বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
#অভিমানী♥মন-৫
.
লেখক-ইমরান খান
.
পার্ট- ৫
.
আমি ফিরে এসে দেখি রাফি আর নিলা রেডি হয়ে আছে।
.
- ভাইয়া এতক্ষন কোথায় ছিলে?? (নিলা)
.
- পুরনো বন্ধুদের সাথে দেখা করতে।
.
- তা সেই কখন গেছ আর এখন এলে।
.
- সরি আপু,, আর হবে না।
.
- ওকে ওকে,, রেডি হয়ে নাও।
.
- ওকে।
.
.
আমি রেডি হয়ে নিলাম। বাসায় নিচে এসে দেখি রাফি গাড়ি নিয়ে দাড়িয়ে আছে। আমি গাড়িতে উঠার আগে....
.
.
- রাফি একটা অনুরোধ রাখবি।
.
- কি?? (রাফি)
.
- আমার পরিচয় যেন কেউ না জানে।
.
- সবাই তো তোকে যদি চিনতে পারে।
.
- কেউ পারবে না। শুধু তুই কাউকে বলিস না।
.
- ওকে যা বলবো না।
.
.
আমরা বেরিয়ে পড়লাম টাংগাইল উদেশ্য। অনেক সময় পর এসে পৌছালাম। গাড়িটা এসে আমরা বাসায় সামনে থামলো। এখানে আমরা থাকতাম আর এর পাশের বাসায় আমার চাচারা। আমি গাড়ির ভিতরে বসে আছি আর রাফি গিয়েছে বাসায় ভিতরে। কিছুক্ষন পরে রাফি এল।
.
.
- সানি,, তো পরিবারের কেউ বাসায় নেই। (রাফি)
.
- তাহলে সবাই কোথায়??
.
- দারওয়ান বলল,, সবাই নাকি একটা বিয়েতে গিয়েছে।
.
- তাহলে....
.
- আরে গ্রামে চল,, আমার বোনের বিয়ের পর আসিস। আর তখন যদি গ্রামে যায় তাহলে সেখানে সবাই কে দেখতে পারবি।
.
- তাহলে চল।
.
.
প্রায় ১ ঘন্টা পরে গ্রামে এসে পৌছালাম। গ্রামে রাস্তায় যখন প্রবেশ করলাম তখন মনে হল এই মাটি বলছে কেউ ফিরে এসেছে। যার সাথে আমার অনেক দিনের সম্পর্ক। গ্রামে পৌছাতে সন্ধ্যায় হয়ে গেছে। আর আকাশে যে গোধুলি ছেয়ে গেছে এটা আমার চেনা। এখানকার ধুলো-বালির সাথে আমার খুব পুরোনো সম্পর্ক। কিছু এই মাটিতে সাতটা বছর পায়ের দুলো পড়ে নি। এখনকার বাতাসে আমার কনঠ শুনায়া নি। গাড়িতে বাড়ির বাইরে থামলো। বাড়ির ভিতর থেকে রাফি মা আর বোন বেরিয়ে আসলাম।
.
.
- রাফি তোরা এসে পড়েছিস। (রাফির মা)
.
- হ্যা,, মা। (রাফি)
.
- ভাইয়া তোর সাথে এই ছেলেটা কে?? (রাফির বোন নেহা)
.
- আমরা বন্ধু।
.
- কোন দিন তো দেখি নি। (নেহা)
.
- ও এতদিন দেশের বাইরে ছিল। ২ দিন হলো ফিরেছে। তাই সাথে তোর বিয়েতে নিয়ে এলাম।
.
- ভালো করেছিস। তা তোর বন্ধুর নাম কি?? (রাফির মা)
.
- কুয়াশা,, (আমি)
.
- তোমরা বাড়িত কে কে আছে?? (রাফির মা)
.
- আরে মা,, এত জানি করে এসেছি। আর তুমি প্রশ্ন করা শুরু করেছে। (রাফি)
.
- ও ভিতরে আয়।
.
.
রাফিদের বাড়ির ভিতরে গেলাম। বাড়িটা বদলে গেছে। যখন আমরা একসাথে পড়েছি তখন অনেক এসেছি। আন্টি আমাকে চিনতে পারিনি। তাহলে এইটুকু বুজতে পারলাম কেউ আমাকে চিনতে পারবে না। আমাকে ঘুমানোর জন্য একটা রুম দেওয়া হলো। বাড়িতে এখন মেহমান আসেনি। শুনলাম কাল থেকে আসা শুরু হবে। পরশু বিয়ে। তাই খুব তোর জোর ভাবে বিয়ে কাজ চলছে। আমি রুমে থেকে বেরিয়ে এসে দেখি কয়েক জন উঠনে বসে গল্প করছে। সাথে রাফিও আছে। আমাকে দেখে রাফি ডাক দিল। আমি সেখানে গেলাম।
.
.
- সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। এই হলো আমার বন্ধু কুয়াশা(যেটা নকল নাম)।(রাফি)
.
- দুলাভাই আগে কখনও তো দেখি নি। (ওখানে থাকা একটা মেয়ে)
.
- মনিশা,, ও এতদিন দেশের বাইরে ছিল তাই দেখনি।
.
.
রাফি বাকিদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। মনিশা নামের মেয়েটি নিলার ছোট বোন। সবে মাএ অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ে। আমি ওখানে বসে ওদের কথা শুনছিলাম।
.
.
- দুলাভাই তোমার বন্ধু বোবা নাকি,, কতক্ষন এখানে এসেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন শব্দ শুনতে পারি নি। (মনিশা)
.
.
মেয়েটার কথা শুনে রাগ হল। তাই বললাম...
.
- আমি প্রয়োজন ছাড়া কথা বলি না।
.
আমি উঠে ওইখান থেকে চলে এলাম। আমি চলে আসার পর ওইখান।
- দুলাভাই তোর বন্ধুর মধ্যে এত এটেটিউট কোন। (মনিশা)
.
- ও এই রকমি। তুমি কিন্তু ভুল করেও ওর পিছে লাগবে না। (রাফি)
.
- আমি তো লাগবেই। তোমার বন্ধুর এই এটেটিউট যদি ভাঙ্গতে না পারি তাহলে আমার নাম মনিশা নয়।
.
- ও কিন্তু অনেক রাগি।
.
- সেটা পরে দেখা যাবে।
.
- আমি কিন্তু তোমার বোনকে বলে দিবো।
.
- বল আমি ভয় পায় নাকি।
.
.
এটা বলে মনিশাও ওইখান থেকে চলে এল। রাফি ভাবছে মনিশা যা জেদি ও তো করেই ছাড়বে। কিন্তু সানি তো কম জেদি নয়। এখন কি হবে উপরআলা জানে।
.
মনিশা রুমে গিয়ে রাগে গজগজ করছে। আর বলছে,, আমার সাথে কথা বলার জন্য ওয়েট করে থাকে আর এ কি যেন নাম কুয়াশা। আমাকে ইগনো করে। আমি এক দেখিয়ে দিবো মনিশা ইগনোর করার শাস্তি। তখন নিলা রুমে ডুকলো। মনিশা কে দেখে কি যেন বিরবির করছে।
.
.
- কি করে একা একা কি বলছিস?? (নিলা)
.
- (চমকে গিয়ে) ও তুই। (মনিশা)
.
- এতক্ষন কি বলছিলিস।
.
- এই ছেলেটা কত বড় সাহস আমাকে ইগনোর করে। আমি এর শাস্তি দেবই।
.
- কার কথা বলছিস??
.
- তোর বরের বন্ধুর কথা।
.
- এই তুই কিন্তু ভাইয়ার পিছনে লাগবি না।
.
- ওই ছেলে তোর ভাইয়া হলে কবে।
.
- ভাইয়া বলে আমি না উনার ছোট বোনের মত তাই আমাকে ভাইয়া ডাকতে বলেছে। তুই ও ভাইয়া ডাকবি।
.
- তুই ডাকিস বলে আমাকেউ ডাকতে হবে নাকি।
.
তখন রুমে নেহা ডুকলো।
- ওকে বলে লাভ নেই ভাবি। ও মনে হয় কুয়াশা ভাইয়ার প্রেমে পড়ে গেছে। তাই ইগনো করেছে বলে এত রাগ দেখােচ্ছে। (নেহা)
.
- এই সব কিছু না। (মনিশা)
.
- দাড়া তোকে বুজাচ্ছি।
.
.
নেহা দৌড়ে রুমে থেকে বেরিয়ে গেল। তার পিছে মনিশাও। আসলে আর বন্ধুবি। ওদের মধ্যমেই নিলা আর রাফির পরিচয় হয় তার পর বিয়ে।...........
--♦To Be Continue♦--
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now