখে পাশের পুকুরে ঝুপ করে দিল লাফ। কাদা-পানির ভারে আরেকজনের প্যান্ট কোমর ছেড়ে অভিকর্ষের টানে ভূ- কেন্দ্রের দিকে ছুটছে। খেলার শুরু পাঁচ মিনিট পর গোলকিপারের চিল্লানি শুরু করছে। সে অলরেডি ৫ মিনিট গোলকিপিং করে ফেলেছে। এখন আরেকজনকে গোলকিপার হতে হবে। সে এখন স্ট্রাইকিং-এ খেলবে। এরপর আগের স্ট্রাইকার সরাসরি গোলকিপিং-এ চলে এলো । এভাবেই সব প্লেয়ার গোলকিপিং, ডিফেন্স, মিডফিল্ড, স্টাইকিং সব পজিশনে খেলে ফেলে পুরাই অলরাউন্ডার । খেলার শেষে বিজয়ী দল ১০/১৫ টাকা পায় আর পরাজয়ী অধিনায়ক তার দলের খেলোয়ারকে গালি দেয়। তবে সব মিলিয়ে মজায় হতো । এখন আর কাদা মাঠে খেলা হয় না ! খুব মিস করি সেই দিনগুলোকে ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২১৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now