বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
#তুই♥শুধু♥আমার
#পর্ব০৪)
#লেখক-ইমরান খান
রাত্রির সাথে তোর বিয়ে হলেই তো পরে পালাবি তার আগেই আমি সব বলে দিবো বাবাকে। রনি আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে তখনি রনি বলে।
রনি:- আলিফ তুই কি ভাবছিস তোর কথা বিশ্বাস করবে! আর তাছাড়া তোর কাছে কোনো প্রমান নেই যে আমি বিবাহিতা।
আলিফ:- তোর সাহোস দেখে অবাক হচ্ছি বলে ওর ক্লার চেপে ধরেছি। তুই কি ভাবছিস আমি প্রমান আর বিশ্বাস দিবার জন্য বসে থাকবো। তুই আমাকে চিনিস না ভালোই ভালোই চলে যা না হয় এখানে গেথে রাখবো। তোদের মত বেঈমান মানুষের জন্য আজকাল অনেক মেয়েদের জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
মেয়ে:- এই তোমার সাহোস হয় কি করে রনির ক্লার টেনে ধরার?
আলিফ:- এই এখানে সাহোসের কি দেখছিস? আর তোর লজ্জা করে না তোর স্বামী হয়ে এমন জঘন্যতম কাজ করতে যাচ্ছে আর তুই সাহোস দেখছিস? তোদের মত কিছু মেয়ে আর ছেলে আছে বলে আজকাল বিশ্বাস আর ভালোবাসার এই অবস্থা।
রনি:- আলিফ ওকে এসব বলছিস কেনো?
আলিফ:- কেনো বলছি তুই বুঝতে পারছিস না? আর তোর কি চায় প্রমান দিচ্ছি বলে ওর নাক বরাবর এক গুসি মেরেছি। রনি নাক ধরে বসে পড়েছে আর ঐ মেয়েটা ওকে ধরেছে আমি চলে এসেছি। রাত্রির সাথে কখনো কাওকে খারাপ কিছু করতে দিবো না বলে বলে আসছি তখনি চেয়ে দেখি রিপা তার হুব হাজবেন্টের হাত ধরে এদিক দিয়ে আসছে। আমি দেখেও না দেখার মত করে চলে আসতে চাইছি কিন্তু তখনি রিপা বলে।
রিপা:- কি ব্যপার আলিফ তোমাকে এমন দেখাচ্ছে কেনো? তাও কিছু বলছি না তখনি ওর হুব বর বলে।
ছ্যাকা খেয়ে বেকা হয়ে গেছে তাই তো চেহারার নকসা বদলে গেছে।
আলিফ:- হাসালেন মিষ্টার জুটা খাবার নিয়ে এত উৎসাহ ভালোনা। আপনি তো বাসি আর পচা খাবারের সাথে ঘুরতেছেন। আমি টাকটার সময় সব কিছুর সাদ নিয়ে ফেলেছি।
রিপা:- আলিফ মুখ সামলিয়ে কথা বলো।
আলিফ:- কেনো লাগছে তাইনা? কাটা গায়ে লবন ছিটালে তো কিছুটা জ্বলবে সেটা যদি যেনে থাকো তাহলে লবন ছিটাতে গেছো কেনো?
রিপার বর:- রিপা তুমি বলছো ওর সাথে তুমি কোথাও যাওনি আর এখন বলছে তুমি বাসি আর পচা সব টাটকা ও খেয়ে নিয়েছে এটার মানে কি?
রিপা:- জানো দেখছোনা আমি ওকে পাত্তা দিচ্ছিনা বলে এসব আজে বাজে কথাবার্ত্রা বলছে। জানো তুমি প্লিজ ওর মত ছ্যাকা খাওয়া ছেলের কথা কিছু মনে করোনা প্লিজ।
আলিফ:- আরে ছ্যাকা তো খেয়েছি ঠিক আছে কিন্তু তুই তোর জীবনে সবচেয়ে বড় ভুলটা করেছিস এখন ঝগড়াটা করে। আমি তো ভাবছি তোর ছবি গুলি ডিলেট করে দিবো কিন্তু না আজকে নেটে ছেড়ে দিবো দেখবো ছ্যাকা কে খায়?
রিপার বর:- কিসের ছবি?
রিপা:- আলিফ কাজটা তুমি কিন্তু একদম বাজে করবে বলে দিলাম।
আলিফ:- এখন ছ্যাকা খুর বলে হাসো বেশী বেশী করে আমি যাই কেমন? তখনি চেয়ে দেখি রিপার বর রিপার হাতটা ছেড়ে দিয়েছে আর বলছে।
আজকেই আমি বিয়েটা ভেঙে দিবো সাথে তোমার আপুর বিয়েটাও। রিপা ওকে বুঝাতে চেষ্টা করছে কিন্তু না বুঝে চলে যাচ্ছে তখন রিপার কান্না দেখে আমার কাছে কেনো জানি খারাপ লাগতে আরম্ভ করেছে। আমি দৌরে গিয়ে রিপার বরের হাতটা ধরেছি।
আলিফ:- কি হলো এক মিনিটেই বিশ্বাস আর ভালোবাসা শেষ?
রিপার হুব বর:- মানে?
আলিফ:- আসেন মানেটা বুঝাচ্ছি বলে ওর হাত ধরে টেনে নিয়ে এসেছি রিপার কাছে। রিপা চলো ঐ কফি সপে বসে কিছু কথা বলি। রিপা যেতে রাজি হইনি আমি ওর হাতটা ধরে দুজনকে টেনে নিয়ে এসেছি। রিপার হট কফি পছন্দ আমার কোল্ড আপনার কি পছন্দ?
আমারো হট কফি।
আলিফ:- আচ্ছা নাম কি আপনার?
সাব্বির।
আলিফ:- ওকে আচ্ছা সাব্বির একটা কথা বলি আসলে রিপা ঠিক ততটাই পবিত্র যতটা আপনি আপনার মাকে পবিত্র মনে করেন। রিপার সাথে আমার ভালোবাসাটা ছিলো কিন্তু কখনো খারাপ কিছু হইনি। ওর কোনো বাজে ছবি আমার কাছে নেই আর থাকবে কি করে আমি ওকে ভালোবোসে বিয়ে করতে চাইছি তাই কখনো খারাপ কিছু চাইনি। আপনি রিপাকে বিয়ে করেন অনেক সুখে থাকবেন। কফি গুলি চলে এসেছে কফি খেতে লাগলাম।
রিপা:- আলিফ প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও আমি বুঝতে পারিনি।
সাব্বির:- সরি ভাই আসলে আমার মাথাটা ঠান্ডা রাখা দরকার ছিলো। এমনিতেই তোমার ভালোবাসার মানুষ হারিয়ে গেছে তার উপর মজা করা আমাদের সাজে নি সরি।
আলিফ:- সরিতে মন ভরবেনা কফির বিলটা দিয়ে দেন একেই খুশি। আচ্ছা এখন আমি গেলাম বলে বেরিয়ে এসেছি মনটা কিছুটা ফ্রেশ লাগছে আমি বাড়ীর দিকে রওনা দিলাম। বাড়ীতে গিয়ে দেখি বাহির দিয়ে দরজায় তালা দেওয়া। ব্যপার কি বাড়ীর সবাই গেছে কোথায়? মোবাইলটা হাতে নিয়ে রিত্রিকে ফোন করছি রিং হচ্ছে রিসিভ করছে না। এবার মায়ের নাম্বারে ফোন করছি তিন চারটা কল করার পর রিসিভ করেছে।
মা:- আলিফ বল কি হয়ছে?
আলিফ:- মা দরজায় তালা ঝুলছে তোমরা সবাই কোথায়?
মা:- রনিকে কে যেনো মেরে নাক ফাটিয়ে দিয়েছে আমি আর রাত্রি হাসপাতালে এসেছি।
আলিফ:- তোমরা কোন হাসপাতালে আছো?
মা:- ঐ তো মর্ডান হাসপাতালে। ফোনটা কেটে হাসপাতালের দিকে রওনা হলাম গিয়ে দেখি রাত্রি রনির পাশে বসে আছে। আমাকে রনি দেখে একটা মুচকি হাসি দিয়েছে। আমি গিয়ে রাত্রির হাত ধরেছি।
রাত্রি:- আলিফ কি হইছে?
আলিফ:- চল আমার সাথে?
রাত্রি:- কোথায় যাবো?
আলিফ:- কখনো তো তুই আমাকে জিজ্ঞেস করিসনি আজকে কেনো জিজ্ঞেস করিছিস?
রাত্রি:- এতদিন আর আজকের মধ্যে পার্থক্য আছে এখন বল কোথায় নিয়ে যাচ্ছো?
আলিফ:- থাক তোকে বলতে পারবোনা আর যেতেও হবে না। মা বাড়ীর চাবি দাও আমি বাড়ীতে যাবো।
মা:- এমন করছিস কেনো রনির সাথে একটু কথা বল।
বাবা:- আরে আলিফ কখন এসেছিস?
আলিফ:- বাবা রাত্রির বিয়েটা ভেঙে দিন রনি একটা বাজে ছেলে ও অলরেডি বিবাহিত ওর বউ আছে।
বাবা:- মানে কি বলছিস তুই?
আলিফ:- হ্যা সত্যি বলছি বলেই রনির কাছে গেছি কিরে রনি বল সত্যিটা না হয় এখানে তোকে মেরে লাশ করে দিবো।
রনির বাবা:- এই ছেলে কি বলছো তুমি তোমার সাহোস হয় কি করে? আমার ছেলে বিবাহিতা তোমাকে কে বলছে ও তো বিয়ে করেনি।
আলিফ:- বিয়ে করেনি তাহলে এই ভিডিওটা একটু দেখেন আর কথা গুলি শুনেন আমি ওকে রাস্তায় মেরেছি। তখন ওর ভিডিওটা আর কথা গুলি বাবা নিজেই গেছে ওকে মারতে মা বাবাকে বুঝিয়ে নিয়ে এসেছে। রাত্রি কান্নি করছে তখন মা রাত্রিকে বুঝিয়ে বাড়ীতে নিয়ে এসেছে।
রাত্রি:- আমার কপালটা খারাপ আমার সাথে কেনো এমনটা হয়?
আলিফ:- কে বলছে তোমার কপাল খারাপ? যদি তোমার কপাল খারাপ হত তাহলে আজকে এই বাড়ীতে এত দামী কাপড় পড়ে থাকতে পারতে না বরং তোমাকে রাস্তায় শুয়ে মানুষের লাথী উষ্ঠা খেয়ে থাকতে হত।
বাবা:- মা রাত্রি আমাকে ক্ষমা করে এবার তোর জন্য ভালো দেখে পাত্র খোঁজে আনবো।
মা:- পাত্র আর খোঁজে আনতে হবে না আলিফ তুই রাত্রিকে বিয়ে করবি বাছ আমি আর কোনো কথা শুনতে চাইনা। তখন আমি একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলতে যাবো ঠিক আছে তখনি রাত্রি বলে।
রাত্রি:- মা বাবা আপনারা যদি কিছু মনে না করেন তাহলে একটা কথা বলবো?
মা:- হ্যা বল?
রাত্রি:- সত্যি বলতে আমি একটা ছেলেকে ভালোবাসি ওর সাথে আমার পরিচয় ফেসবুকে। আজ (৬) ছয় মাস যাবৎ ও আমাকে বিয়ে করতে চাচ্ছে আপনারা রাজি থাকলে আমি ওকে আসতে বলবো। ছেলেটা খুব ভালো।
বাবা:- ঠিক আছে এতে আমার কোনো আপত্তি নেই।
মা:- ঠিক আছে তাহলে তোর পছন্দে তোকে বিয়ে দেওয়া হবে আর আলিফ তুই রিপাকে বলিস আমরা ওকে দেখতে যাবো এবার তো তোরা খুশি?
রাত্রি:- ধন্যবাদ বাবা আর মা বলে ওদের জড়িয়ে ধরেছে আমি কিছু না বলে চুপচাপ রুমের দিকে চলে যাচ্ছি তখনি বাবা বলেন।
বাবা:- কিরে আলিফ তোর মা কি বলছে শুনছিস তো?
আলিফ:- বাবা এখন আমি বিয়ে করছি না আমার পড়া লেখা আগে শেষ করবো তারপর বিয়ে করবো বলেই রুমে এসে দরজাটা জোরে বন্ধ করে দিয়েছি। রাত্রে আর খায়তে যায়নি বাবা মা আর রাত্রি অনেকবার ডাকছে আমি বারণ করে দিয়েছি। সকালে ঘুম থেকে উঠে নামায পড়তে গেলাম। নামায পড়ে এসে কিছুটা পড়ার দিকে মন দিচ্ছি কিন্তু মনে তো অন্য কিছু। রিপার সাথে যা স্মৃতি আছে তার চাইতে বেশী স্মৃতি মনে পড়ে রাত্রির সাথে ঘটে যাওয়া গুলি। নিজেকে আজকাল খুব অসহায় লাগছে আবার রাত্রি এখন অনেকটা খুশি। সাপ্তাহ খানেক এভাবে চলে গেছে এখন নিজেকে কিছুটা গুচানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছি আজকে রাত্রির ঐ ফেসবুকের ছেলেটা আসবে বাড়ীতে তাই রাত্রি অনেক খুশি।
রাত্রি:- আলিফ তুমি এখন আমার কাছ থেকে কেমন দুরে দুরেরে থাকো কেনো?
আলিফ:- কেনো তোর কাছে কাছে থাকবো আচ্ছা তোর জন্ম পরিচয় আছে? তোর লজ্জা করেনা আমার সাথে কথা বলতে তোকে এতটা ঘৃনা করি তাও কেনো আমার সাথে কথা বলতে আছিস?
রাত্রি:- আলিফ তুমি কথা গুলি বলতে পারলে?
আলিফ:- কেনো বলতে পারবোনা আজকের পর আর কোনো দিন আমার রুমে যদি দেখি তাহলে এর পরিনাম অনেক ভয়াবহ হবে বলে দিলাম। এখুনি আমার চোখের সামনে থেকে যা বলে দিলাম।
রাত্রি:- মাত্র কিছু দিন অতীথী মাত্র চলে যাবো একে বারে। তবে হ্যা আমার জন্মের পরিচয় নেই সেটা আমি জানি কিন্তু প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দেবার কোনো দরকার নেই। আজকাল কোনো কারণ ছাড়াই আমার উপর রাগটা বেশী দেখছি।
আলিফ:- তুই আমার কি যে তোর উপর রাগ দেখাবো। রাগ তো তার উপর দেখানো হয় যার উপর অধিকারটা সবচেয়ে বেশী আর আলাদা একটা মাঁয়া থাকে। রাত্রি কান্না করে চলে গেছে তখন আমার চোখে পানি চলে এসেছে। মন খারাপ করে বসে আছি ঘন্টা দুইয়েক পরে বেড়িয়েছি তখন চেয়ে দেখি রাত্রিকে দেখতে ছেলে পক্ষ এসেছে।
বাবা:- আলিফ এদিকে আয় পরিচয় করিয়ে দেয়। আমি কাছে গেছি এক এক করে সবার সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। আলিফ ও হচ্ছে বর সাজু রাত্রি ওকে ভালোবাসে।
সাজু:- হাই।
আলিফ:- হ্যালো। আচ্ছা বাবা আমি বেরুলাম আমার কলেজে যেতে হবে। আমি বেড়িয়ে আসতেছি তখনি একটা মেয়ের চোখে চোখ পড়েছে আর মেয়েটা চোখ টিপ দিয়েছে আমি দাঁড়িয়ে গেছি।
মা:- কিরে আলিফ দাঁড়িয়ে আছিস কেনো?
আলিফ:- মা এমনিতেই যেতে ইচ্ছে করছেনা আজকে বাঁধা পড়ছে কলেজে যাওয়া ঠিক হবে না।
বাবা:- মা রাত্রি তোরা দুজনে আলাদা ভাবে কথা বলতে চাইলে বলতে পারিস।
সাজুর বাবা:- হ্যা মা যাও।
সাজু:- রাত্রি চলো তোমাদের বাড়ীর ছাদটা দেখে আসি?
রাত্রি:- হ্যা চলো। আমি রাত্রির দিকে তাকিয়ে আছি তখন ঐ মেয়েটা এসে বলে।
মেয়ে:- হাই আমি নিলু সাজু আমার বড় ভাই।
আলিফ:- আমি আলিফ। আমি চুপচাপ বসে আছি কিছুক্ষণ পর রাত্রি আর সাজু এসেছে।
সাজু:- বাবা আমাদের পক্ষ থেকে ওকে এবার আপনারা দিনক্ষন দেখে বিয়েটা পড়িয়ে দেন।
সাজুর বাবা:- বেয়াই সাহেব যদি কিছু মনে না করেন তাহলে এক সাপ্তাহের মধ্যে বিয়ের কাজটা সেরে ফেলতে চাই।
বাবা:- নেন মিষ্টি মুখ করেন। সবাই অনেক খুশি শুধু মাত্র আমি ছাড়া মনে হচ্ছে আমার জীবন থেকে সব কিছু হারিয়ে যাচ্ছে। তখনি নিলু বলে।
নিলু:- আলিফ আমাকে কি আপনাদের বাড়ীটা ঘুরিয়ে দেখাবেন?
বাবা:- আলিফ যা ওকে বাড়ীটা দেখা।
আলিফ:- ঠিক আছে আসেন। নিলু আমার সাথে যাচ্ছে আর রাত্রি তাকিয়ে আছে। নিলুকে নিয়ে সোজা ছাদের উপর এসেছি।
নিলু:- আপনার গ্রালফ্রেন্ড নেই?
আলিফ:- ছিলো এখন নেই। ওর বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে আর আমাদের মাঝে ব্রেকাপ হয়ে গেছে। নিলুর সাথে কথা বলছি অনেক্ষন হয়ে গেছে। নিলু চলো নিচে যাই তখনি রাত্রি এসেছে।
রাত্রি:- নিলু সবাই চলে যাচ্ছে তোমাকে ডাকছে।
নিলু:- হ্যা যাচ্ছি চলেন আমরা নিচে যাই?
আলিফ:- নাহ আপনি যান আমি পরে আসছি।
নিলু:- রাতে ফোন করবেন অনেক কথা আছে কেমন?
আলিফ:- ঠিক আছে করবো। নিলু চলে গেছে তখন রাত্রি বলে।
রাত্রি:- আলিফ আমার ননদীকে পটিয়ে নিলে তা ট্রিট কবে দিবে?
আলিফ:- হাসালে! তবে তোমার থেকে ভালো আছে ওর জন্ম পরিচয় আছে তোমার তো কোনো কিছু নেই কথাটা বলেই চলে এসেছি।
চলবে,,♥♥♥
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now